Home / আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক

মুজিববর্ষের সমাপনিতে এরদোগান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে মোদি আসবেন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ঘোষিত মুজিববর্ষের সমাপনি অনুষ্ঠান এবং স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতা।

এর মধ্যে আগামি ১৭ মার্চ মুজিববর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠানে থাকতে পারেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে দু’অনুষ্ঠানেরই পরিসর কেমন হবে তা নির্ভর করছে করোনাভাইরাস মহামারীর পরিস্থিতির ওপর।

এ ছাড়া মুজিববর্ষে বাংলাদেশে আসার বিষয়ে এর আগে সম্মতি দেয়া কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো,মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ, ভারতের কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী, জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ জায়েদ আল নাহিয়ানের সফরও সুবিধাজনক সময়ে আয়োজনের আলোচনা চলছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মুজিববর্ষ উপলক্ষে বছরব্যাপি নানা আয়োজনে যোগ দিতে বিশ্বনেতারা সম্মতি জানিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বব্যাপি জেঁকে বসা মহামারী সবকিছু পাল্টে দেয়। পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে আয়োজনগুলোও সংক্ষিপ্ত করা হয়। ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আগামি মার্চে মুজিববর্ষের সমাপনী ও স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান আয়োজনে আসার আগ্রহ জানাচ্ছেন বিশ্বনেতৃবৃন্দ।

এর মধ্যে গত ১৭ মার্চ ঢাকায় মুজিববর্ষের সূচনার অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার কথা ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সে সফর পিছিয়ে বিজয় দিবসে আয়োজনের চিন্তা-ভাবনা ছিল ঢাকা-দিল্লিতে। কিন্তু কভিড-১৯-এর দ্বিতীয় ঢেউ ডিসেম্বরেও জনসমাগমে বাধা হয়ে আসছে। এমন পরিস্থিতি আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তীতে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু ভারতের সরকার প্রধানকে।

সূত্র জানায়, এ অনুষ্ঠানে আরও থাকতে পারেন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে সবার আগে স্বীকৃতি দেওয়া ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে বাংলাদেশ সফরে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

আগামি ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীর সময় প্রেসিডেন্ট এরদোগানের সফর আয়োজনের চিন্তা-ভাবনা চলছে। আগামি নভেম্বরে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলুর ঢাকা সফরে ভিভিআইপি সফরের দিনক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে।

অবশ্য এমনিতেই ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে তার ঢাকা সফরের সূচি ছিল এ বছরই। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে বারবার পিছিয়েও বিশ্বনেতাদের সশরীরে উপস্থিতিতে আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না ডি-৮ সম্মেলনের। শেষ পর্যন্ত ভার্চুয়ালি আয়োজিত হতে যাচ্ছে ডি-৮ এর শীর্ষ সম্মেলন।

বার্তা কক্ষ , ২৩ অক্টোবর ২০২০
এজি

সর্বনাশা করোনা ৪ কোটি ১৯ লাখ ছাড়িয়ে গেছে

সর্বনাশা করোনা থামছেই না। গোটা বিশ্ব আজ কোভিড ১৯-এর দাপটে কোণঠাসা। বিশ্বব্যাপী সংক্রমণ ইতিমধ্যে ৪ কোটি ১৯ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এ তথ্য ওয়ার্ল্ডওমিটারসের।

করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান রাখা আন্তর্জাতিক এ সংস্থার তথ্যমতে, শুক্রবার সকাল ১০টা পর্যন্ত করোনাভাইরাসে বিশ্বে মারা গেছেন ১১ লাখ ৪২ হাজার ৭৪৪ জন।

আর আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪২ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ১১ লাখ ৮৭ হাজার ২৩১ জন।

করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে আসে যুক্তরাষ্ট্রের নাম। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এই মহামারীতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৬ লাখ ৫৮ হাজার ৩১৪ জন নাগরিক। প্রাণহানি হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩৩৩ জনের। আর সুস্থ হয়েছেন ৫৬ লাখ ৪৭ হাজার ৩৯৭ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের পরই সংক্রমণে দ্বিতীয় স্থানে আছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭ লাখ ৫৯ হাজার ৬৪০ জন। মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১১ লাখ ৭ হাজার ৩৩৬ জন। মোট সুস্থের সংখ্যা ৬৯ লাখ ৪৬ হাজার ৩২৫।

মৃত্যুতে দ্বিতীয় ও আক্রান্তে তৃতীয় স্থানে থাকা ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ লাখ ৩২ হাজার ৬৩৪। এর মধ্যে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৬২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্য থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৭ লাখ ৮৫ হাজার ২৯৭ জন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এটি বর্তমানে বিশ্বের ২১৩ দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। চলতি বছরের ১১ মার্চে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এটিকে বিশ্বব্যাপী মহামারী ঘোষণা করে।

বার্তা কক্ষ,২৩ অক্টোবর ২০২০

অক্সফোর্ডের করোনার টিকা নিয়ে প্রাণ গেল স্বেচ্ছাসেবকের

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা টিকা নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ব্রাজিলের এক স্বেচ্ছাসেবক। তবে ওই টিকার ট্রায়াল এখনও বন্ধ করার ঘোষণা দেয়নি অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষ।

ব্রাজিলের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনকার কোভিড-নাইনটিন টিকার ক্লিনিকাল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এক স্বেচ্ছাসেবকের মৃত্যু হয়েছে। ২৮ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি রিও ডি জেনেরিওর বাসিন্দা।

ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ওই ব্যক্তির শরীরে কী ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট করে বলা হয়নি।

কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, ব্রাজিলের ওই স্বেচ্ছাসেবকের মৃত্যু নিয়ে কিছুটা গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে। তবে ব্রাজিল সরকার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন।

এর আগে ভ্যাকসিন গ্রহণ করার পর এক স্বেচ্ছাসেবকের স্নায়ু সমস্যা দেখা দিলে সাময়িকভাবে ট্রায়াল স্থগিত করা হয়েছিল। কিন্তু এবার একজনের মৃত্যু হলেও টিকার ট্রায়াল স্থগিত করার ঘোষণা আসেনি।

বার্তাকক্ষ,২২ অক্টোবর,২০২০;

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চার কোটি ১৫ লাখ ছাড়িয়েছে

দুনিয়াজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা চার কোটি ১৫ লাখ ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা চার কোটি ১৪ লাখ ৬৯ হাজার ৬২৪। এর মধ্যে ১১ লাখ ৩৬ হাজার ২৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে তিন কোটি ৯ লাখ ৯ হাজার ৬৪৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নভেল করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে সারা পৃথিবীতে আরো প্রায় ৭ হাজার মানুষ মারা গেছেন। একই সময়ে নতুন করে প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে এই বৈশ্বিক মহামারীতে মৃতের সংখ্যা ১১ লাখ সাড়ে ৩৬ হাজারের কাছাকাছি। সরকারি হিসেবে, মোট আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ১৫ লাখের কাছাকাছি।

পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার’র তথ্য মতে, আজ ২২ অক্টোবর, বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টা পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে করোনায় আক্রান্ত বেড়ে ৪ কোটি ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৩৩৫ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। বিপরীতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৯ লাখ ১০৫ হাজার ৮৬৯ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন ৯৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪২১ জন করোনারোগী, যাদের মধ্যে ৭৪ হাজার ১৭০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সর্বোচ্চ ৮৫ লাখ ৮৪ হাজার ৮১৯ জন মানুষের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ভারতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৭ লাখ ৫ হাজার ১৫৮ জনের শরীরে ভাইরাসটির উপস্থিতি ধরা পড়েছে। ব্রাজিলে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৫৩ লাখ ৬৪৯ জনের শরীরে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া রাশিয়ায় চতুর্থ সর্বোচ্চ ১৪ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৫ জন ও স্পেনে পঞ্চম সর্বোচ্চ ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪১ জনের কোভিড-১৯ ধরা পড়েছে।

