Home / উপজেলা সংবাদ / মতলব উত্তর / সর্বাধিক এ’ প্লাস পেয়েছে দশানী মোহনপুর ও মাথাভাঙ্গা উবি

সর্বাধিক এ’ প্লাস পেয়েছে দশানী মোহনপুর ও মাথাভাঙ্গা উবি

সম্প্রতি প্রকাশ হওয়া এসএসসি ও সমান পরীক্ষার ফলাফলে মতলব উত্তর উপজেলায় কুমিল¬া শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসিতে সর্বাধিক এ প্লাস পেয়েছে উপজেলার দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও মাথাভাঙ্গা আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়।

দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও মাথাভাঙ্গা আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে যৌথভাবে ৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এছাড়াও দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২৯ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে ৮৪ জন পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৬৫%। আর এ প্লাস পেয়েছে ৭টি। যা উপজেলার মধ্যে শীর্ষে। অপরদিকে উপজেলার মাথাভাঙ্গা আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৯০ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। পাসের হার ৮১%। পাসের হারের দিক দিয়ে উপজেলার মধ্যে এ স্কুলটি দ্বিতীয়।
এ প্লাস পেয়েছে ৭ জন। এ প্লাস আর পাসের হার দিক বিবেচনায় এ বিদ্যালয়টি সবচেয়ে ভালো ফলাফল করেছে। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে উপজেলায়।

উপজেলায় পাসের হার ৫৩.৩৭%। উপজেলায় এসএসসিতে মোট ৪ হাজার ৯শ’৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২ হাজার ৬শ’৫৯ জন, ২ হাজার ৩শ’২৩জন শিক্ষার্থী ফেল করেছে। আর উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৩ জন। পাসের হার ৫৩.৩৭ভাগ।

উপজেলার মধ্যে সর্বাধিক এ প্লাস পাওয়ার এ দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে রয়েছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি, স্বর্ণপদক প্রাপ্ত মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হক চৌধুরী বাবুল।
শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ও অভিভাবক এবং পরিচালনা পর্ষদ সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ ফল এসেছে বলে মনে করেন দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনছুর আহম্মেদ।

তিনি জানান, ‘স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোহনপুর ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হক চৌধুরী বাবুল, সহকারী প্রধান শিক্ষক জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদার, সদস্য ও কমিটির সদস্যদের সার্বিক তদারকি আমাদেরকে ভালো ফালফলে সহায়ক ভুমিকা পালন করেছে। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা টেস্ট পরীক্ষায় খারাপ করে, আমরা তাদের বের করে দেই না। তারা যে বিষয়ে খারাপ করে, সেই বিষয়টায় আমরা আরো একবার পরীক্ষা নিই। শিক্ষার্থীসহ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সাথে মাসিক মা সমাবেশ আমাদের কাজে লেগেছে। জিপিএ-৫ ফলাফল বরাবরের মতো এবার ৭ জন যা উপজেলার সর্বাধিক পেলেও আমাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। আর পাসের হার শতভাগ পেলে আমরা খুশি হতাম।

জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, এ সাফল্যের পেছনে চেষ্টার পাশাপাশি বাবা-মা ও শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ছিলো।

খান মোহাম্মদ কামাল, মতলব (চাঁদপুর)
আপডেট, বাংলাদেশ সময় ১: ২০ এএম, ৭ মে ২০১৭, রোববার
ডিএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

চাঁদপুর টাইমস-এর পক্ষ থেকে ঈদ মোবারক

পবিত্র ...