Home / সারাদেশ / মালয়েশিয়া পালিয়ে গেলেন প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে আসা তরুণী

মালয়েশিয়া পালিয়ে গেলেন প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে আসা তরুণী

প্রেমের টানে টাঙ্গাইলের সখীপুরে আসা মালয়েশীয় তরুণী জুলিজা বিনতে কামিস ১৭ দিন পর গত রোববার নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) জুলিজার সাবেক স্বামী আজগর আলী জুলিজার মালেশিয়ায় পৌঁছানোর কথা নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে জানতে চাইলে জুলিজার বর্তমান স্বামী মনিরুল ইসলাম বলেন, জুলিজা তার ভুল বুঝতে পেরে রোববার রাতের একটি ফ্লাইটে মালয়েশিয়া চলে যান।

ফেসবুকে ছয় মাস আগে টাঙ্গাইলের সখীপুরের তরুণ মনিরুলের সঙ্গে পরিচয়ের পর প্রেমের টানে মালয়েশীয় ওই তরুণী গত ২৪ আগস্ট বাংলাদেশে আসেন। পরদিন ২৫ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে জুলিজাকে নিয়ে মনিরুল সখীপুরে নিজ বাসায় যান।

ওইদিন রাতেই মনিরুলের সঙ্গে তার বিয়ের আয়োজন চলে। রাত ১১টার দিকে জুলিজার স্বামী পরিচয় দিয়ে আজগর আলী নামের এক ব্যক্তি ফোন করায় বিয়ে বন্ধ হয়ে যায়। পরে জুলিজাকে মনিরুলের মামা নওশের আলীর বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হয়। এর কয়েক দিন পর হঠাৎ করে মনিরুল জুলিজাকে নিয়ে আত্মগোপন করেন।

আলি দাবি করেন, ২০০০ সালের দিকে আজগর আলী জীবিকার সন্ধানে মালয়েশিয়া যান। ওখানে জুলিজার সঙ্গে তার প্রেম হয়।

২০০৮ সালে জুলিজাকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে ফিরে ঢাকায় নিজ বাসায় জুলিজার সঙ্গে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর আজগর মালয়েশিয়ায় ফিরে গিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে চার সন্তানের জন্ম হয়। চলতি বছরের আগস্টে ব্যবসার কাজে আজগর আলি কয়েক দিনের জন্য অন্যত্র যান। এই সুযোগে ওই তরুণী বাংলাদেশে মনিরুলের কাছে চলে আসেন।

প্রেমের টানে মালয়েশীয় ওই তরুণীর টাঙ্গাইলে আসার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর আজগর আলী বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর আজগর আলি ওই খবরের সূত্র ধরে মনিরুলের মুঠোফোন নম্বর সংগ্রহ করে বিয়ে পড়ানোর আগে ফোন দেন।

মালয়েশিয়া প্রবাসী আজগর আলি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী জুলিজা টাঙ্গাইলের মনিরুল নামের এক যুবকের খপ্পরে পড়ে চার লাখ টাকা ও চার ভরি স্বর্ণালংকার খুইয়েছেন। এ অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে কলেজছাত্র মনিরুলের মুঠোফোনে কয়েকবার ফোন দিলেও কেউ ধরেননি।

তবে মনিরুলের বাবা ইমান আলী বলেন, জুলিজা সামান্য কিছু টাকা নিয়ে এসেছিল বলে শুনেছি। চার লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। শুনেছি, মেয়েটি রোববার মালয়েশিয়া চলে গেছে। ছেলের সঙ্গে আমার ফোনে যোগাযোগ আছে। সে এখনো বাড়িতে ফেরেনি।

মনিরুলের মামা নওশের আলী বলেন, আমার বাড়িতে মেয়েটি মনিরুলের সঙ্গে আত্মগোপন করে। মনিরুলের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ হয়নি। শুনেছি মেয়েটি মালয়েশিয়া চলে গেছে।

নিউজ ডেস্ক
: আপডেট, বাংলাদেশ ১০ : ৫৫ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ মঙ্গলবার
এইউ

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

রোহিঙ্গাদের জন্যে বছরে লাগবে সাত হাজার কোটি টাকা

বাংলাদেশের ...