কচুয়ায় পাঠদানের অনুমতি পেল রেনেসাঁ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ

কচুয়া উপজেলার সাচার এলাকায় প্রতিষ্ঠিত রেনেসাঁ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ পাঠদানের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছে। সম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে পাঠদানের অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি জানা গেছে।

প্রতিষ্ঠার অল্প সময়ের মধ্যেই পাঠদানের অনুমতি পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ, উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সাচার ও আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন একটি শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করবে। শিক্ষা একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইনির্ভর জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতায় গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে রেনেসাঁ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও গতিশীল হবে। প্রতিষ্ঠানটির পাঠদানের অনুমতি লাভের খবরে অভিভাবকদের মধ্যেও আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তারা মনে করছেন, নিজ এলাকার কাছাকাছি একটি মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরি হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় ও দুর্ভোগ কমার পাশাপাশি শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ আরও বাড়বে।

রেনেসাঁ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও তরুণ উদ্যোক্তা মো. জিয়াউদ্দিন মজুমদার বলেন, “প্রতিষ্ঠানটির পাঠদানের অনুমতি পাওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত। এটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।”

প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বটু কৃষ্ণ বসু বলেন, “পাঠদানের অনুমতি পাওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও উৎসাহিত। এই অর্জনের পেছনে যারা সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি রেনেসাঁ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।”

অভিভাবকদের প্রত্যাশা, রেনেসাঁ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
৩ অক্টোবর ২০২৬