Home / উপজেলা সংবাদ / কচুয়া / দ্বীনি শিক্ষার অনন্য প্রতিষ্ঠান সাচার মাদ্রাসাতুল মাদীনা আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা
দ্বীনি

দ্বীনি শিক্ষার অনন্য প্রতিষ্ঠান সাচার মাদ্রাসাতুল মাদীনা আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা

আধুনিক পরিবেশ, মানসম্মত খাবার ও উন্নত লেখাপড়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে একটি বিশ্ব মানের হিফজ্ মাদ্রাসাতুল মাদীনা আল ইসলামিয়া কওমী মাদ্রাসা এখন কচুয়ার সাচার বাজারের প্রান কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কচুয়া উপজেলার ফতেবাপুর গ্রামের বাসিন্দা সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তিত্ব ফতেবাপুর কতমী মাদ্রসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা দিলাওয়ার হোসাইন এর পুত্র বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মুফতী আতাউল্লাহ হোসাইনী ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন । প্রতিষ্ঠার বছর না পেরোতেই একদল দক্ষ শিক্ষক দ্বারা প্ররিচালিত এই দ্বীনি মাদ্রাসাটিতে শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষ করে মুসলিম পরিবারে নানা সীমাবদ্ধতায় ঐশিগ্রন্থ পবিত্র আল কুরআন সহিহ ও শুদ্ধভাবে পাঠ করতে না পারা লোকের সংখ্যাই বেশি। আর এই সংখ্যা কমিয়ে আনতে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি কুরআন প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে কচুয়া উপজেলার সাচার উত্তর বাজারে অবস্থিত মাদ্রাসাতুল মাদীনা আল ইসলামিয়া কওমী মাদ্রাসা ।

সরেজমিন মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাগেছে। এই মাদ্রাসার ক্বেরাত বিভাগের দেশ-বিদেশে সুনাম ও সুখ্যাতি রয়েছে। বর্তমানে শুধুমাত্র ক্বেরাত বিভাগই নয়, এই মাদ্রাসায় বিশ্ব মানের হিফজুল কুরআন ও মানসম্মত নুরানী বিভাগ ও সবাধুনিক নাজেরা বিভাগ এবং হিফজ্ রিভিশন ব্যবস্থা রয়েছে। যার ফলে স্থানীয় বহু শিশু খুবই মনোরম পরিবেশে ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছেন।

এ বছর এই মাদ্রাসায় বিশেষ সুযোগ-সুবিধা থাকায় বিশেষ করে প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ কালেকশন মুক্ত হওয়ায়, হিফজ্ সহ সকল বিভাগে জেনারেল শিক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করায় এবং সিসি ক্যামরা দ্বারা শিক্ষা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করায় স্থানীয়দের কাছে মাদ্রাসাটির গুরুত্ব বেড়েই চলছে। মাদ্রাসার সূত্রে জানা গেছে ২০২৬ সালে কচুয়া থানার কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা বোর্ডের আওতায় বৃত্তি পরিক্ষায় ৬ জন অংশগ্রহন করেন সকলে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়। তন্মধ্যে ফরিদ মাহমুদ আনাছ উপজেলা পর্যায়ে ২য় স্থান, মোঃ আব্দুল্লা আল জুবাইদী উপজেলা পর্যায়ে ৫ম ও মাহিন হাসান উপজেলা পর্যায়ে ৭ম স্থান দখল করে মোট ৩জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাদ্রাসাটির শিক্ষা এই মাদ্রাসা একটি বিশ্বমানে ইসলামী শিক্ষাভিষন হওয়ায় ধর্মীয় কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
১১ মার্চ ২০২৬