পরকীয়ার টানে জননী উধাও

চাঁদপুর টাইমস ডট কম:

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নওদামটমুড়া গ্রামে স্বামীর সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে এখন অন্যের ঘর করছে বলে অভিযোগ করেছে আগের স্বামী ইকবাল হোসেন। স্থানীয় কয়েকজন মাতুববার চম্পার (ছদ্ম নাম) স্বামী ইকবাল হোসেনকে তালাক দিয়ে প্রেমিক বাহাদুর ওরফে রনির সাথে বিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় নানা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

এঘটনায় অভিযুক্ত চম্পার বিরুদ্ধে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ইকবাল হোসেন।
নওদা মটমুড়া গ্রামের আফসার আলীর ছেলে ইকবাল হোসেন জানান, একই এলাকার মহাসিন আলীর মেয়ে চম্পার সাথে ২০০০ সালে পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয় ইকবালের। বিয়ের পর আমেনা খাতুন নামের এক কন্যা শিশুর জন্ম নেয়। পারিবারিক আর্থিক সচ্ছলতার জন্য গত ৩ বছর আগে কর্মসংস্থানের জন্য কাতারে যায়। কাতারে গিয়ে স্ত্রী চম্পারর মায়ের নামে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা পাঠায়। ৯ লক্ষ টাকার মধ্যে কিছু টাকার বাড়ি সংস্কার ও সাংসারিক কাজে ব্যায় করা হয়েছে। বাকি সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা তার একাউন্টে ছিল। সে টাকা নিয়ে চম্পা পরোকিয়া প্রেমের টানে বাড়ি ছাড়ে।

তিনি আরো জানান, গত ২৯ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে কাতার থেকে দেশে ফিরে টাকার হিসাব চাইলে গত ৮ মার্চ তার প্রেমিক বাহাদুর ওরফে রনির বাড়ি চলে যায়। পরে চম্পাকে তার ভাই বিল্লালসহ তিনি রনির বাড়ি থেকে আনতে গেলে তাদের সাথে আসতে রাজি হয়নি। পরে স্থানীয় সামাদ আলী সহ কয়েক জনের পরামর্শে চম্পা আমাকে তালাক দিয়ে বাহাদুর ওরফে রনির সাথে বিয়ে করে।

অভিযুক্ত চম্পা টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাকে নির্যাতন করার কারনে গত ৩ মাস আগে ইকবাল হোসেনকে তালাক দিয়েছি। তালাকারে কাগজ দেখাতে চাইলে তিনি দেখাতে দেখাতে বাধ্য নন বলে জানান।

তবে স্থানীয় সামাদ জানান,৩ মাস আগে নয় গত ৮ মার্চ ইকবাল হোসেন কে তালাক দেয়া হয়েছে। ঐ দিনই বাহাদুর ওরফে রনির সাথে বিয়ে দেয়া হয়।

ইকবাল হোসেন ও তার মেয়ে আমেনা খাতুন (১২) জানান,তার অবর্তমানে প্রায় প্রতিদিনই বাহাদুর ওরফে রনি তাদের বাড়িতে যাতায়াত করতেন।

এ ব্যপারে বাহাদুর ওরফে রনির সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার বাড়ি গেলে তার চাচা বকতিয়ার সাংবাদিকদের জানান যা পারেন তাই লেখেন।

গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল আমিন অভিযোগ পাওয়ার কথা শ্বীকার করে বলেন,ঘটনা টি তদমত্ম করার জন্য সমাজ সেবা কর্মকর্তা কে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়েছে। প্রতারনার শিকার ইকবাল হোসেন জানান, টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ব্যপারে মামলা দায়েরের প্রস্ত্তুতি চলছে।

চাঁদপুর টাইমস/ডিএইচ/2015

 

Share