হাজীগঞ্জে ২৫টি পরিবারের চলচলের একমাত্র পথ সাঁকো

হাজীগঞ্জে প্রায় ২৫টি পরিবারের চলাচলের এক মাত্র পথ হচ্ছে বাঁশের সাঁকো। অথচ বর্তমান সরকারের কিংবা বাড়ির উন্নয়নের অর্থে হতে পারতো মাত্র ২শ গজের একটি রাস্তা। যা এখনও স্বপ্ন দেখে আসলে বাস্তবে তার কোন লক্ষণ দেখছেন না এখানকার ভূক্তভোগীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,হাজীগঞ্জ উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিন ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড কালচোঁ পশ্চিম মির্জা বাড়ীর প্রায় ২০/২৫ টি পরিবারের চলাচলের দূর্ভোগ।

এসব ভূক্তভোগী পরিবারে শিশু থেকে শুরু করে বুড়োদের চলাচলে পার হতে হয় ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে। শত বছরের পুরাতন দিঘির পাড় ভেঙ্গে এখন বসতঘরের আঙ্গিনায় লেগে গেছে। চলচলের রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় পরিবারগুলো বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছে। যা দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারলেও তাতের বসতঘরে জন্য নিত্যপ্রয়োজন বাজারের মালামাল নিতে গিয়ে পড়তে হয় চরম দূর অবস্থায়।

গ্রাম সমাজে বাস করলেও এদের জীবনের যেন কোন মূল্য নেই। যে কারনে জনপ্রতিনিধিদের সৃ-দৃষ্টির অভাবে বছরের পর বছর চরম দূর্ভোগে রয়েছে এখানকার ২০/২৫ টি অসহায় পরিবারগুলোর।

মির্জা বাড়ীর ভূক্তভোগী বাসিন্ধা শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন, বজলুল মির্জা,জাকির মির্জা, ইলিয়াছ মির্জা,কুদ্দুছ মির্জা ও সালাউদ্দিন মির্জা বলেন,‘আমাদের বাড়ির দিঘির পাড় প্রতিবছর ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে চলচলের পথটি হারিয়ে যায়। বাড়ির এ পাড়ের ছোট বড় ২০/২৫ টি পরিবার মিলে আমরা চলাচলের জন্য এ সাঁকো তৈরি করেছি। বাড়ির উন্নয়নমূলক কোন কাজ হচ্ছে না। স্থানীয় মেম্বারকে বলেছি ২০০ ফুট রাস্তা করে দিলে আমাদেরকে আর এ দূর্ভোগে থাকতে হবে না।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য আ.রাজ্জাক খোকা বলেন,‘ব্যক্তিগত বাড়ির পুকুরের পাড় ভেঙ্গে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। তার পরেও চেয়ারম্যানকে অবহিত করে বরাদ্দের ব্যবস্থা করবো।’

কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন বলেন, ‘ আমাকে জানালে আরো আগে বরাদ্দের ব্যবস্থা করতাম। তার পরেও বিষয়টি যখন নজরে এসেছে আমি রাস্তা করে দেব।’

প্রতিবেদকঃ জহিরুল ইসলাম জয় , ২০ জুন ২০২১

Share