পাঁচ প্রার্থীর জমজমাট প্রচারণা শেষ, কে হচ্ছেন কচুয়ার নতুন অভিভাবক
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে চাঁদপুর-১ কচুয়া সংসদীয় আসনে প্রতীক বরাদ্দের পর ভোটের মাঠে আনুষ্ঠানিক ভাবে নেমে ছিলো ৫ জন প্রার্থী। প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে এলাকায় শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচারণা ও রাজনৈতিক তৎপরতা। জেলার হেভীওয়েট আসন হিসেবে পরিচিত এ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এছানুল হক মিলন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল¬া প্রতীক পেয়েছেন আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ।
এছাড়া বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন মাহমুদ পেয়েছেন মোমবাতি প্রতীক। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হাবিব খান লড়ছেন লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে। আর গণফোরামের প্রার্থী মোহাম্মদ আজাদ হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সূর্য প্রতীক নিয়ে। তবে এ আসনে বর্তমানে মূল লড়াইয়ে রয়েছেন, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এছানুল হক মিলন ধানের শীষ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল¬া প্রতীক আবু নছর মোহাম্মদ মকবুল আহমেদ।
গত বুধবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা পৃথকভাবে নিজ নিজ কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে এলাকায় প্রচার কার্যক্রম জোরদার করছেন। পোস্টার, লিফলেট বিতরণ, মিছিল মিটিং, পথসভায় মুখর হয়ে উঠছে কচুয়ার বিভিন্ন এলাকা। নির্বাচন ঘিরে ভোটারদের মধ্যেও নানা কৌতূহল ও আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে ততই কচুয়ায় নির্বাচনী মাঠ সর্গরম হয়ে উঠছে। সবমিলিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কে হচ্ছেন নতুন অভিভাবক এদিকেই তাকিয়ে আছে পুরো উপজেলা বাসী।
প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