ফরিদগঞ্জ

ফরিদগঞ্জ-রুপসা সড়কটি যেনো মরণফাঁদ

চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ-রুপসা বেহাল সড়কটি যেনো এখন মরণফাঁদ।উপজেলা সদরের সাথে পূর্বাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের যাতায়াতের এই প্রধান সড়কটিতে জনসাধারণের দুর্ভোগের শেষ নেই। জনদুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি সংস্কার জরুরী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পূর্বাঞ্চল রুপসা, খাজুরিয়া, লাউতলী, আষ্টা, গুপ্টি, গল্লাক আসে পাশে, উপজেলা সদর, পাশ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ ও হাজীগঞ্জ উপজেলার জনসাধারণ এই সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করেন। এই সড়কটি দিয়ে দ্রুত ফরিদগঞ্জ থেকে হাজীগঞ্জ ও রামগঞ্জ উপজেলায় যাতায়াত করা যায়।

কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ কোন সংস্কার না হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে চলাচলে অনুপযোগী এই সড়কে চলতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে সাধারণ পথচারিরা। সড়কের বেহাল দশার কারণে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে অনেকে পুঙ্গত্ব জীবনযাপন করছেন।

এদিকে সড়কের দুরবস্থার কারণে যাত্রীদের কাছ থেকে সাধারণ পরিবহনগুলো আদায় করে নিচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। এনিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের। এছাড়া উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্য কেন্দ্র, কয়েকটি প্রাইভেট হাসপাতাল উপজেলা সদরে অবস্থিত। এ সড়কের বেহাল দশার কারণে সাধারণ মানুষ রোগী নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে।

দীর্ঘদিন অবহেলিত সড়কটিতে ১৫ লাখ টাকা বরাদ্দের সংস্কার কাজ দেখালেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বিশেষ করে উপজেলা সদর থেকে প্রবেশ পথে অল্প ক’গজ পিছ দিয়ে মেরামত দেখিয়ে বাকি সড়কটিতে মূলত চাষ দিয়ে মই দেওয়া হয়েছে। সড়কটির এই দুরবস্থা বিরাজ করলেও এলাকার জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রচেষ্টা নেই জনপ্রতিনিধিদের।

গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি মেরামতে যেন দেখার কেউ নেই। তাই জনগনের দুর্ভোগ লাঘবে জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছে সচেতন মহল।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ড. জিয়াউল ইসলাম মজুমদার জানান, ফরিদগঞ্জ হতে রুপসা হয়ে গঙ্গাজলী ব্রীজ পর্যন্ত ৫.৭৪ কি.মি. সড়কের মেরামত কাজের জন্য বরাদ্দ চেয়ে পাঠানো হয়েছে। ১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। টেন্ডার সম্পন্ন হলে অচিরেই কাজ শুরু হবে। তাছাড়া তিনি আরোও জানান, ১২ফুট চওড়া সড়টিকে ১৮ফুট চওড়া করা হবে যাতে করে যাতায়াতে সুবিধা ও জানজট নিরসন করা যায়।

স্টাফ করেসপন্ডেট
১১ জানুয়ারি,২০১৯

Share