চাঁদপুর ভরপুর জলে আর স্থলে, মাটির মানুষ আর সোনার ফসলে : কবি ইদ্রিস মজুমদার
চাঁদপুর ভরপুর জলে আর স্থলে, মাটির মানুষ আর সোনার ফসলে”-এ বিখ্যাত উক্তিটি চাঁদপুর জেলাকে ভৌগোলিক অবস্থান পদ্মা-মেঘনার মিলনস্থল ও উর্বর মাটির কারণে প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ একটি অঞ্চল হিসেবে বর্ণনা করে।
যেখানে প্রচুর জলরাশি এবং সোনার মতো ফসল উৎপাদিত হয়। এটি মূলত: কবি ইদ্রিস মজুমদার কর্তৃক রচিত এবং চাঁদপুরকে তুলে ধরার জন্য ব্যবহৃত একটি পরিচিত স্লোগান। এটি চাঁদপুরকে নদীমাতৃক এবং কৃষিনির্ভর একটি সমৃদ্ধ জেলা হিসেবে পরিচিতি দেয়। এ শ্লোগানটি আজ চাঁদপুরের ২৭ লাখ অধিবাসী ধারণ করছে।
কবি ইদ্রিস মজুমদার হলেন- চাঁদপুর জেলার একজন বরেণ্য ও চারণ কবি। যিনি তাঁর কবিতায় চাঁদপুরের মাটি, মানুষ, প্রকৃতি, সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছেন। বিশেষত: তাঁর বিখ্যাত পঙক্তি “চাঁদপুর ভরপুর জলে আর স্থলে, মাটির মানুষ আর সোনার ফসলে- চাঁদপুরের রূপ ও ঐতিহ্যকে সংক্ষিপ্ত ও সুন্দরভাবে তিনি প্রকাশ কর্নে এ দু’টো চরণে। যা স্থানীয় সাহিত্য অঙ্গনে তাঁকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
চরণ দু’টো চাঁদপুরের প্রকৃতি প্রেমী মানুষকে দিয়েছে প্রেরণা, উদ্দীপনা ও সীমাহীন আবেগ আর অনুভ’তি। আকাশের চাঁদ জ্যোৎস্নার জলকানি ঝরে পড়ে এ সবুজ ভূ-খন্ডের নদীতে। ফলে সৃষ্টি হয় নৈসর্গিক দৃশ্য। আচ্ছাদিত করে রাখে হাজার বছরের বিকশিত সভ্যতার এ সমৃদ্ধ জনপদকে। স্নিগ্ধ আলোর উৎস- চাঁদ, লোকালয় ও নিকেতন। গ্রাম-জনপদে হচ্ছে ভরপুর। এ দু’য়ের সমন্বয়ে গড়া জনপদ হচ্ছে চাঁদপুর।
ইতিহাস-ঐতিহ্যের কারণে বর্তমান প্রবীণ-নবীন ও উদীয়মান জেলার কবি, সাহিত্যিক, লেখক, গল্পকার,গীতিকার, নাট্যকার, শিল্পী, চিত্রকর,সাতারু,গায়ক ও নানা সাংস্কৃতিককর্মী সৃষ্টি হয়েছে চাঁদপুরে।
খ্যাতি হিসেবে অর্জন করে রুপালী ইলিশের দেশ চাঁদপুর এবং পরবর্তীতে ইলিশের ব্যান্ডিং জেলা চাঁদপুর। এছাড়াও চাঁদপুরকে বলা হয়ে থাকে-প্রাচ্যের সিংহদ্বার। অতিথি পরায়ণতায় চাঁদপুরের সুনাম রয়েছে সুদূরপ্রসারী।
১৭৭৯ খ্রি. ব্রিটিশ শাসনামলে ইংরেজ জরিপকারী মেজর জেমস্ রেনেল তৎকালীন বাংলার যে মানচিত্র এঁকেছিলেন তাতে চাঁদপুর নামে এক অখ্যাত জনপদ ছিল। তখন চাঁদপুরের দক্ষিণে নরসিংহপুর নামক স্থানে চাঁদপুরের অফিস-আদালত ছিল।
পদ্মা ও মেঘনার সঙ্গমস্থল ছিল বর্তমান স্থান হতে প্রায় ২০ কি. মি.দক্ষিণ-পশ্চিমে। মেঘনা নদীর ভাঙ্গাগড়ার খেলায় ঐ এলাকা বর্তমানে বিলীন।
ইতিহাসবিদ জে.এম. সেনগুপ্তের মতে- চাঁদ রায়ের নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম হয়েছে চাঁদপুর। চাঁদপুর শহরের পুরিন্দপুর মহল্লার চাঁদ ফকিরের নাম অনুসারে এ অঞ্চলের নাম চাঁদপুর। হাজীগঞ্জ উপজেলাধীন অলিপুর গ্রামে প্রখ্যাত মোঘল শাসক আব্দুল্লাহর প্রশাসনিক সদর দপ্তর ছিল। ব্রিটিশ আমলে প্রশাসনিক পূর্ণবিন্যাসের ফলে ১৮৭৮ সালে প্রথম চাঁদপুর মহকুমার সৃষ্টি হয়।
১৮৯৬ সালের ১ অক্টোবর চাঁদপুর শহরকে পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশব্যাপি প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের ফলে চাঁদপুর জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৬০ খ্রি.পর্যন্ত জেলার নাম ছিল- ত্রিপুরা।
