চাঁদপুরে ৫টি আসনে ধানের শীষ প্রাথীদের নির্বাচিত করতে রাশেদা বেগম হীরা’র আহ্বান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী চাঁদপুর-১ আসনে আ ন ম এহছানুল হক মিলন, চাঁদপুর-২ আসনে ডা.মো: জালাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৩ আসনে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, চাঁদপুর-৪ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক, চাঁদপুর-৫ আসনে লায়ন হারুনুর রশিদকে নির্বাচিত করতে চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ও সাবেক দু-বারের মহিলা এমপি বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ রাশেদা বেগম হীরা জনগনের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।
৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি এ আহবান জানান।
জনা গেছে, বিএনপির সাবেক এমপি রাশেদা বেহম হীরা চাঁদপুরের ৫টি আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চেয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান । পথচারী, রিকশাচালক, সিএনজিচালক, দোকানি, ফুটপাতের ক্রেতা- বিক্রেতা, নারী সমাজ ও বিভিন্ন হাট বাজারে আসা সাধারণ ভোটারদের হাতে ধানের শীষের নির্বাচনি লিফলেট বিতরণ করেন । বিএনপির আহবানে ধারাবাহিক ভাবে সভা – সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন।
দু-বারের বিএনপির সাবেক মহিলা এমপি আলহাজ রাশেদা বেগম হীরা ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করতে হলে ধানের শীষে ভোট দিন। ধানের শীষ জিতলে বাংলাদেশ জিতবে। বিএনপি বিগত দিনে সুখে দুঃখে সর্বদা আপনাদের পাশে ছিল আগামীতেও থাকবে ইনশাআল্লাহ । উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য আপনারা বিএনপিকে ভোট দিবেন । ভোট আপনাদের পবিত্র আমানত । দেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। বাংলাদেশ এখন বিএনপি এবং তারেক রহমানের হাতেই নিরাপদ।
জানা যায়, আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরাকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী আসন ঢাকা-১৭ আসনে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষনের সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা গেছে,আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরার পৈতৃক বাড়ি চাঁদপুর জেলায় সদর উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের আলগী গ্রামে। তিনি ১৯৮১ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ ও ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন ১৯৭৯ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন তিনি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন্নাহার হলের ভি.পি. ও জি.এস. পদে তিনি প্রতিদ্বন্দিতা করেন। ছাত্রনেত্রী হিসেবে তিনি ১৯৮১ সালে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সাথে রাষ্ট্রীয় সফরে নেপাল ভ্রমণ করেন এবং টেলেন্ট স্টুডেন্ট হিসেবে তিনি হিজবুল বাহার সফর ও বঙ্গবভনে আমন্ত্রিত হন।
১৯৮৪ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় যেমন অক্সফম, সেভ-দি-চিলড্রেন, ভিএসওতে জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন, পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ এ যাবৎ দলের সকল রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তিনি একজন লড়াকু সৈনিক।
তিনি ৮ম ও ৯ম জাতীয় সংসদে তিনি জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়নে সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক কেন্দ্রীয় মহিলা দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং সাবেক জাতীয়তাবাদী মহিলা দল চাঁদপুর জেলা শাখার সভানেত্রী ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক/
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