চাঁদপুর

চাঁদপুরে ধনেপাতা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১২শ মে.টন

চাঁদপুরে চলতি মৌসুমে ধনেপাতা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১ হাজার ২শ ৭০ মে.টন এবং চাষাবাদ লক্ষ্যমাত্রা ৯শ ৮০ হেক্টর । কৃষি বিভাগ চাঁদপুরের এক তথ্যে জানা গেছে । আামাদের দেশে আহবামান কাল থেকেই বিভিন্নভাবে ধনেপাতা খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে । বিশেষ করে কৃষিজীবী পরিবারে ধনেপাতা খাওয়ার প্রচলন বেশি। শহরবাসীরা শখের বসতে তা খাচ্ছে ।

প্রাপ্ত তথ্য মতে,মতলবের চরইলিয়ট,চর কাসিম,ষষ্ট খন্ড বোরোচর,বোরোচর,চাঁদপুর সদরের রাজরাজেস্বর,জাহাজমারা,লগ্মীমারা,বাঁশগাড়ি, চিড়ারচর,ফতেজংগপুর,হাইমচরের ঈশানবালা, চরগাজীপুর,মনিপুর,মধ্যচর,মাঝিরবাজার,সাহেববাজার ও বাবুরচরসহ সকল এলাকায় ধনেপাতার চাষাবাদ হয়ে থাকে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামার বাড়ি চাঁদপুরের সূত্র মতে,চাঁদপুর সদরে চাষাবাদ ২৮৫ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩শ’৬৮ মে.টন।

মতলব উত্তরে চাষাবাদ ৯০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ শ’১৭ মে.টন। মতলব দক্ষিণে চাষাবাদ ৪৫ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৮ মে.টন। হাজীগঞ্জে চাষাবাদ ৬০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৮ মে.টন।

শাহরাস্তিতে চাষাবাদ ৪৫ হেক্টর এবং উৎপাদন ৫৮ মে.টন । কচুয়ায় চাষাবাদ ২শ’ ৩০ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ শ’ ৯৯ মে.টন। ফরিদগঞ্জে চাষাবাদ ১১৫ হেক্টর এবং উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১শ ৪৯ মে.টন। হাইমচরে চাষাবাদ ১শ ১০ হেক্টর ও উৎপাদন ১শ ৪৩ মে.টন ।

ধনে পাতার স্বাস্থ্যগুণ

চিকিৎসক ও কৃষিবিদদের মতে, ধনেপাতা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। দাঁত ও মাড়ির সুস্থতায় ধনেপাতা অত্যন্ত কার্যকরী একটি ভেসজ উপাদান। ধনেপাতা দাঁতের ফাঁকে ব্যাক্টেরিয়াকে বাসা বাঁধতে বাধা দেয়। ফলে সুস্থ থাকে দাঁত ও মাড়ি।

লিভার বা যকৃতকে সুস্থ রাখতে ধনেপাতা অত্যন্ত কার্যকরী। নিয়মিত নির্দিষ্ট পরিমাণে ধনেপাতা খেতে পারলে লিভারের একাধিক সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়। ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য ধনেপাতা অত্যন্ত উপকারী। ধনেপাতা রক্তে ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় রাখে আর রক্তে শর্করার পরিমাণও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ধনেপাতার মধ্যে সিনিওল এসেনশিয়াল অয়েল এবং লিনোলিক অ্যাসিড থাকে। এগুলো শরীরের পুরনো ও নাছোড় ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় থাকা আয়রন রক্তাল্পতা রোধে সাহায্য করে। নেপাতার মধ্যে অ্যান্টিসেপটিক উপাদান থাকায় তা শরীরে টক্সিন দূর করতেও সাহায্য করে। এর অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট উপাদান বিভিন্ন চর্মরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।(বাংলা)

আবদুল গনি,৯ ডিসেম্বর ২০১৯

Share