‘যেখানে টাকার অভাবে গরীব রোগীদের চিকিৎসা না নিয়ে ফিরতে হয় না’
চাঁদপুরে সাশ্রয়ী খরচে আধুনিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করছে হিলশা মেডিকেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অভিজ্ঞ চিকিৎসক, উন্নত ডায়াগনস্টিক সুবিধা এবং মানবিক উদ্যোগের সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে জেলার স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
চাঁদপুর শহরের কুমিল্লা রোডে হাকিম প্লাজা সংলগ্ন উত্তর গেইটের পশ্চিম পাশে, জেলা জজ ভবনের বিপরীতে অবস্থিত এই হাসপাতালটি সহজ যোগাযোগের কারণে রোগীদের জন্য সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রতিদিনই বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগী দেখেন। একইসঙ্গে সকল ধরনের রোগী ভর্তি, জরুরি সেবা এবং প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। স্বল্প খরচে মানসম্মত চিকিৎসা ও ডায়াগনস্টিক সেবা দেওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
এছাড়া, গরিব ও অসহায় রোগীদের জন্য বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। প্রয়োজনে ঔষধ সরবরাহের ব্যবস্থাও রয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বেশ কয়েকজন রোগীর স্বজনরা জানান, রোগীর স্বজন হিসেবে আমরা প্রথমে যেটা চাই, তা হলো আস্থা, বিশ্বাস এবং নির্ভরতা। পাশাপাশি একটু ভালো ব্যবহার। আলহামদুলিল্লাহ এখানে চিকিৎসা সেবার খরচ অনেকটাই কম। তবে
এখানে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে- চিকিৎসক, নার্স এবং কর্মকর্তাদের মানবিক আচরণ। আমরা আশা করব তাদের এই অর্জন তারা আগামীতেও ধরে রাখবে।
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাও. মো. আবু বকর সিদ্দিক জানান, “চাঁদপুরবাসীকে কম খরচে আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই হিলশা মেডিকেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে প্রতিদিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সেবা প্রদান করছেন এবং সব ধরনের রোগীর চিকিৎসা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। কোনো রোগী যেন টাকার অভাবে চিকিৎসা না নিয়ে ফিরে না যায়, সে বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখি। অসহায় রোগীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ও প্রয়োজনে ঔষধ সহায়তাও প্রদান করা হয়।”
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা ও মানবিক সেবার সমন্বয়ে হিলশা মেডিকেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার দ্রুতই চাঁদপুরবাসীর কাছে একটি নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে।
প্রতিবেদক:আশিক বিন রহিম/
৭ এপ্রিল ২০২৬