Home / উপজেলা সংবাদ / কচুয়া / কচুয়ায় বোয়ালজুরি খালের দু’পাশের মাটি লুটের অভিযোগ
খালের

কচুয়ায় বোয়ালজুরি খালের দু’পাশের মাটি লুটের অভিযোগ

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় বোয়ালজুরি খাল খননের পর দু’পাশে রাখা মাটি অনুমতি ছাড়াই সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। খাল খননের কাজ শেষ হওয়ার প্রায় তিন মাসের মাথায় এভাবে মাটি নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার মো. মাসুদ রানা।

তাঁর অভিযোগ, কাজের স¤পূর্ণ বিল এখনো তাঁরা পাননি। এরই মধ্যে খালের দু’পাশের জমির মালিকদের কেউ কেউ কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মাটি নিয়ে যাচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
জানা গেছে, কচুয়া উপজেলার ফতেহপুর-তুলপাই এলাকা থেকে দারাশাহী তুলপাই বাজার হয়ে পশ্চিম দিকে বোয়ালজুরি খাল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার খাল খনন করা হয়। প্রায় তিন মাস আগে সম্পন্ন হওয়া এ কাজের দায়িত্বে ছিলেন ঠিকাদার মো. মাসুদ রানাসহ সংশ্লিষ্টরা।

তাঁদের দাবি, নির্ধারিত কাজ সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে খাল খননের পরপরই খালের দু’পাশে রাখা মাটি সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা দেখা দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে কিছু লোকজন মাটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বলে দাবি করেছেন ঠিকাদার। এতে খননকাজের পর মাটির যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও কাজের সার্বিক তদারকি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ঠিকাদার মো. মাসুদ রানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা এখনো কাজের সম্পন্ন বিল পাইনি। প্রশাসন সরেজমিনে কাজ পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট হওয়ার পর আমাদের বিল পরিশোধ করা হবে। কিন্তু কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই খালের দু’পাশের জমির কিছু কিছু মালিকরা মাটি নিয়ে যাচ্ছেন-এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।” তিনি আরও বলেন, খাল খননের কাজ স¤পন্ন করার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এর আগেই মাটি সরিয়ে নেওয়া হলে কাজের মূল্যায়ন ও খনন-পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

স্থানীয়ভাবে খালের দু’পাশের মাটি নিয়ে এমন অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখার দাবি উঠেছে। খালের মাটি কারা, কী পরিমাণে এবং কোন কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে সরিয়ে নিচ্ছেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে পরিদর্শন করে খালের দু’পাশের মাটির বর্তমান অবস্থা যাচাই, মাটি সরানোর অভিযোগের সত্যতা নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
১৩ অক্টোবর ২০২৬