Home / উপজেলা সংবাদ / মতলব দক্ষিণ / মতলব দক্ষিণে ধানের দাম বেশী পেয়ে খুশি কৃষকরা
কৃষকরা

মতলব দক্ষিণে ধানের দাম বেশী পেয়ে খুশি কৃষকরা

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ক্রয় সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত মতলব দক্ষিণ উপজেলা খাদ্য গুদামের আয়োজনে নিবন্ধিত কৃষক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কার্ডধারী প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হয়। মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম ইশমাম এ ধান ক্রয় কার্যক্রমের শুভ উদ্ধোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার চৈতন্য পাল, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা খালেদা আক্তার, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকরামুল ইসলাম খন্দকার। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বোরো মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করা হয়। চলতি মৌসুমে প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৬ টাকা (প্রতি মণ ১,৪৪০ টাকা) নির্ধারণ করা হয়েছে। একজন কৃষক সর্বনিম্ন ১২০ কেজি থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন পর্যন্ত ধান সরকারি গুদামে সরবরাহ করেছেন। নিবন্ধিত ও কৃষি কার্ডধারী কৃষককে ধান বিক্রয়ের টাকা সোনালী ব্যাংক মতলব শাখার নিজ একাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে।সেক্ষেত্রে কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি উৎস কর মোট দামের ০.৫% হারে প্রতি মে:টনে ১৮০ টাকা চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দিতে হয়েছে।

মতলব দক্ষিণ এলএসডিতে মোট বরাদ্দ ৩০০.০০০ মে: টন ধান।কৃষি অফিস হতে কৃষকের তালিকা প্রেরণ করা হয় ২২৮ জনের।আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে ধান বিক্রি করতে পারবে সে নিয়মের ভিত্তিতে ১০৫ জন কৃষক হতে ৩০০.০০০ মে: টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে।

ধান বিক্রি করতে আসা খাদেরগাঁও ইউনিয়নের নিবন্ধনকৃত কৃষক মো: মোস্তফা কামাল বলেন,তিনি প্রতি কেজি ধানের মূল্য ৩৬ টাকা (প্রতি মণ ১,৪৪০ টাকা) ধরে ৩ মেট্রিকটন ধান বিক্রি করেছেন মতলব খাদ্য গুদামে।সোনালী ব্যাংকের নিজ একাউন্টে দেয়া টাকা উঠানো হয়। উৎস কর বাবদ মোট দামের ০.৫% হারে প্রতি মে:টনে ১৮০ টাকা চালানের মাধ্যমে ব্যাংকে জমা দিতে হয়েছে।

দক্ষিণ বাইশপুর গ্রামের কৃষক রেহান সরকার এবং চরমুকুন্দী গ্রামের জয়নাল বকাউল ও মুনছবদী গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন বলেন,বিগত সরকার আমলে আমরা এভাবে ধান বিক্রয় করতে পারিনি। এবার দামও বেশী পেয়েছি এবং সঠিকভাবে ধান বিক্রি করতে পেরেছি।কোন ধরনের দালালের খপ্পরে পড়তে হয়নি।কৃষি অফিসের দেয়া তালিকাভুক্ত ও নিবন্ধন করার পর কৃষি কার্ডের মাধ্যমে আমরা সঠিক দামে ধান বিক্রি করতে পেরে আমরা মহা খুশি।

প্রতিবেদক: মাহফুজ মল্লিক,
৫ জুলাই ২০২৬