‘দাঁড়িপাল্লা প্রতীক আমাদের কাছে ন্যায় ও ভারসাম্যের প্রতীক’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর–৩ (চাঁদপুর সদর–হাইমচর) আসনে রাজনৈতিক দৃশ্যপট দ্রুত বদলে যাচ্ছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, চাঁদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট মোঃ শাহজাহান মিয়া–এর পক্ষে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীককে ঘিরে ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা।

নির্বাচনী মাঠে প্রতিদিন বাড়ছে জনসমর্থন। শহর থেকে গ্রাম, হাট-বাজার থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটাই প্রশ্ন: চাঁদপুর–৩ কি এবার নতুন নেতৃত্বের হাতে যাচ্ছে? সাধারণ ভোটারদের বড় একটি অংশ মনে করছে, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সুশাসন, নৈতিক রাজনীতি ও জনকল্যাণভিত্তিক উন্নয়নের জন্য এই আসনে একটি কার্যকর পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি।

চাঁদপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে চাঁদপুর–৩ রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই আসনের ফলাফল পুরো জেলার রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মত অভিজ্ঞ পর্যবেক্ষকদের। ফলে এখানকার ভোটের দিকে নজর রয়েছে শুধু স্থানীয় নয়, জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মহলেরও।

ভোটারদের বিশ্বাস, আইন পেশায় দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির অধিকারী এ্যাডভোকেট মোঃ শাহজাহান মিয়া নাগরিকদের ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা চোখে পড়ার মতো। তারা মনে করছে, তিনি সংসদে গেলে এলাকার সমস্যা শুধু তুলে ধরবেনই না, বাস্তবসম্মত সমাধানের পথও উন্মুক্ত করবেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “আমরা মুখের বুলি নয়, কাজের মানুষ চাই। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক আমাদের কাছে ন্যায় ও ভারসাম্যের প্রতীক। এই প্রতীকেই আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি।

নির্বাচনী প্রচারণার সঙ্গে সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা যেভাবে বাড়ছে, তাতে অনেকেই মনে করছেন—চাঁদপুর–৩ আসনে এবারের নির্বাচন শুধু একটি আসনের জয়-পরাজয়ের লড়াই নয়; বরং এটি হবে আশা, আস্থা ও পরিবর্তনের একটি স্পষ্ট গণরায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই গণজোয়ার অব্যাহত থাকলে চাঁদপুর–৩ আসন থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয় শুধু স্থানীয় নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দেবে।

প্রতিবেদক: মুহাম্মদ বাদশা ভূঁইয়া/
২১ জানুয়ারি ২০২৬