কচুয়ায় বরই চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন ছালামত ভূঁইয়া

চাঁদপুরের কচুয়ার আটোমোর গ্রামে বল সুন্দরী জাতের বরই চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন ছালামত ভূঁইয়া। চেষ্টার শুরুতেই সফলতার মুখ দেখেছেন তিনি। প্রতিদিন বিক্রি করছেন বাগানের মিষ্টি সু-স্বাধু বরই। কোনো ধরনের কীটনাশক ছাড়া উৎপাদিত এ বরইয়ের স্থানীয় বাজারে ও স্থানীয়দের কাছে দিন দিন বেশ চাহিদা বাড়ছে। চলতি বছর বড়ই বিক্রি শুরু করেছেন, তবে পর্যায়ক্রমে শেষ পর্যন্ত বাগানের সকল বড়ই বিক্রি করতে চান তিনি। এতে অধিক লাভবান হবেন মনে করেন ব্যবসায়ী ছালামত ভূঁইয়া।

সরেজমিনে জানা গেছে, কচুয়ার আটোমোড় গ্রামের ব্যবসায়ী ছালামত ভূঁইয়া পৈত্রিক ৩০ শতক জায়গায় গড়ে তোলা বরই বাগান পুরোটা নেট দিয়ে ঘেরা। ভেতরে প্রবেশ করে গাছে ঝুলতে দেখা যায় সবুজ-হলুদ ও লালচে থাই-বলসুন্দরী বরই। বিক্রির জন্য ছালামত ভূঁইয়া কয়েকজন গাছ থেকে বরই তুলে ব্যাগে রাখছেন। আকারে বড় ও স্বাদে সুমিষ্ট হওয়ায় বাগানেই বিক্রি হয়ে যায় সব বরই। তার দেখাদেখি অনেকেই বড়ই ও অন্যান্য চাষে উদ্যোগ গ্রহন করেছেন।

বড়ই চাষী ছালামত ভূঁইয়া বলেন, অনেক বছর ধরে চাকুরী পরবর্তীতে ব্যবসায় করেছি। বাড়ির সামনে নিজস্ব ভিটায় ৩ বছর আগে ৩০ শতক জায়গায় বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই গাছ লাগাই। ফরিদপুর থেকে চারা সংগ্রহ করেছি। এ পর্যন্ত ভালো টাকার বরই বিক্রি করেছি। গাছে যে পরিমাণ বরই আছে, আশা করছি মোটামুটি ভালো টাকায় বিক্রি করতে পারবো।

কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপু আহমেদ বলেন, কম খরচ ও পরিচর্যায় বেশি ফলন পাওয়ায় বরই চাষে আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয় চাষিদের। বলসুন্দরী ও থাই জাতের বরই অনেক সুস্বাদু। ছালামত ভূঁইয়া এ জাতের বরই চাষ করে সফল হয়েছেন। বরই চাষে যে কোনো কৃষক আগ্রহ হলে কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
৮ জানুয়ারি ২০২৬