শীর্ষ দশে থাকা অন্য দেশগুলো হলো—আর্জেন্টিনা (১০ লাখ ৩৭ হাজার ৩২৫ জন), কলম্বিয়া (৯ লাখ ৮১ হাজার ৭০০ জন), ফ্রান্স (৯ লাখ ৫৭ হাজার ৪২১ জন), পেরু (৮ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮৫ জন) ও মেক্সিকো (৮ লাখ ৬৭ হাজার ৫৫৯ জন)।

২ লাখ ২৭ হাজার ৪০৯ জনের মৃত্যুতে কোভিড-১৯ মহামারীর প্রাণহানিতেও শীর্ষে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৫৯ জন। ভারতে তৃতীয় সর্বোচ্চ ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৫৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া মেক্সিকোতে চতুর্থ সর্বোচ্চ ৮৭ হাজার ৪১৫ জন ও যুক্তরাজ্যে পঞ্চম সর্বোচ্চ ৪৪ হাজার ১৫৮ জনের প্রাণ কেড়েছে করোনা।

এ হিসেবে শীর্ষ দশে রয়েছে—ইতালি (মৃত্যু ৩৬ হাজার ৮৩২ জন), স্পেন (মৃত্যু ৩৪ হাজার ৩৬৬ জন), ফ্রান্স (মৃত্যু ৩৪ হাজার ৪৮ জন), পেরু (মৃত্যু ৩৩ হাজার ৯৩৭ জন) ও ইরান (মৃত্যু ৩১ হাজার ৩৪৬ জন)।

এছাড়া কলম্বিয়ায় ২৯ হাজার ৪৬২ জন (১১তম), আর্জেন্টিনায় ২৭ হাজার ৫১৯ জন (১২তম), রাশিয়ায় ২৪ হাজার ৯৫২ জন (১৩তম), দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৮ হাজার ৭৪১ জন (১৪তম), চিলিতে ১৩ হাজার ৭১৯ জন (১৫তম), ইন্দোনেশিয়ায় ১২ হাজার ৮৫৭ জন (১৬তম), ইকুয়েডরে ১২ হাজার ৪৫৩ জন (১৭তম), বেলজিয়ামে ১০ হাজার ৫৩৯ জন (১৮তম), ইরাকে ১০ হাজার ৪১৮ জন (১৯তম), জার্মানিতে ৯ হাজার ৯৯৯ জন (২০তম), কানাডায় ৯ হাজার ৮২৬ জন (২১তম), তুরস্কে ৯ হাজার ৫১৩ জন (২২তম), বলিভিয়ায় ৮ হাজার ৫৫৮ জন (২৩তম), নেদারল্যান্ডসে ৬ হাজার ৮৭৩ জন (২৪তম), ফিলিপাইনে ৬ হাজার ৭৪৭ জন (২৫তম), পাকিস্তানে ৬ হাজার ৭০২ জন (২৬তম), মিসরে ৬ হাজার ১৫৫ জন (২৭তম), রোমানিয়ায় ৬ হাজার ৬৫ জন (২৮তম), সুইডেনে ৫ হাজার ৯২৯ জন (২৯তম) ও বাংলাদেশে ৫ হাজার ৭২৩ জন (৩০তম) করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

বার্তা কক্ষ,২২ অক্টোবর ২০২০

নির্বাচনের ১৩ দিন বাকি : আগাম ভোটে এগিয়ে বাইডেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র ১৩ দিন বাকি। ইতোমধ্যে অনেক স্টেটের জনগণ আগাম ভোট দিয়েছেন। ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন সেই ফলাফলে এগিয়ে আছেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প থেকে।

মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ৪৫টি স্টেটের ২৯ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ অগ্রিম ভোট প্রদান করেছেন। এই ভোটের প্রায় অর্ধেক পড়েছে বাইডেনের গাধা মার্কায়। তিনি পেয়েছেন ১৪.২ মিলিয়ন ভোট। অন্যদিকে রিপাবলিকান দলের হাতি মার্কায় ভোট পড়েছে ১০.১ মিলিয়ন।

