তিন দিনেই সংস্কার কাজ শেষ পর্যায়ে, দ্রুতই হবে স্থায়ী বাঁধ: হাইমচরে এমপি মানিক
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেছেন, মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে হাইমচর ও চাঁদপুর সদর উপজেলার চরাঞ্চল রক্ষায় বর্তমান সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করবে। তিনি বিশেষ করে হাইমচরের ঈশানবালা, নীলকমল এবং সদর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ও রাজরাজেশ্বর এলাকাকে এই প্রকল্পের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেন।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী ইউনিয়নের গাজিনগর এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত নদী রক্ষা বাঁধ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য মানিক বলেন, “আমাদের সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে মাত্র ৪৫ দিন। এর মধ্যেই আপনারা দেখেছেন, দুষ্কৃতিকারীদের অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে হাইমচরের যে এলাকাটি দেবে গিয়েছিল, মাত্র তিন দিনের মাথায় তার সংস্কার কাজ শেষের পথে। বর্তমানে বাঁধের যে অবস্থা, আশা করছি আগামী দু-এক দিনের মধ্যে এটি স্থায়ী রূপ পাবে।”
এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনাদের কাছে অনুরোধ, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। যেকোনো সমস্যায় প্রশাসন, আমাকে অথবা স্থানীয় সিনিয়র নেতৃবৃন্দকে জানাবেন। কোনো অশুভ শক্তি এখানে প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। প্রশাসনকে আপনারা সব কাজে সহযোগিতা করবেন।”
পরিদর্শনকালে চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ব্লক ফেলে সংস্কার কাজ করতে দেখা যায়। সংসদ সদস্য নিজে দাঁড়িয়ে থেকে কাজের গুণগত মান পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাইমচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি খলিলুর রহমান গাজী, হাইমচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমিন উল্লাহ বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শফিক পাটওয়ারীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং জেলা ও উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদী রক্ষা বাঁধে ধস নামায় স্থানীয় জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। সংসদ সদস্যের এই দ্রুত হস্তক্ষেপে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
প্রতিবেদক: মোঃ আলমগীর হোসেন (আসিফ)
১৩ এপ্রিল ২০২৬