ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নাই, জনগণ এখন সচেতন: এড. শাহজাহান মিয়া
চাঁদপুর শহরের বডস্টেশনে ও ৭নং ওয়ার্ডে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পথসভা ও গণসংযোগ করেছেন চাঁদপুর-৩ (সদর–হাইমচর) আসনের ১১দলীয় জোটের এমপি পদপ্রার্থী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জননেতা এডভোকেট শাহজাহান মিয়া।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকাল থেকে দুপুর পযর্ন্ত চাঁদপুর শহরের বডস্টেশন যমুনা রোড়ে পথসভা ও ৭নং ওয়ার্ডের মাছঘাট, টিকাটলী বাজার, মাদ্রাসা রোড়, কাচা কলোনী, নিশি বিল্ডিং, আক্কাছ আলী রোড়, বকুলতলা, গুয়াখোলা সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
গণসংযোগের শুরুতে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-৩ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর আসন পরিচালক ও শহর জামায়াতের আমীর এড: শাহজাহান খান, সেক্রেটারী বেলায়েত হোসেন। অত্র এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবক সানাউল্লাহ কোরালীর সভাপতিত্বে ও শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম সবুজের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন এনসিপির সদর উপজেলার আহবায়ক তামীম খান, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শাহ আলম মিজি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবির হোসেন।
বক্তারা বলেন, চাঁদপুর-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এড. মোঃ শাহজাহান মিয়াকে বিজয়ী করে জামায়াতের নেতৃত্বধীন জোট সরকার গঠনে ভোটারগন ঐক্যবদ্ধ। আপনার দাঁড়িপাল্লা মার্কা ও হ্যাঁ পক্ষে সকলে ঐক্যবদ্ধ ভোট দেয়ার আহবান জানান।
এডভোকেট শাহজাহান মিয়া বলেন, আগামী ১২তারিখ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই দেশের মানুষ উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন। ভয় ও চোখ রাঙ্গানো দিন শেষ হয়েগেছে। ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নাই। জনগণ এখন সচেতন, সকলে কিভাবে ভোট আদায় করতে হয়, ন্যায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে জীবন বাজি রেখে কাজ করতে হয় তা জানে।
তিনি আরো বলেন, চাঁদপুর পৌরসভা বাংলাদেশের একটা গুরুত্বপূর্ণ জেলা হেড কোয়াটার। নদীবন্দরের ঐতিয্য এখন হারানোর পথে। চাঁদপুর প্রসিদ্ধ ব্যবসাকেন্দ্র সেই ব্যবসা কেন্দ্রও এখন হারানোর পথে। চাঁদপুরকে বলা হয় ইলিশের রাজধানী, কিন্তু ইলিশ কি কম দামে খাওয়া যায়, সিন্ডিকেটের কারনে এই স্বাদ নেয়া যায় না। শহরের যানজট যারা নিয়মিত চলাচল করে তাদের জন্য কত অসহনীয় শহরবাসী জানে। ও মাদকের ভয়াবহ অবস্থা আগে এক শ্রেনী মাদকের ব্যবসা করতো, এখন আবার নতুন করে আকে শ্রেনী মাদকের ব্যবসা করছে।
দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী বলেন, দাঁড়িপাল্লা বিজয় হলে এখানে ন্যায় ও ইনসাফের সরকার গঠন করা হবে। এখানে কোন দূনীতি ও স্বজনপ্রীতি থাকবে না। চাঁদাবাজী, লুটপাট ও জনগনের উপর স্টীম রোলার চলবে না।
জনসংযোগে আরো উপস্থিত ছিলেন ১০নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি গোলাম মাওলা, ৭নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি নুর মোহাম্মদ খোকা, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি মাইনুদ্দিন প্রধান, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হাসান আল বান্না, সাহিত্যিক মো: হানিফুর রহমান সহ অত্র এলাকার ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
স্টাফ করেসপন্ডেট/
২৬ জানুয়ারি ২০২৬