বিদায়ের সুর বেঁজে উঠতে শুরু তরেছে শীত। আর তারই ফাঁকে আগাম বসন্তের বার্তা নিয়ে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছে গাছে ফুঁটতে শুরু করেছে আমের মুকুল। মাঘের শেষ ভাগেই ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছ ও বাগানজুড়ে দেখা দিয়েছে সোনালী-হলুদ রঙ্গের মুকুলের।
বসন্তের অন্যান্য ফুলের সঙ্গে আমের মুকুলের ঘ্রানে মৌ-মৌ করছে চারপাশের পরিবেশ। নগরীর বিভিন্ন সড়ক,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গন ও আবাসিক এলাকার আঙ্গিনায় এখন আমের মুকুলের সমারোহ। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে মুকুলের মিষ্টি সুবাস। গাছে গাছে মৌমাছির গুনগুন শব্দ আর ছোট পাখির আনাগোনায় প্রকৃতিতে যোগ হয়েছে বাড়তি প্রানচাঞ্জল্য। প্রকৃতির এই রূপ স্থানীয়দের মন কাড়ছে, অনেকেই থেমে উপভোগ করছে ঋতু পরিবর্তনের এই দৃশ্য । সরেজমিনে দেখা গেছে, কচুয়া উপজেলার সাচার বাজারের প্রবেশপথ, মাঝিগাছা, পালাখাল, কচুয়া, রহিমানগরসহ বিভিন্ন স্থানে বাড়ির আঙ্গিনা ও পুকুরপাড়ের আম গাছে ইতোমধ্যে মুকুল ধরেছে। অণেকে বলছেন, এ রছর তুলনামূলক আগেই মুকুল এসেছে,যা ভালো ফললের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
কৃষিবিদরা বলছেন, এ সময়টি আমগাছের জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন। মুকুল আসার পর সঠিক পরিচর্যা না হলে পোকামাকড়ের আক্রমনে ফলন ব্যাহত হতে পারে। এ বিষয়ে উপজেলা সম্প্রসারন অধিদপ্তর এর পক্ষ থেকে পরামর্শ হিসেবে বলা হয়েছে, গাছে মুকুল আসার ১০ থেকে ১৫ দিন আগে পুরো গাছে অনুমোদিত কীটনাশক ও প্রতিরোধমূলক স্প্রে প্রয়োগ করলে হপার ও শোষকজাতীয় পোকার আক্রমন কমানো সম্ভব। সময়মতো দমন ব্যবস্থা না নিলে মুকুল ঝড়ে যাওয়া এবং ফলন কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রকৃতির এই মৌসুমি পরিবর্তনকে ঘিওে এখনই মধূমাসের আগমনী বার্তা অনুভর করছেন।
প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Chandpur Times | চাঁদপুর টাইমস Top Newspaper in Chandpur