দীর্ঘ ২০ বছরের প্রতীক্ষা, আন্দোলন-সংগ্রাম আর কণ্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সর্বশেষ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় ছিল দলটি। এরপর দীর্ঘ রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিএনপি ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দু-তৃতীয়াংশ আসনে (২১২টি) ভূমিধস বিজয় লাভ করে।
১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ নিয়েছেন ৪৯ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। এবারের ত্রয়োদশ নির্বাচনে সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। বহু আশঙ্কা, গুজব ও সন্দেহ মিথ্যা প্রমাণ করে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এ নির্বাচনে বড় ধরনের কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। অনেক আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে, যা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের ইঙ্গিত প্রদান করে।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের শপথের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। এবারের নির্বাচনে গণভোটে ৬৯ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোটারের বিপুল সমর্থন প্রমাণ করে—রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের প্রশ্নে জনগণ সরাসরি মত দিয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করেছে—এটি যেমন একটি ক্ষমতার পালাবদল, ঠিক তেমনি রাজনৈতিক সংস্কৃতিরও এক সম্ভাব্য পরিবর্তনের সূচনা।
বাংলাদেশ আজ বহুমাত্রিক সংকটে আবদ্ধ। নতুন সরকার এমন সময় দায়িত্ব নিল,যখন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির ফলে বিপর্যস্ত অর্থনীতিতে বিরাট ক্ষত রয়ে গেছে। এর ওপর ইউনূস সরকারের সময়ে বিদেশি বিনিয়োগে খরা,ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব ও দুর্বল শাসনকাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে বিএনপি সরকারের জন্য লক্ষ্য পূরণ করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেসব প্রধান সমস্যার দ্রুত সমাধান প্রয়োজন সেগুলো হলো—ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সুশাসন নিশ্চিতের লক্ষ্যে সরকারের প্রথম কাজ হবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা।
দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে একটি সুশাসন উপহার দেওয়া। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা,শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যাংক খাতে সুশাসন ফিরিয়ে আনা এবং নিত্যপণ্যের সরবরাহ চেইন সচল করা। জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস। সুতরাং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আইন অনুযায়ী কাজ করা। এই সময়ে বড় কোনো অবকাঠামোগত প্রকল্পের চেয়ে নীতিনির্ধারণী সংস্কার, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর দিতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হচ্ছে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। দেশের প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান চলবে সরকারি বিধিবদ্ধ নিয়মে। আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। দলীয় কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব ও জোরজবরদস্তি কাম্য নয়।
বাংলাদেশ আজ এক মহাসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে রয়েছে ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েন, অন্যদিকে রয়েছে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সেই সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। এখন নতুন সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা। আঞ্চলিক শক্তির প্রতিযোগিতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে বাস্তববাদী এবং বহুমাত্রিক কূটনীতি অনুসরণ করতে হবে।
বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং শ্রমবাজার সুরক্ষা—এসব ক্ষেত্রে কূটনৈতিক দক্ষতা অপরিহার্য। নতুন সরকারের জন্য অর্থনীতিতে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দীর্ঘ সময়ের অস্থিরতা, অনিয়ম ও লুটপাটে ধসে পড়া অর্থনৈতিক সংকট থেকে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার পথে পরিচালিত করা। আওয়ামী লুটপাটে ব্যাংক খাতের দুরবস্থা, বিনিয়োগ মন্দা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, রপ্তানি আয়ে ভাটা ও বৈদেশিক ঋণে জর্জর হয়ে পড়েছিল দেশ। একই সঙ্গে ধস নামে শেয়ারবাজারে। পুরোপুরি ভেঙে পড়ে ব্যাংক ব্যবস্থা।
২০২২ সালে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৫ টাকা। কিন্তু বাজারে টাকা ও ডলার সংকটের কারণে দুই বছরের ব্যবধানে সেই ডলারের দর বেড়ে দাঁড়ায় ১২৪ টাকায়। বাধ্য হয়ে ডলারের দর ধরে রাখার জন্য বাজার থেকে ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিগত সরকার বাজার স্থিতিশীল রাখার কথা বলে, কিন্তু ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে টানা তিন বছর বাংলাদেশ ব্যাংক ২৬ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ বিক্রি করেছিল।
আওয়ামী লীগ আমলে বাণিজ্যিক ভারসাম্যেও বড় ধরনের ঘাটতি ছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বৈদেশিক লেনদেনে বাণিজ্যিক ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৬৬০ কোটি ডলার। মূলত রপ্তানি কমে আমদানি বৃদ্ধি হওয়ার কারণে লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি হয়েছে। লেনদেন ঘাটতি নিরসনে রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। বিগত হাসিনা সরকারের শুরুতে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দেখা গেল ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কার্পেটের নিচে লুকানো খেলাপি ঋণের আসল তথ্য বেরিয়ে আসে।
ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে। এটা নতুন সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারের দেশি-বিদেশি ঋণ প্রথমবারের মতো প্রায় ২৪ লাখ কোটি টাকা ছুঁয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা এবং দেশি ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া ঋণ ১০ লাখ ২৬ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা। মাথাপিছু ৭৮ হাজার টাকা পাহাড়সম বিদেশি ঋণ রেখে যায় বিগত লুটেরা সরকার। দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝা আগামী সরকারের জন্য একটি সংকট তৈরি করতে পারে। সুতরাং অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে সক্ষমতা অর্জন করার জন্য দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝা কমিয়ে আনতে হবে।
২০২৪ সালের ৮ আগস্ট ড.মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার খাদের কিনারে থাকা একটি অর্থনীতি পেয়েছিল। এমন এক অচল অর্থনীতির হাল ধরেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই অর্থনীতিকে খাদে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে ধারাবাহিক সংস্কার ও পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে পূর্ণগতিতে ফিরিয়ে আনতে হবে। ব্যাংক খাতসহ আর্থিক খাতের দীর্ঘদিনের অনিয়ম, লুটপাট ও দুর্নীতির প্রবণতা বন্ধের পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যাংক খাতকে ধীরে ধীরে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত ঋণ বিতরণ বন্ধ করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোর আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
অর্থনীতির ক্ষতগুলো চিহ্নিত করে লুটপাট ও টাকা পাচার বন্ধ করতে হবে। শক্তিশালী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের আমদানি ব্যয়, ঋণ পরিশোধ ও সামগ্রিক আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। সেজন্য হুন্ডির প্রভাব কমিয়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি করতে হবে। বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং টাকার মান ধরে রাখতে হবে। আমদানি কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে হবে। রিজার্ভ ঠিক রাখতে দেশীয় পণ্যের ব্যবহারের প্রতি মনোযোগ ও আকর্ষণ বৃদ্ধি করতে হবে।
তথ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগের শেষ সময়ে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১১ দশমিক ৬ শতাংশ, বাস্তবে এই মূল্যস্ফীতির পরিমাণ আরো অনেক বেশি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সঠিক মুদ্রানীতি প্রণয়ন করতে হবে। আন্ডার ইনভয়েস ও ওভার ইনভয়েসের মাধ্যমে টাকা পাচার এবং ভুয়া আমদানিসহ নানা উপায়ে যাবতীয় অর্থ পাচার বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যদিকে চলতি বছরের নভেম্বরে এলডিসি উত্তরণের কথা রয়েছে বাংলাদেশের। এলডিসি থেকে উত্তরণের ফলে রপ্তানিসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে। অনাগত সরকারকে দক্ষতার সঙ্গে সেটি মোকাবিলা করতে হবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা,জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করার মাধ্যমে অর্থনীতির ভিত আরো মজবুত করা নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রধান কাজ। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, উদ্যোক্তা খাত ও উৎপাদন খাতকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে হবে। ভবিষ্যতে সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে অর্থনীতি দ্রুতগতিতে প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।
অর্থনীতির মূলভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজন অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে সুশাসন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও উৎপাদন সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। সামনে আসছে পবিত্র রমজান মাস। রমজানে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। পথে পথে চাঁদাবাজি ও অবৈধ সিন্ডিকেটের কারসাজি বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে। এই সরকার যদি ন্যায্যমূল্যে রমজানের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখে, তাহলে তা হবে জনগণের কাছে দেওয়া নতুন সরকারের প্রথম উপহার ও সফলতা।
রাষ্ট্রটা ১৮ কোটি বাংলাদেশির, এর বাইরে ভাবার বা যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সবার কথা মাথায় রেখেই জনপ্রতিনিধি ও নতুন সরকারকে একটি উন্নয়ন ও কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে উদ্যোগী হতে হবে। এতেই দেশের মানুষ শান্তি পাবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতির হালচালের লাগাম টেনে ধরা নতুন সরকারের প্রথম ও প্রধান কাজ হবে। এতে সফল হলে জনগণ আর কিছু উন্নয়ন হোক বা না হোক, অন্য কোনো বিষয়ে মাথা ঘামাবে না।
অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া আর্থিক খাতের সংস্কারের রূপরেখা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা গেলে আগামী দিনে অর্থনীতির চাকা সহজেই ঘুরে যাবে। বিরোধী মতকে শত্রু নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা—এই মানসিকতার পরিবর্তনই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শক্তিশালী ও স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ছাড়া কোনো সরকারই জবাবদিহিতামূলক হতে পারে না। নতুন সরকারের সামনে পথটি মসৃণ নয়, তবে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই ধ্বংসস্তূপ থেকেই একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সংস্কৃতিকে চিরতরে সমাহিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হারানো গৌরব ফিরে পাবে—এটাই আজকের দিনের প্রত্যাশা।
লেখক : মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এ জি
Chandpur Times | চাঁদপুর টাইমস Top Newspaper in Chandpur