সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য : বিএনপির নেত্রীদের যোগাযোগ শুরু

দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রাম আর জেল-জুলুমের কণ্টকাকীর্ণ পথ পেরিয়ে এবার সংসদে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর বিএনপির নারী নেত্রীরা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হতে দলটিতে নারী নেত্রীদের যোগাযোগ শুরু হয়েছে। কেউ কেউ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করছেন। তবে রাজপথের লড়াকু নেত্রী,মহিলা দলের পাশাপাশি অতীতে ছাত্রদল করা নেত্রীরা মনোনয়নের ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখরাও আলোচনায় আছেন।

বিএনপির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, নারী আসনের বিষয়ে দলের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে এখন পর্যন্ত কার্যক্রম শুরু হয়নি। ঈদের পরপরই শুরু হতে পারে মনোনয়ন কার্যক্রম। তবে বিগত সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামে কার কী ভূমিকা তা দেখে মূল্যায়ন করার দাবি জানিয়েছেন নেত্রীরা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, দলীয় পর্যায়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম শুরু হয়নি। খুব শিগগির সবার প্রোফাইল নিয়ে কাজ শুরু হবে। তবে ঈদের আগে চূড়ান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

বিএনপির নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী নারী নেত্রীদের অনেকে বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, দলীয় আনুগত্য ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার বিবরণ দিয়ে জীবন বৃত্তান্ত তৈরি করে বিএনপির নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে পাঠানো শুরু করেছেন। তবে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য যারা হতে পারেন তাদের ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি বিভাগ থেকেই সংসদ সদস্য করার পরিকল্পনা রয়েছে হাইকমান্ডের। এ ছাড়া ২০০৮ সালের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য এবং ২০১৮ নির্বাচনে অংশ নেওয়া নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যাদের মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি, তারাও প্রাধান্য পাবেন।

জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পায়। আসন অনুপাতে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে বিএনপি ৩৫টি, জামায়াতে ইসলামী ১১টি ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ১টি আসন পাবে। অন্য ৩টি আসন ছোট দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, এবার দলীয়ভাবে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ না করার সম্ভাবনা বেশি। প্রাথমিকভাবে একটি তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। সেখান থেকে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্যদের নামের তালিকা প্রকাশ হতে পারে। সেক্ষেত্রে দুই ধাপে সংরক্ষিত আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। তবে মন্ত্রী বা এমপি হয়েছেন, তাদের পরিবারের কাউকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নির্বাচনের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটি অর্থাৎ পালামেন্টারি বোর্ডের সদস্যরা সংরক্ষিত আসনের ব্যাপারে এখনো মিটিংয়ে বসতে পারেনি। এ ছাড়া সংসদ নির্বাচনে ‘এক পরিবার এক প্রার্থী’ নীতি অবলম্বন করলে শেষ পর্যন্ত রক্ষা করা যায়নি। কারণ টাঙ্গাইল থেকে আব্দুস সালাম পিন্টু ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু– দুই ভাইকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। ফলে প্রার্থীর যোগ্যতার বিষয়টি বিএনপি চেয়ারম্যানসহ মনোনয়ন বোর্ডের বিবেচনায় থাকবে এমন ধারণাও করছেন কেউ কেউ।

আলাপকালে একাধিক নারীনেত্রী বলেন, গত ১৫ বছরে হামলা-মামলাসহ নানা নির্যাতনের সম্মুখীন হয়েছি। কিন্তু পরিবারতন্ত্রের কারণে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পাব না? এভাবে চললে ভবিষ্যতে অনেকেই রাজনীতিতে আসতে চাইবেন না। তাদের দাবি, জামায়াত পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি ভাঙার কথা বললেও সংরক্ষিত নারী আসনে দলের নেতাদের সহধর্মিণী বা মেয়েদেরকেই সংসদে দেখা যাবে।

১০ জন সাবেক সংসদ সদস্য এগিয়ে

২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবির মধ্যে কক্সবাজার-১ আসনে হাসিনা আহমদ ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনে রুমানা আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন। ২০১৮ সালের বিতর্কিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে হামলা-মামলার মধ্যেও তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। বিগত সময়ে আন্দোলনে সংগ্রামে তাদের অবদান রয়েছে। জানা গেছে,বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী হাসিনা আহমদ এবং আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সহধর্মিণী রুমানা আহমেদ সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে আছেন।

এ ছাড়া নবম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্যরাও এগিয়ে আছেন। সেই সময়ে সংসদের ভেতরে বক্তব্য দিয়ে তারা যেমন গরম রাখতেন ঠিক তেমনি বিগত সময়েও আন্দোলনে-সংগ্রামেও তারা সক্রিয় ছিলেন। এরা হলেন-বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনি,বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, মিডিয়া সেলের সদস্য শাম্মী আক্তার, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা ও নির্বাহী কমিটির সদস্য রেহানা আক্তার রানু।

অষ্টম জাতীয় সংসদের সাবেক সংসদ সদস্য ও মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ এবং ইয়াসমিন আরা হক আলোচনায় আছেন। এ ছাড়া বিএনপির স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা আলোচনায় আছেন। তিনি যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনের সহধর্মিণী।

সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া খবরের কাগজকে বলেন,‘মাঠের ও পার্লামেন্টের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। মাঠের অবদান থাকতে হবে,পার্লামেন্টেও অবদান থাকতে হবে। সংসদে চোখে চোখ রেখে কথা বলার মতো সাহসী নেত্রীদের মূল্যায়ন করা উচিত হবে।’

তিনি বলেন,রাজনীতি আগে করতে হবে। সেটা বাবার মেয়ে বা স্বামীর সহধর্মিণী হয়ে না। মাঠের রাজনীতি করতে হবে আগে। সেই হিসেবে হাইকমান্ডের বিবেচনা করা উচিত।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের ৭ জন আলোচনায়

২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করলেও ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল বিএনপি। ওই নির্বাচনে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও অন্তত ১৪ জন নারীপ্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ‘ভোট কারচুপি’র অভিযোগ এনে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি। তাই এবার সংসদে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে তাদেরকে মূল্যায়ন করা হতে পারে বলে দলে আলোচনা আছে।

এরা হলেন : বিএনপির সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর সহধর্মিণী সাবিনা ইয়াসমিন, কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা,পটুয়াখালী-২ আসনের সালমা আলম, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য জেবা আমিন খান,সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী,বিএনপির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক এম এ কাইয়ুমের সহধর্মিণী শামীম আরা বেগম। এ ছাড়া প্রার্থী বাতিলের শঙ্কায় নোয়াখালী-৪ আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের অ্যাড. শাহিনুর বেগমকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ৩ প্রার্থীও এগিয়ে

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৯ জন নারী প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়াই করেছেন। এদের মধ্যে তিনজন পরাজিত হন। এরা হলেন:শেরপুর-১ আসনে যুগ্ম-আহ্বায়ক সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা,যশোর–২ আসনে সাবিরা সুলতানা,ঢাকা-১৪ আসনে মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, এ তিনজনকে সংসদের সংরক্ষিত আসনে দেখার সম্ভাবনা বেশি।

আলোচনায় সহধর্মিণী এবং মেয়েরা

জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী নেতা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ড.আবদুল মঈন খান। গয়েশ্বরের পুত্রবধূ এবং সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী জাতীয় রাজনীতিতে সবার নজর কেড়েছেন। আর মঈন খানের মেয়ে মাহরীন খানের নামও শোনা যাচ্ছে। আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে পিএইচডি করেছেন মাহরীন খান। এদের দুজনকেই সংসদে দেখা যেতে পারে। তবে মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হচ্ছেন না। জানা গেছে-ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন আফরোজা আব্বাস।

এ ছাড়া প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের স্ত্রী হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের স্ত্রী ও মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রয়াত সভাপতি শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হোসাইনের নামও আলোচনায় আছে। প্রয়াত মহাসচিব আবদুস সালাম তালুকদারের একমাত্র মেয়ে ব্যারিস্টার সালিমা বেগম আরুণি,বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর মেয়ে সামিরা তানজিনা চৌধুরী এবং সাবেক এমপি মকবুল হোসেনের মেয়ে সৈয়দা আদিবা হোসেন আলোচনায় আছেন ।

বীথিকা বিনতে হোসাইন খবরের কাগজকে বলেন,বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের কারও সঙ্গে সংরক্ষিত আসনের ব্যাপারে আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন,সাংগঠনিক,রাজনৈতিক ও মানবিক ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া উচিত হবে। বিশেষ করে যারা জনগণের কথা চিন্তা করে,সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবে,জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে,তাদেরকে মূল্যায়ন করলে ভালো হবে।

সালাম তালুকদারের মেয়ে আরুণি খবরের কাগজকে বলেন, পদ-পদবি না থাকলে দলের হয়ে পেছনে থেকে কাজ করে গেছি। জামালপুরসহ বিভিন্ন মানুষের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি।

আলোচনায় তরুণ নেত্রীরা

আলোচনায় আছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, কণ্ঠশিল্পী রিজিয়া পারভিন, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি প্রয়াত নাসির উদ্দিন পিন্টুর বোন এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, ময়মনসিংহ জেলা মহিলা দলের সহসভাপতি ফাহসিনা হক লিরা, ঢাকা দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সদস্য অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, মহিলা দলের সহ–স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ, সাবেক সহসভাপতি সুলতানা জেসমিন, দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস, মহিলা দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব নাসিমা আক্তার , সাবেক সাধারণ সম্পাদিকা শামসুন্নাহার ভুঁইয়া’ খিলগাঁও মডেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক রোকেয়া চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রোখসানা খানম,আয়েশা সিদ্দিকা ও নেওয়াজ হালিমা।

এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, চট্টগ্রাম মহিলা দলের মনোয়ারা বেগম মনি, ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী সুলতানা পারভীন, ড্যাবের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা.জাহানারা লাইজু,পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক এলিজা জামান,বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শাহিদা আক্তার ও চিতলমারী উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান রুনা গাজী প্রমুখ।

মহিলা দলের সহ–স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক অ্যাড.আসমা আজিজ বলেন,‘যারা দলের দু:সময়ে ছিল,হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন তাদেরকে মূল্যায়ন করা উচিত হবে। মনোনয়নের মাপকাঠি হিসেবে শিক্ষা ও দলে তার অবদানকে প্রাধান্য দিতে হবে। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি মামলা প্রত্যাহার হয়েছে।’সূত্র : দৈনিক খবরের কাগজ

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এ জি