হাইমচরের সিপাইকান্দি সপ্রাবি’র প্রবীণ শিক্ষক নুরুল ইসলাম মাস্টারের ইন্তেকাল

হাইমচর উপজেলার তৎকালীন নীলকমল ইউনিয়নের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম মাস্টার ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেল ৫ টায় ঢাকার ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করিয়াছেন। (ইন্না————রাজেউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

তিনি হাইমচরের সিপাইকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ২০০১ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। অত:পর তিনি তার একমাত্র ছেলের ঢাকার মোহাম্বামদপুরের বাসায় ২০০৭ সাল থেকে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন।

সম্প্রতি তিনি পার্থক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে গত ৮-৯ দিন পূর্বে ভর্তি করানো হয়। আইসিওতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার বিকেল পাঁচটার সময় ইন্তেকাল করেন। তাঁর সহধর্মিণী লুৎফুন্নেছা ২০২০ সালে করোনাকালীন সময়ে তার ছেলের বাসায় মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুকালে তিনি ৩ মেয়ে ও ১ পুত্রসহ নাতনী ও অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন। আজ রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় তার পিতার সমাধির পাশেই মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানানো হয় ।

তিনি ৩০ অক্টোবর ১৯৪১ সালে হাইমচর উপজেলার নীলকমলের মনিপুর মুলামবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছোট বেলায় তিনি বাজাপ্তী রমনীমহন হাই স্কুলে পড়াশুনা করেন। পরে তিনি ঢাকার নবকুমার ইন্সিটিটিউশনে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সম্পন্ন করে পিতার মহান গেশায় নিজকে সম্পৃক্ত করেন। ২০০১ সালে সরকারি চাকুরি থেকে অবসরগ্রহণ করেন্। তাঁর পিতার নাম-আহমেদ আলী মাস্টার।

যিনি তাঁর পারিবারিকভাবে প্রতিষ্ঠিত মনিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধানশিক্ষক ছিলেন্ ও মাতার নাম ফয়জুন্নেছা। তারা ছিলেন ৩ ভাই। তার কনিষ্ঠ ভাই বীরমুক্তিযোদ্দা আবদুল মতীন আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার কোম্পানীর বোর্ড কন্ট্রলার ও ছোট ভাই বীরমুক্তিযোদ্দা ডা. আবদুল বাতেন স্বাস্থ্যবিভাগের ডিজি ছিলেন। তারা উভয়েই বর্তমানে ঢাকা বসবাস করছেন। তিনি সংবাদ প্রতিবেদকেরও চাচাতভাই ।

আবদুল গনি
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এ জি