চাঁদপুর শহরের রাস্তাঘাটে বৈদ্যুতিক পিলারের লাইটগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে পুরো শহর থাকে অন্ধকারচ্ছন্ন। একদিকে অন্ধকার অন্যদিকে রাস্তায় জমে থাকা পানি। এ ব্যাপারে শহরের বেশ কয়েকজন অভিযোগ করে জানান এই সমস্যা শুধু আজকের নয় দীর্ঘদিনের সমস্যা। একবার বাতি নষ্ট হলে দীর্ঘ সময়ও উক্ত পিলারের বাতি লাগানো হয় না। যার কারণে জনগণের সন্ধ্যার পর হাঁটা চলার খুবই সমস্যা হয়।
পৌরসভার যতগুলো বৈদ্যুতিক পিলার রয়েছে উক্ত পিলারগুলোতে বাতি লাগানো হলো উক্ত লাইটটি পানির হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যে নিরাপদ বক্স দেয়ার প্রয়োজন সেটি এখন আর দেওয়া হয় না। উক্ত নিরাপদ বক্সটি না দেওয়ার কারণে পৌরসভার প্রতিটি পিলারের বাতি পানি পড়ে নষ্ট হয়ে যায়।
এতে করে পৌরসভার প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা বাতির পিছনে ব্যয় করতে হয়। আবার শহরবাসী অনেকেই অভিযোগ করে বলেন নিম্নমানের বাতি দেওয়ার কারণেই এই সমস্ত বাতিগুলি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। নামিদামি বা কোন ভাল কোম্পানির বাতি হলে সেগুলো দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। নিম্নমানের বাতিগুলো কোথা থেকে কিনে আনা হয় সে ব্যাপারে পৌরসভার উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজর দেয়া প্রয়োজন।
প্রতিবছর বৈদ্যুতিক পিলারের বাতির জন্য টাকা ব্যয় করা হলেও প্রকৃতপক্ষে এর কোন উপকারী হচ্ছে না বরং এতে করে পৌরসভার ক্ষতি হচ্ছে বেশিরভাগ। নিম্নমানের বাতি এবং বৈদ্যুতিক পিলারের সেফটি বক্স না থাকার কারণে এই সমস্ত ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে পৌর কর্তৃপক্ষ। শহরবাসী মনে করে এতে করে একটি সিন্ডিকেট কাজ করছে। অন্যদিকে অভিযোগ রয়েছে যারা পৌরসভার বৈদ্যুতিক পিলারের বাতি লাগায় তারা বিভিন্ন সময় বাতি না লাগিয়েও পুরাতন বাতিগুলি পৌরসভায় জমা দিয়ে তারা নতুন বাতি বিক্রি করে ফেলেন। এ ব্যাপারে পৌরসভার কর্তৃপক্ষের যথাযথ দেওয়া প্রয়োজন।
শহরের বৈদ্যুতিক পিলারে বাতি দেওয়ার আগে প্রতিটি পিলারে বাতির সেফটি বক্স দেয়া প্রয়োজন। এতে করে বছরে কোটি কোটি টাকা ক্ষতির সম্মুখীন থেকে পৌরসভা লাভবান হবে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন একটি বাতি কাজ করবে।
কোন কোন এলাকায় একবার বাতি নষ্ট হলে মাসের পর মাস ওই পিলারে আর বাতি দেওয়া হয় না। ফলে প্রবাসী অন্ধকারচ্ছন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট দিয়ে হাঁটাচলা করতে হয়। এতে করে বিভিন্ন এলাকায় চোরের উপদ্রব বেড়ে যায়।
বৃষ্টির সময় কোথায় কোন এলাকায় বাকিগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং কোন এলাকা অন্ধকারার জন্য এ ব্যাপারে পরি কর্তৃপক্ষের নজর দেয়া প্রয়োজন। যাতে করে দ্রুত উক্ত সমস্যার সমাধান হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক/
৩০ জুলাই ২০২৬
Chandpur Times | চাঁদপুর টাইমস Top Newspaper in Chandpur