ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো দিয়ে পারাপার, ২৫ বছরেও নির্মাণ হয়নি ব্রিজ

কচুয়া উপজেলার শাসনপাড়া গ্রামে সুন্দরী খালের সংযোগ খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হয় একটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে। এ খালের ওপর প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের কাঠের ঝুঁকিপূর্ন এ সাঁকোটি দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের পাঁচ গ্রামের প্রায় ৫ হাজারের বেশি মানুষের কাছে।

ভোক্তভুগী গ্রামবাসী জানিয়েছেন, গত ২৫ বছর ধরে তারা প্রতিশ্রতি পাচ্ছেন এ খালের উপর ব্রিজ তৈরি হবে। তবে অর্ধ যুগ ধরে গ্রামবাসীর অর্থায়নে খালের ওপর কাঠের সাঁকো তৈরি করে চলাচল চলছে। গ্রামবাসী আরো জানায়, খালের ওপর ব্রিজ নেই তাই ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো দিয়েই চলতে হয় প্রতিনিয়ত। নির্বাচনের সময় জনপ্রতিনিধিরা সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে আর কেউ খোঁজ রাখেন না। তাই বাধ্য হয়ে গত ছয় বছর আগে কাঠের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল করছেন। নিজেরাই চাঁদা দিয়ে কাঠের সাঁকো তৈরি ও মেরামত করে আসছেন।
স্থানীয় অধিবাসি লিটন মিয়া জানান, প্রতিবছর গ্রামের মানুষের কাছ থেকে সহায়তা নেয়া হয় কাঠের সাঁকোটি মেরামতের জন্য। গ্রামে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারে নিতে তাদেরকে কষ্ট পোহাতে হয়। রোগীদের হাসপাতালে নিতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে কাঠের সাঁকোটির ওপর চলাচল করেন। এ কারণে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো ক্লাসে উপস্থিত হতে পারেন না।

এ খালের উপর ব্রিজ নির্মিত না হওয়ায় পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এ গ্রামের শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ হুমায়ন কবির পাটওয়ারী সুজন জানান, আমার ওয়ার্ড এর শাসনপাড়া গ্রামের খালের ওপর ব্রিজ নির্মাণ করতে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন।

কচুয়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুল আলিম লিটন বলেন, এ স্থানীয় ব্রিজ নির্মানে প্রয়োজনীয়তা শুনেছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনার প্রস্তুতি নেয়া হবে।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
১৩ মার্চ ২০২৬