যা জেলার মানচিত্রে ও সি. এস নকসা এবং জমিজমার খতিয়ানে প্রতিয়মান। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ২৮ মার্চ-৭ এপ্রিল পর্যন্ত চাঁদপুর শত্রু মুক্ত হতে থাকে। ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১০ টায় চাঁদপুর সম্পূর্ণরূপে শত্রু মুক্ত হয়। ১৯৮৪ সালে চাঁদপুর মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত হয়।
পদ্মা, মেঘনা, ডাকাতিয়া ও ধনাগোদা নদীর কোল জুড়ে ১৭শ বর্গ কি.মি. আয়তনের জেলা চাঁদপুর। ঘন সবুজ ভূ-খন্ডের নাম চাঁদপুর। এ ভূ-খন্ডের বুকে বসবাস করছে ২৭ লাখ মানুষ। ৮ টি উপজেলা, ৭ টি পৌরসভা, ৮৯টি ইউনিয়ন ও ১,৩৬৫ টি গ্রাম নিয়ে চাঁদপুর জেলা গঠিত। মতলবের ষাটনল থেকে ৭০ কি. মি.ভাটিতে মেঘনানদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোসাগরে পতিত হয়েছে। চাঁদপুর শহরের ২৩ কি. মি. উত্তরে এখলাছপুর নামক স্থানে পদ্মানদী-মেঘনানদীর সাথে মিলিত হওয়ায় বলা হয়-পদ্মা-মেঘনার মিলনস্থল চাঁদপুর।
এ ছাড়াও ডাকাতিয়া ও ধনাগোদা নদী এ জেলার ভেতর দিয়ে প্রায় ১শ কি.মি.আঁকা-বাঁকাভাবে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরের মানুষের জীবন-মানকে সমৃদ্ধ সহায়ক ভ’মিকা রাখছে। পদ্মা-মেঘনার ইলিশ আজ বিশ্বখ্যাত। বছরে চাঁদপুরের অংশে প্রায় ৫০ হাজার মে.টন ইলিশ আহরণ হয়। চাঁদপুর সাধারণত ইলিশ মাছের জন্য বিখ্যাত এবং চাঁদপুরের মানুষ আতিথেয়তার জন্য বেশ সুখ্যাতিসম্পন্ন। জেলার ৮ উপজেলায় মডেল মসজিদসহ প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মসজিদ রয়েছে। যার ফলে ধর্মে-কর্মে ও রাজনৈতিক সম্প্রতি-সৌহাদ্যের বিবেচনায় চাঁদপুর অনন্য।
চাঁদপুর ইলিশ মাছের প্রধান প্রজনন অঞ্চল হওয়ায় এটিকে “ ইলিশের বাড়ি ” ও বলা হয়ে থাকে। এটি অন্যতম ইলিশ উৎপাদনকারী জেলা এবং চাঁদপুরের ইলিশ অন্যান্য জেলার ইলিশ মাছের তুলনায় বেশি সু-স্বাদু। এ সুস্বাদু ইলিশ ও নানা প্রকার নদ-নদীর মিঠাপানির মাছের জন্যই মূলত: চাঁদপুর বিখ্যাত। নদী বিধৌত ও চরাঞ্চলে উর্বর মাটিতে উৎপাদিত হচ্ছে নানা রবি ফসল। এ গুলোর মধ্যে-ইরি-বোরো,আলু,পাট,মরিচ,ভূট্টা,সয়াবিন,সরিষা,পান,সুপারি, মুসারি ও অন্যান্য রবি ফসলসহ বিপুল পরিমাণ শাক-সবজি ও ফলমূল।
আলু উৎপাদনে দেশের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চাঁদপুর। চাঁদপুর সেচ প্রকল্প ও মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্প থেকে বছরে দেশের প্রায় ১৫ ভাগ খাদ্য উৎপাদন হয়। সব মিলে চাঁদপুর দেশের একটি খাদ্যেস্বয়ংসম্পূর্ণ জেলা। খাঁচায় মাছ চাষ ও মনোসেক্স তেলাপিয়া চাষে দেশের প্রথম অবদানে চাঁদপুর। ইলিশ উৎপান বৃদ্ধিতে ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্র রক্ষা ও জাটকা সংরক্ষণে চাঁদপুর থেকেই প্রথম এর সামাজিক আন্দোলন সৃষ্ঠি হয়।
পদ্মা, মেঘনা, ডাকাতিয়া ও মেঘনা ধনাগোদা নদীরকারণেও স্থাপিত হয়েছে দু’টো সেচ প্রকল্প। নদীগুলোর অববাহিকায় আমাদের চরাঞ্চলের মহতী নারীগণ কৃষি, মৎস্য, হাঁস-মুগি-গরু-ছাগল প্রতিপালন,দুধ,পান,সুপারি ও শাক-সবজি উৎপাদনে অসামান্য ভ’মিকা রেখে চরছে। নদীগুলো আমাদের জীবন বাচাঁনো ও জীবন যাত্রায় এবং জীবনের গতি প্রকৃতি পরিবর্তন করে দিচ্ছে যুগ যুগ ধরে। ফলে মেঘনা-পদ্মা, ডাকাতিয়া ও মেঘনা ধনাগোদা আমাদের আর্শিবাদ ও অভিশাপ দ’ুটোই।