এনবিসির সাংবাদিক কানওয়াল সৈয়দ জানান, আমেরিকার ৫১টি স্টেটের মধ্যে ডেমোক্র্যাটরা ৩২টিতে এগিয়ে আছে। অনিশ্চয়তাপূর্ণ স্টেট ফ্লোরিডা এবং মিনেসোটাতে রিপাবলিকানরা ২০ শতাংশেরও বেশি পয়েন্টে এগিয়ে আছে। নিউ হ্যাম্পশায়ারে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে আছে শতকরা ৩৬ পয়েন্টে। তবে এবার অনিশ্চয়তার কেন্দ্রস্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে জর্জিয়া, উইসকনসিন, মিশিগান ও পেনসেলভেনিয়ার মতো কয়েকটি স্টেট। এখানেই হবে দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। মূলত তাদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন যুক্তরাষ্ট্রের আগামীর প্রেসিডেন্ট।

ম্যানহাটনের রিপাবলিকান অফিসের এডাল স্মিথ বলেন, পত্রিকাগুলো বাইডেনকে অন্ধভাবে সমর্থন করছে। বাইডেন সম্পর্কিত কোথাও সামান্যতম ইতিবাচক কিছু দেখলে ফলাও করে প্রচার করছে তারা। অন্যদিকে ট্রাম্পের চুন থেকে পান খসলেই বিরাট নেগেটিভ সংবাদ প্রকাশ করছে গণমাধ্যমগুলো। আমি মনেকরি রিপাবলিকানরা ভোটের দিন ব্যালটের মাধ্যমে সবকিছুর জবাব দেবে। গতবার যেমন হিলারি জরিপে এগিয়ে থেকেও প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি, বাইডেনেরও সেই দশা হবে।

কুইন্স ডেমোক্র্যাট অফিসের রিকার্ডো এসকোভার বলেন, আমাদের বিশ্বাস আমরা বিজয়ী হব। জনগণের অগ্রিম রায়ে সেই প্রতিফলন দেখছি আমরা। আমরা বিশ্বাস করি গতবারের মতো আমেরিকার জনগণ এবার ভুল ভোট দিয়ে দেশকে অধঃপতনের দিকে নিয়ে যাবে না। ট্রাম্প দেশকে যে করুণ অবস্থায় রেখে যাচ্ছেন তার উন্নয়নের জন্য বাইডেনের কোনো বিকল্প নেই।

লাগর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক নাসির হোসেন বলেন, অগ্রিম ভোটের ফলাফলে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। আমেরিকানদের ভোটার রেজিস্ট্রেশনের সময় একটি নির্দিষ্ট দলকে সমর্থন করতে হয়। তার মানে এই না তারা কখনো মতামত পাল্টাবে না। যারা এখনো ভোট দেয়নি তাদের ভোট যেমন গুরুত্বপূর্ণ তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ অনিশ্চয়তাপূর্ণ এলাকার গণরায়।

এনবিসি নিউজের ভোটার ট্র্যাকার অনুসারে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক ভোটের এই তথ্য সরবরাহ করেছে রাজনৈতিক ডেটাফার্ম ‌‘‌‌টার্গেটস্মার্ট’।

বার্তা কক্ষ,২২ অক্টোবর ২০২০

সৌদির বাদশাহ ও যুবরাজের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রদূত জাবেদ পাটোয়ারী

সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ সব অভিবাসীদের করোনা ভাইরাসের ফ্রি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী।

২১ অক্টোবর,বুধবার সৌদি স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ড. হানি জোখদারের সঙ্গে এক ভার্চ্যুয়াল সভায় রাষ্ট্রদূত এ ধন্যবাদ জানান।

রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো।

রাষ্ট্রদূত সফল ও কার্যকরভাবে করোনা ভাইরাস মোকাবিলার জন্য সৌদি সরকারের প্রশংসা করেন। এর ফলে সৌদি আরবে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

