Home / উপজেলা সংবাদ / কচুয়া / কচুয়ায় স্বামী-স্ত্রীসহ দুই শিশু কন্যা থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত
স্বামী

কচুয়ায় স্বামী-স্ত্রীসহ দুই শিশু কন্যা থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার খলাগাঁও গ্রামে অভাবের সংসারে বেড়ে ওঠা কৃষক কাউছার মিয়ার। ৬ বছর আগে আছমা আক্তার নামের এক যুবতীর সাথে সংসারে আবদ্ধ হন তিনি। সংসার জীবনে ইকরা ইসলাম (৪) ও ইফতিহা ইসলাম ইভা (২) বছর বয়সী দুটি ফুটফুটে কন্যা জন্ম নেয় তাদের গৃহে। কিন্তু কে জানে এ দুটি শিশু যে সময়ে অন্যান্য শিশুদের সাথে খেলাধূলায় মেতে থাকার কথা ছিল, সেই সময়ে বাবা মায়ের কোলে বোঝা হয়ে দাড়াবে। শিশু ইকরা ও ইভা বর্তমানে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ায় প্রতি সপ্তাহে দুবার যেতে হয় ঢাকা মেডিকেলে। বর্তমানে অর্থ ও চিকিৎসার অভাবে শিশু দুটি মারাত্মক অসুস্থ্যতার দেখা দেয়। শুধু এখানেই শেষ নয়। শিশু দুটির বাবা ও মা ও রক্তের গ্রুপ এক হওয়ায় থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে আছেন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, রক্তের গ্রুপ এক হওয়ায় বাবা মায়ের থেকেই শিশুদেরও এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে ধারনা করেন। তবে তাদের বাচাঁতে দেশীয় চিকিৎসার বাহিরে ভারতে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা দিলে হয়তোবা তাদের বাচাঁনো সম্ভব। এমন কথা বলে অঝোড়ে হাউমাউ করে কাদছেন অসহায় কৃষক বাবা কাউছার মিয়া ও মা আছমা বেগম। এসময় তারা নিজের জীবনের চিন্তা বাদ দিয়ে তাদের অবুঝ দুটি শিশুকে বাচাঁতে প্রশাসনসহ সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
রিদোয়ানের বাবা আবদুল হামিদ ও মা খতিজা বেগম ছেলের এখন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছেন। তাঁর কীভাবে এত টাকা জোগাড় করবেন, তা জানেন না। এ জন্য সবার আর্থিক সহায়তার আশা করছেন। আবদুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেশে অনেক মানবিক মানুষ আছেন। তাঁরা সাহায্য করলে আমরা ছেলেটাকে বাঁচাতে পারব।’

স্থানীয় অধিবাসী ও সাবেক ইউপি সদস্য মো: ছফিউল্লাহ জানান, কাউছার মিয়া খুবই নীরিহ মানুষ। সহায় সম্পত্তি বলতে কিছুই নেই। অর্থের অভাবে সন্তানদের ভালো চিকিৎসা করানো এবং বসবাসের একটি গৃহ নির্মাণ করতে পারছেন না। কুড়ে ঘরে স্ত্রী ও অসুস্থ সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন। সবার সহায়তায় নিঃস্ব পরিবারের মধ্যে আশার আলো সঞ্চারিত হবে। বাবা-মা ফিরে পেতে পারেন তাদের অবুঝ দুটি সন্তানকে।

থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত শিশু ইকরা ও ইভাকে বাচাঁতে কেউ স্বেচ্ছায় সহযোগিতা করতে চাইলে তার বাবা কাউছার মিয়ার ০১৬৩৬-৭১৩৯৩৩ নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছেন অসহায় এ পরিবারটি।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নৃু ,
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