চাঁদপুরের নৌ-সীমানায় ৩৫ হাজার জেলে এ ইলিশ আহরণ কাজে নিয়োজিত রয়েছে। অপরদিকে মেঘনার ভাঙ্গনের কড়ারগ্রাসে ২০টি ইউনিয়নের ৪ লক্ষাধিক মানুষ তাদের ভিটাবাড়ি,ফসলের সবুজ মাঠ, দেশীয় মাছের পুুকুর, ফল-ফলাদির বাগান ও মিরাশ হারিয়েছে। হারিয়েছে তাদের অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যে লালিত স্বপ্নের নীড় আর শত শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার ও খেলার মাঠ।
রাজধানী ঢাকা ও দ্িক্ষণাংশের জেলাগুলোর সাথে নৌ-পথে ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়তের ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে চাঁদপুরের নৌ-বন্দরট্।ি আর এর মিঠাপানিতে মৎস্য সম্পদের অভায়শ্রম হিসেবে অবদান রাখছে।
ডাকাতিয়া চাঁদপুর শহরকে নতুন বাজার ও পুরাণবাজার নামে দু’ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। ফলে নতুন বাজারে সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ড, যাতায়ত, শিক্ষা-সাংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু এবং পুরাণ বাজার হলো-ব্যবসাকর স্থান। এক সময় ৩৬টি লবণমিল ও ২টি জুটমিল স্থাপিত হওয়ায় কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্ঠি হয়।
হাজীগঞ্জে হামিদিয়া জুট মিলও ছিল কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থান। যার এখন কোনোই অস্তিত্ব নেই। এ দিকে- প্রবাসী রেমিটেন্স অর্জনে চাঁদপুর জেলার অবস্থান ৬ষ্ঠ। প্রায় সাড়ে ৩ লাখ প্রবাসী জেলার প্রায় ২শ’ র মত ব্যাংক শাখার মাধ্যমে প্রতিমাসে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক রেমিটেন্স আসছে।
জেলার বিশিষ্ঠব্যাক্তিবর্গের মধ্যে যাঁরা ছিলেন -তাঁদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মিজানুর রহমান চৌধুরী,সেক্টর কমান্ডার মেজর অব.রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম,সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল আবু ওসমান চৌধুরী, আত্মঘাতী নৌ-কমান্ড শাহাজাহান কবির সাজু ও মমিন উল্লা পাটওয়ারীসহ ৮ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধা,হাইমচরের কৃতিমান পুরুষ জাতীয় নেতা আবদুল্লাহ সরকার,রাজনীতিবিদ খালেকুজ্জাম ভূঁইয়া।
সমাজসেবক ডা.গফুর, বিশিষ্ট কৃষি গবেষক ও মিডিয়া পার্সন শায়েখ সিরাজ,চিত্রশিল্পী হাশেম খান,সওগাত সম্পাদক নাসির উদ্দিন ও তাঁর কন্য নারী জাগরণের অগ্রদূত নুরজাহান বেগম, শাহরাস্তির ড.আবদুস ছাত্তার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ তোহা, তলবের শিক্ষাবিদ ওয়ালীউল্লাহ পাটওয়ারী,হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা ও ওয়াকীফ আহমাদ আলী পাটওয়ারী রহ. ও তাঁর দৌহিত্র হাজীগঞ্জের শিক্ষাবিদ ও আধুনিক হাজীগঞ্জের রুপকার অধ্যক্ষ ড.আলমগীর কবির পাটওয়ারী।
নজরুল গবেষক ড.রফিকুল ইসলাম, ফরিদগঞ্জের মাও.আবদুল মান্নান,সাবেক স্পীকার আবদুল মতীন, ড্যাফোডিল ইউনিভাসিটির প্রতিষ্টাতা সবুর খান,গীতিকার কবির বকুল,কৌতুক অভিনেতা দিলদার,কন্ঠশিল্পী এসডি রুবেলসহ অনেক জ্ঞানী,গুণী ও আদর্শ মানুষের জন্মভূমি এ চাঁদপুর।