এ সময় সৌদি স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ড. হানি জোখদার জানান, সৌদি সরকার করোনার দ্বিতীয় ওয়েবের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী করোনা ভাইরাসের চিকিৎসা দেওয়ায় দায়িত্ব পালনকালে সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ যেসব বাংলাদেশি অভিবাসীরা নিহত হয়েছেন তাদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।

এ সময় সৌদি স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী ড. হানি জোখদার দায়িত্ব পালনকালে চিকিৎসকদের মৃত্যুকে সর্বোচ্চ ত্যাগ বলে অভিহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত এ সময় স্বাস্থ্য উপমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি আরবকে ভ্রাতৃত্বের নিদর্শন স্বরূপ পাঠানো মাস্ক ও পিপিই গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানান।

রাষ্ট্রদূত জাবেদ পাটোয়ারী বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী কর্মী সৌদি আরবে নিয়োগের জন্য অনুরোধ জানান। এছাড়া বাংলাদেশের পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন মেডিক্যাল ডিগ্রির অনুমোদন ও মেডিক্যাল বিষয়ক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করার বিষয়ক প্রোগ্রামের বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান।

সৌদি স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করার আশ্বাস দেন।

সভা শেষে রাষ্ট্রদূত দু’দেশের অর্থনৈতিক ভিশন বাস্তবায়নে সৌদি আরবের স্বাস্থ্যখাতসহ বিভিন্ন সেক্টরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে দূতাবাসের উপমিশন প্রধান এস এম আনিসুল হক ও কাউন্সেলর হুমায়ূন কবির উপস্থিত ছিলেন।

বার্তা কক্ষ,২২ অক্টোবর ২০২০

করোনাভাইরাস: পুনরায় ইতালিতে প্রকোপ বৃদ্ধি, দুই অঞ্চলে কারফিউ

করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত বিশ্ব। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ইতালির দুটি অঞ্চলে নৈশ কারফিউ জারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে মঙ্গলবার দক্ষিণের কামপানিয়া অঞ্চলে এবং সোমবার উত্তরের লোম্বার্ডিতে কারফিউ জারির এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কামপানিয়ার আঞ্চলিক প্রধান ভিনসিনজো ডি লুসা বলেছেন, ‘আমরা রাত ১১টা থেকে সব ধরনের কার্যক্রম ও লোক চলাচল বন্ধের অনুরোধ করতে যাচ্ছি।’

স্থানীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তে এখন কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। তবে ধারণা করা হচ্ছে কেন্দ্র এ বিষয়ে কোনো আপত্তি করবে না। কারণ গত মার্চে করোনার প্রাদুর্ভাবের পর প্রধানমন্ত্রী গিউসেপ কন্তে করোনার নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতা স্থানীয় সরকারের ওপর ন্যাস্ত করেছিলেন।

স্থানীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, কামপানিয়ার স্বাস্থ্যব্যবস্থা ব্যাপক ঝুঁকির মুখে পড়তে যাচ্ছে। ডি লুসা অবশ্য ইতোমধ্যে তার অঞ্চলের সব স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছেন।

কামপানিয়ার নেপলস শহরের মেয়র লুইগি ডি ম্যাজিস্ট্রেটস বলেছেন, ‘আমাদের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটের মাত্র ১৫টি বেড খালি আছে।

বার্তাকক্ষ,২১ অক্টোবর,২০২০;

কুয়েতে নতুন আইন, কমবে বাংলাদেশি শ্রমিক

কুয়েতের পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে অভিবাসী শ্রমিক নিয়ে নতুন একটি আইন পাস হয়েছে। নতুন এই আইনের ফলে দেশটিতে অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা কমিয়ে আনতে দেশটির সরকারকে এক বছরের সময় দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে দেশটিতে থাকা বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের লাখ লাখ শ্রমিক বিপাকে পড়েছেন।

ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন আইনের কারণে অনেক অভিবাসী শ্রমিককেই এখন বাধ্য হয়ে কুয়েত ছেড়ে দেশে পাড়ি জমাতে হবে। বিশ্বে অভিবাসী শ্রমিকনির্ভর দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম কুয়েত। দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা ৪৮ লাখ। গত কয়েক দশকে দেশটিতে পাড়ি জমানো দক্ষ ও অদক্ষ অভিবাসী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৩৪ লাখ।

কুয়েতের তেলনির্ভর অর্থনীতির গতিশীলতা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন অভিবাসী শ্রমিকরা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে তেলের দাম কমে যাওয়ায় কুয়েতের অর্থনীতিতে ধস নেমেছে।

অর্থনীতি সক্রিয় রাখতে এবং দেশে অভিবাসীদের সংখ্যায় ভারসাম্য রাখতেই নতুন আইন জারি করা হয়েছে। অভিবাসীর সংখ্যা ৩০ শতাংশে কমিয়ে আনতে চাইছে কুয়েত সরকার। এছাড়া বিভিন্ন কাজের ক্ষেত্রে কুয়েতের জনগণই যেন বেশি সুযোগ-সুবিধা পান সে বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

কুয়েতে অভিবাসী ইস্যু অনেক পুরনো বিষয়। দেশটির আইনপ্রণেতারা সম্প্রতি অভিবাসী শ্রমিক কমানোর জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন। কোটা ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে কর্মরত অভিবাসীদের কুয়েতিদের দিয়ে প্রতিস্থাপনেরও দাবি তুলেছেন তারা। এমনটি হলে চাকরি হারাবেন অন্তত এক লাখ অভিবাসী।

এর আগে গত জুনে কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল খালিদ আল সাবাহ বলেন, দেশে অবস্থানরত অভিবাসীর সংখ্যা ৭০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। তার ওই ঘোষণার পরই সরকার নতুন এই অভিবাসী আইন তৈরির পদক্ষেপ নেয়। প্রধানমন্ত্রী সাবাহর মতে অভিবাসীর সংখ্যা ৩০ শতাংশের বেশি হওয়া উচিত নয়।

গত জুলাই মাসে কুয়েতের জাতীয় সংসদে একটি আইন পাস হয়। ওই আইন অনুযায়ী, দেশটিতে ভারতীয় অভিবাসীর সংখ্যা ১৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। অপরদিকে, মিসর, ফিলিপাইন এবং শ্রীলঙ্কার অভিবাসীর সংখ্যা ১০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। নতুন আইনে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল এবং ভিয়েতনাম থেকে আসা অভিবাসীর সংখ্যা ৫ শতাংশের ওপরে যেতে পারবে না।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা লাখ লাখ অভিবাসীর জীবনের অনিশ্চয়তা নেমে এসেছে। বিভিন্ন দেশের কঠোর পদক্ষেপের কারণে কাজ হারিয়ে বাধ্য হয়ে নিজের দেশে ফিরতে আসতে হচ্ছে তাদের।

রিয়াদভিত্তিক জাদওয়া ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানির এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরতে হতে পারে ১২ লাখ অভিবাসী শ্রমিককে। শুধু সৌদি নয়, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলোর চিত্রও প্রায় একই।

বার্তাকক্ষ,২১ অক্টোবর,২০২০;

বিশ্বে করোনা শনাক্ত ছাড়াল ৪ কোটি ৩ লাখ

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ কোটি ৩ লাখ ৩৩ হাজার ছাড়াল। যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল নাগাদ করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ কোটি ৩ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৬ জন।

জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, একই সময় বিশ্বে করোনায় মোট মারা গেছে ১১ লাখ ১৭ হাজার ৪৩০ জন।

বিশ্বে করোনা থেকে সেরে ওঠা মানুষের সংখ্যা প্রায় পৌনে ৩ কোটি।

বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৮২ লাখ ১০ হাজার ৮৪৯ জন। দেশটিতে করোনায় মারা গেছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯৫ জন।

ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়। ভারতে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৭৫ লাখ ৫০ হাজার ২৭৩। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৬১০ জন।

ব্রাজিল আছে তৃতীয় অবস্থানে। ব্রাজিলে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫২ লাখ ৫০ হাজার ৭২৭ জন। দেশটিতে করোনায় মারা গেছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ১৭৬ জন।

তালিকায় রাশিয়ার অবস্থান চতুর্থ। আর্জেন্টিনা পঞ্চম। স্পেন ষষ্ঠ। কলম্বিয়া সপ্তম। ফ্রান্স অষ্টম। পেরু নবম। মেক্সিকো দশম।

তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৭তম।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

চীনে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয় ৯ জানুয়ারি। তবে তার ঘোষণা আসে ১১ জানুয়ারি।

১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে।

করোনার প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ফিলিপাইনে।

১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগের নামকরণ করে ‘কোভিড-১৯ ’।

১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বাংলাদেশ পরিস্থিতি

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী,সোমবার ছিল দেশে সংক্রমণ শনাক্তের ২২৬ তম দিন। এখন পর্যন্ত দেশে ৩ লাখ ৯০ হাজার ২০৬ জনের দেহে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৬৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৩ লাখ ৫ হাজার ৫৯৯ জন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রায় ৭৯ হাজার মানুষ।

দেশে এখনো গড়ে প্রতিদিন ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছেন। আবার করোনা শনাক্তের পরীক্ষার বাড়লে রোগীর সংখ্যাও বাড়তে দেখা যাচ্ছে।

গত ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্তের খবর জানানো হয়। ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে সরকার।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশ কিছুদিন ধরে সংক্রমণের হার নিম্নমুখী হলেও এখনো তা স্বস্তিকর মাত্রায় আসেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঠিক করা নির্দেশক অনুযায়ী, কোনো দেশে শনাক্তের হার টানা তিন সপ্তাহ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে ধরা যায়। সে হিসাবে দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

বার্তা কক্ষ, ২০ অক্টোবর ২০২০

সৌদির শীর্ষ ধর্মীয় পরিষদে রদবদল, দায়িত্ব পেলেন নারীও

রাজতন্ত্রের উপদেষ্টা পরিষদ শুরা কাউন্সিল, সুপ্রিম কোর্ট ও শীর্ষ ধর্মীয় পরিষদে রদবদল করে রোববার বেশ কয়েকটি আদেশ জারি করেছেন সৌদি বাদশাদ সালমান বিন আব্দুলাজিজ আল সৌদ। খবর রয়টার্সের।

দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম জানাচ্ছে, বাদশাহ সালমান এসব আদেশে শুরা কাউন্সিলের নতুন একজন স্পিকার ছাড়াও আরও দু‘জন ডেপুটি স্পিকার নিয়োগ দিয়েছেন। এর মধ্যে একজন ডেপুটি স্পিকার হলেন নারী।

সৌদি আরবের প্রভাবশালী এই পরিষদের বর্তমান সদস্যদের মেয়াদ আগামী সপ্তাহে শেষ হওয়ার কথা। তার আগেই গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে রদবদল করে আদেশ জারি করলেন সৌদি রাজতন্ত্রের প্রধান বাদশাহ সালমান।

কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারসে সংস্কার এনে তার প্রধানের দায়িত্ব গ্রান্ড মুফতি শেখ আব্দুলাজিজ আল-শেখকে দিয়েছেন বাদশাহ। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন খালেদ বিন আবদুল্লাহ আল-লুহাইদান।

এ ছাড়াও সৌদি বাদশাহ সালমান বি আব্দুলাজিজ রোববার আরও একটি আদেশ জারি করে রাজকীয় আদালত বা রয়্যাল কোর্টের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে ঘায়হাব মোহাম্মদ আল ঘায়হাবকে নিয়োগ দিয়েছেন।

বার্তাকক্ষ,১৯ অক্টোবর,২০২০;