Home / উপজেলা সংবাদ / ফরিদগঞ্জ / ফরিদগঞ্জে ওসি’র নাম ভাঙ্গিয়ে ইটভাটায় নিষিদ্ধ ট্রাক্টর দিয়ে মাটি উত্তলন
eatbita

ফরিদগঞ্জে ওসি’র নাম ভাঙ্গিয়ে ইটভাটায় নিষিদ্ধ ট্রাক্টর দিয়ে মাটি উত্তলন

সাবেক পুলিশ সুপার শামসুন্নাহারের সময়ে চাঁদপুর জেলায় ট্রাক্টর নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পর থেকে পরবর্তীতে আর কোন পুলিশ সুপার যোগদানের পর ফের চলাচলের অনুমতি দেয়নি। যে কারনে ট্রাক্টর মালিকরা তাদের লাখ লাখ টাকার গাড়ী অন্য স্থানে কিংবা বাড়ীর আঙ্গীনায় ফেলে রেখেছে।

চলতি খরা মৌসুমের শুরু থেকে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো.রকিবুল ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে কয়েকটি ইটভাটার প্রভাবশালী মালিক বিল্লাল হোসেন তালুকদার গভীর রাত পর্যন্ত অবৈধ ট্রাক্টর দিয়ে মাটি উত্তলন করে আসছে। তার মালিকানাধীন ইট ভাটাগুলো হচ্ছে ফরিদগঞ্জ ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নে হাজীগঞ্জ রামগঞ্জ সড়কের পাশে তালুকদার ব্রিকফিল্ড ও এ কে ডি ব্রিকফিল্ড এবং গল্লাক কামতা সড়কের পাশে তালুকদার ১ নামে ব্রিকফিল্ড।

এসব ফিল্ডে তার মালিকানা কয়েকটি ট্রাক্টরের সাথে যোগ হয়েছে আরেক প্রভাবশালী ট্রাক্টরের মালিক একই ইউনিয়নের ঘনিয়া বেপারী বাড়ীর তাজু বেপারীর ৪টি অবৈধ ট্রাক্টর।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের মানুরী বালিমূড়া কৃষি মাঠ থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে লাইটিং এর মাধ্যমে প্রায় ৭/৮ টি অবৈধ ট্রাক গভীর রাত পর্যন্ত মাটি উত্তলন করে আসছে। আর এতে করে এসব গ্রামের বাসিন্ধারা রাতের বেলায় দানব ট্রাক্টরের বিকট আওয়াজে ঘুম যেতে পারছে না।

এদিকে দালালের মাধ্যমে একজনের কৃষি জমির মাটি বিক্রি হলেও অন্য কৃষকদের জমির উপর দিয়ে ট্রাক্টর চলাচল করতে গিয়ে ক্ষতি সাধন হচ্ছে। তাছাড়া যে জমি থেকে মাটি উত্তলন হচ্ছে সেই জমির পাশের জমিতে আর কোন কৃষি চাষাবাদের উপযোগী না থাকায় এক প্রকার বাধ্য হয়ে এসব ভাটার মালিকদের কাছে অল্প দামে মাটি বিক্রি করতে হচ্ছে। আর এসব অনিয়ম যেন দেখার কেউ নেই।

এ বিষয়ে ভাটার মালিক বিল্লাল হোসেন তালুকদার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আমাদেরকে ট্রাক্টর চালানোর অনুমতি দিয়েছে। তাছাড়া থানা পুলিশকে মাসিক হারে খরচ পাঠানো হয়, প্রয়োজনে আপনি সাংবাদিক হলে তার জন্য ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রতিবেদক:মো:শিমুল হাছান