গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক কমান্ড কাঠামো কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। গত ৪০ দিনে ইরান তার ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী একঝাঁক নেতাকে হারিয়েছে। নিচে সেই শীর্ষ নেতাদের তালিকা দেওয়া হলো-
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (সর্বোচ্চ নেতা)
২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে তার নিজস্ব বাসভবনে এক শক্তিশালী বিমান হামলায় নিহত হন তিনি। ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের শাসনভার সামলানো খামেনির মৃত্যু এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আলী লারিজানি (জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব)
ইরানের কূটনীতি ও কৌশলগত সিদ্ধান্তের অন্যতম কারিগর লারিজানিও প্রথম দফার হামলায় নিহত হন। তার মৃত্যু তেহরানের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও কৌশল নির্ধারণে বড় ধাক্কা দিয়েছে।
মোহাম্মদ পাকপুর (আইআরজিসি প্রধান)
ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের (IRGC) প্রধান এবং ইরানের ছায়া বাহিনীর অন্যতম নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হওয়ার মাধ্যমে দেশটির অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক সামরিক শক্তিতে ধস নেমেছে।
আবদোলরহিম মৌসাভি (সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ)
ইরানের সামরিক বাহিনীর সমন্বয়কারী ও প্রধান সেনাপতি মৌসাভি তেহরানে শীর্ষ পর্যায়ের এক বৈঠকের সময় ইসরাইলি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হামলায় প্রাণ হারান।
আজিজ নাসিরজাদেহ (প্রতিরক্ষা মন্ত্রী)
ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও অস্ত্র সরঞ্জামের আধুনিকায়নের দায়িত্বে থাকা এই শীর্ষ নেতাও একই দিনে নিহত হন।
মজিদ খাদেমি (আইআরজিসি গোয়েন্দা প্রধান)
সবচেয়ে সাম্প্রতিক ধাক্কা হিসেবে গত ৬ এপ্রিল যৌথ বিমান হামলায় প্রাণ হারান ইরানের গোয়েন্দা প্রধান মজিদ খাদেমি। তাকে ইরানের চোখ ও কান হিসেবে গণ্য করা হতো।
৯ এ প্রি ল ২ ০ ২ ৬
এ জি
Chandpur Times | চাঁদপুর টাইমস Top Newspaper in Chandpur