ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ১০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কুমিল্লার আমতলী বিশ্বরোড থেকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোড পর্যন্ত বিভিন্ন অংশে যানবাহন চলাচলে ধীরগতি দেখা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ময়নামতি হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, মহাসড়কে সংস্কারকাজ চলমান থাকায় যানবাহনের গতি কমে গেছে। এ কারণে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে দেশের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ বলা হলেও বর্তমানে সড়কটির বিভিন্ন অংশের বেহাল দশায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকেরা। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে প্রতিদিন ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। কুমিল্লার প্রায় ১০৪ কিলোমিটার মহাসড়ক অংশের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় যান চলাচলে ধীরগতি দেখা দিচ্ছে। এর সঙ্গে ধীরগতিতে সংস্কারকাজ চলায় যানজটের মাত্রা আরও বাড়ছে।

মঙ্গলবার কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা যানজটে আটকে ছিলেন ব্যবসায়ী আরাফাত ইসলাম। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় এক ঘণ্টা ধরে আটকে আছি। এর আগেও একই ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় সকাল থেকে মেরামতকাজ চলমান আছে। এজন্য মহাসড়কে যান চলাচলে ধীরগতি।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চালক ও যাত্রীরা দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করে মহাসড়কের খানাখন্দ সংস্কার এবং যানজট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

চাঁদপুর টাইমস ডেস্ক/
১১ আগস্ট ২০২৬