যে সব বরেণ্য ব্যাক্তিবর্গ বিভিন্ন কারণে চাঁদপুর এসেছেন-তাঁেদর মধ্যে রয়েছেন-মহাত্মাগান্ধী, জাতীয়কবি কাজী নজরুল ইসলাম, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক,মাও.ভাসানী,হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী,ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা পীর দুদু মিঞা,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া-উর-রহমান,পল্লীবন্ধু হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ ও বেগম খালেদা জিয়া। চাঁদপুর পরিচিত হওয়ার আরো কারণ হলো-দর্শনীয় ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানসমুহ।
এ গুলো হলো : দৌলতগঞ্জ জমিদার বাড়ি, ধলিয়া রাজবাড়ি, নাসিরকোর্ট, মেঘনা-ডাকাতিয়ার নদীর মোহনাও বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল, মিনি কক্সবাজার, সবুজ গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যও এটি বেশ বিখ্যাত্্। চাঁদপুরের ইলিশ মাছ ও এর আতিথেয়তা,ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যই মূলত: এটি অন্যান্য জেলা থেকে আলাদা এবং বিখ্যাত। ইলিশ চত্বর, মোলহেড,অন্যতম দর্শনীয় স্থান হলো মোলহেড যা পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলনস্থলে অবস্থিত একটি মনোরম পর্যটন কেন্দ্র।
চাঁদপুর নতুন বাজার-পুরান বাজার ব্রিজ,মতলব ব্রিজ, চাঁদপুর-রায়পুর ব্রিজ, ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ ব্রিজ,হাজীগঞ্জের হাজীগঞ্জ-রামগঞ্জব্রিজ ও বড়কুলব্রিজগুলো উভয় নদীর তীর সংযোগ স্থাপন করে জেলার মৎস্য, কৃষি ও কৃষিপণ্য দ্রব্য পরিবহন ও বাজারকরণ,ব্যবসা-বাণিজ্য ও দেশের সকল জেলার সাথে একটি চমৎকার যোগসূত্র সৃষ্ঠি হয়েছে।
রুপসা জমিদারবাড়ি, হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ,চাঁদপুর সরকারি কলেজ,চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজ,চাঁদপুর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, চাঁদপুর মেরিন একাডেমি, চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র, মৎস্য প্রশিক্ষণ ইন্সিটিটিউড,হাজীগঞ্জ কারিগরি স্কুল এন্ড কলেজ, কচুয়ার চাঁদপুর কারিগরি ইন্সিটিটিউড, চাঁদপুর মেডিক্যাল কলেজ ও চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,পুরান বাজার ডিগ্রি কলেজ, চাঁদপুর পুলিশ লাইন, জেলা পরিষদ, বাবুরহাট ড্যাফোডিল স্কুল এন্ড কলেজ ও জেলা গ্রন্থগার।
এ ছাড়াও আড়িয়াল খাঁ মসজিদ, চাঁদপুর বড় স্টেশন, মৎস্য জাদুঘর,পদ্মা মেঘনার চর, সরকারি শিশু পার্ক, যরত শাহারাস্তির মাজার,ফাইভ স্টার পার্ক,মহনপুর পর্যটন কেন্দ্র ও শপথ চত্বর ইত্যাদি। উপরোক্ত দর্শনীয় স্থানগুলোর জন্যই চাঁদপুর বর্তমানে পর্যটকদের কাছে খুব জনপ্রিয়। এদিকে যাতায়ত ও পরিবহনে চাঁদপুর থেকে রেল,নৌ,সড়ক পথে চমৎকার ব্যবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। দু:খের বিষয়-চাঁদপুরে নেই কোনো হ্যালিপ্যাড।
আংশিক তথ্যসূত্র : ওয়েবসাইড ও ইউকিপিডিয়া বাংলাদেশ।
লেখক : আবদুল গনি, শিক্ষক,প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক,চাঁদপুর। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।