আবহাওয়া

বন্যা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা : বিপদসীমার উপরে ৪ নদীর পানি

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট :

ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে ঘাঘট, যমুনা, সুরমা ও সারিগোয়াইন নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সকল নদ-নদীর পানি বাড়ার কারণে আগামী ৪৮ ঘন্টায় বন্য পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গাইবান্ধা পয়েন্টে ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার এক সেন্টিমিন্টার, বগুড়ার সারিয়াকান্দিকে যমুনা নদীর পানি চার সেন্টিমিটার, সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি ৩৫ সেন্টিমিটার ও সিলেটের সারিঘাট পয়েন্টে সারিগোয়াইন নদীর পানি ২৪ সেন্টিমিটার বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান ভূঁইয়া শনিবার দুপুরে বলেন, ‘বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের উত্তর মধ্য এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে, যা আগামী ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এ জন্য এই সময়ে সুনামগঞ্জ, বগুড়া, সিলেট ও গাইবান্ধা জেলার কিছু অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে।’

‘তবে এবার বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। দু’দিন পর বৃষ্টি কমে গেলে বন্য পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে’ বলেন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৮৪টি পানি সমতল স্টেশন পরীক্ষা করে দেখা গেছে ৪৯টি পয়েন্টে নদীর পানি বেড়েছে, পানি কমেছে ২৪টি পয়েন্টে, চারটি নদীর পানি অপরিবর্তিত রয়েছে।

নদীর পানি বাড়ার কারণে সুনামগঞ্জ, বগুড়া, সিলেট ও গাইবান্ধা জেলার নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। এতে এ সব এলাকার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন।

আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

শনিবার সকাল ৯টা থেকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০১৫ ০৭:৫৯ অপরাহ্ন

চাঁদপুর টাইমস : প্রতিনিধি/ এমআরআর/২০১৫

চাঁদপুর টাইমসর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না

Share