এহছানুল হক মিলন সারা দেশে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা চালু করেছেন

কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভানেত্রী নাজমুন নাহার বেবী বলেন,আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যারা আমাদের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপর জুলুম ও অত্যাচার নির্যাতন করেছে ৫ আগস্টের পর তারা এই দেশ থেকে অনেকে পালিয়ে গেছে। ১৯৯৬ সালে আনম এহছানুল হক মিলনকে কচুয়া সাধারন মানুষ ভালোবেসে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন।

এহছানুল হক মিলন কচুয়ার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করায় তাঁর উপর আস্থা অর্জন করে দ্বিতীয়বার মতো ২০০১ সালে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করান আপনারা। কচুয়ার জনগণের উপহার হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা আপনাদের মিলনকে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি শিক্ষাখাতে ব্যাপক উন্নয়ন ও একমাত্র সারা দেশে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা চালু করেছেন। কোন দুর্নীতি করেননি এবং কাউকে দুর্নীতি করতে দেননি।
তার এই সফলতা সারাদেশে শিক্ষক সমাজের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আপনাদের এহছানুল হক মিলনকে সারা বাংলাদেশ মানুষ তার শিক্ষাখাতে ভূমিকা নিয়ে গর্ব ও প্রশংসা করেন। গত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার আমলে এতো সুন্দর একটি শিক্ষা পরিবেশ ধ্বংস করে দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন কচুয়া ছেলে মেয়েদের জন্য ইন্জিনিয়ার,প্রকৌশল ও কারিগরী শিক্ষা অর্জন করতে যেন বাংলাদেশে কোথায় যেতে না হয়, সে জন্য চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কলেজ চাঁদপুর স্থাপন না করে, কচুয়ায় স্থাপন করেছেন।

কচুয়ায় বাড়ি বাড়ি ইঞ্জিনিয়ার, প্রকৌশলী হয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী হিসেবে কর্মরত আছে । তিনি আরো বলেন, আজ আমি যেখানে এসেছি, এই ইউনিয়নের পালগিরী গ্ৰামে আমি জন্মগ্রহণ করি। আমি আপনাদের মেয়ে এবং ছোট বোন ও আত্মীয়-স্বজন। আপনাদের স্মার্ট জামাই সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলনকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীর্ষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবেন।

এহছানুল হক মিলন জয়লাভ করলে আপনাদের মেয়ে জিতে গেছে। আপনাদের স্মার্ট জামাই সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড.আনম এহছানুল হক মিলনকে নিয়ে গর্ব করতে পারবেন আপনারা। একদল জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করছেন এবং বিভিন্ন মিথ্যা কথা বলে প্রভাকান্ড চরাচ্ছেন। এরা নারীদেরকে নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন অযৌক্তিক ও বিরূপ মন্তব্য করেছেন। আপনারা নারীরা সকল ঐক্যবদ্ধ হয়ে নারী অধিকার বাস্তবায়ন লক্ষ্যে ধানের শীষে ভোট দিয়ে এদেরকে প্রতিরোধ করবেন। শনিবার দিনব্যাপী উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের, নুরপুর,হারিচাইল,হাসিমপুর,পালগিরী, আইনগিরী ও বুরগী গ্ৰামে উঠান বৈঠকে উপরোক্ত কথা বলেন।

এসময় ঢাকা দক্ষিণ মহিলা দলের নেত্রী ও সাবেক কাউন্সিলর খালেদা বেগম,কচুয়া উপজেলার বিএনপির সাবেক সভাপতি শরফুদ্দিন মিঞা, উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ মাস্টার, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী শান্তা ইসলাম পপি,ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহ আলম পাটোয়ারী কন্ট্রাকটার, সাধারণ সম্পাদক আবু আব্দুল্লাহ নয়ন, কচুয়া প্রবাসী ফোরামের সভাপতি তুহিন, বিএনপি নেতা তাবারক উল্লাহ,উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন খোকন, সহ-সভাপতি শাখ‌ওয়াত হোসেন শাক্কু, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আতিকুর রহমান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন প্রধান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ কাউছার হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেনসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্টাফ করেসপন্ডেট/
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