এক যুগ পর রংপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রায় এক যুগ পর রংপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগমন ঘিরে রংপুর মহানগরী নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। তাকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত রংপুর। 

বুধবার বেলা ৩টায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বিভাগীয় জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর এ জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে বলে আয়োজকরা বলছেন। ১০ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে তাদের প্রত্যাশা। 

এদিকে জনসভায় নেতাকর্মীদের আসা-যাওয়া নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রস্তুতি নিয়েছেন। নগরীতে এক হাজারের বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। প্রবেশপথগুলোয় সন্দেহভাজন যানবাহন ও ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হচ্ছে। ২১টি পয়েন্টে গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পীরগঞ্জের লালদীঘির বধূ শেখ হাসিনাকে বরণ করে নিতে রংপুরবাসীর আয়োজনে বিন্দুমাত্র কমতি নেই। তার আগমনে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের মধ্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস।  মিছিলে মিছিলে নগরী মুখরিত হচ্ছে। চলছে বর্ণিল-বর্ণাঢ্য প্রচারণা। বাদ্যযন্ত্র ও গানের তালে নেচে-গেয়ে মাইকিং চলছে। জনসভাস্থল ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক মোড়, জিলা স্কুল মোড়, ডাকঘর মোড়, সুরভি উদ্যান মোড়, পুলিশ লাইন্স মোড়, সিটি বাজারসহ বিভিন্ন পয়েন্টে মাইক লাগানো হয়েছে। 
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে পুরো নগরী পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে। নগরীর বৈদ্যুতিক পিলার, ল্যাম্প পোস্ট, দেয়াল, গাছ-কোথাও ফাঁকা নেই। রাস্তাঘাট, রোড ডিভাইডার ধুয়ে-মুছে চকচক করা হয়েছে। মাঠের দক্ষিণ-পশ্চিম কোনায় নৌকার আদলে সভামঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। পাশে মিডিয়া, মুক্তিযোদ্ধা ও অতিথি কর্নার। জনসভাস্থলে এসএসএফসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা কাজ করছেন। তারা সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছেন।

রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও স্বেচ্ছাসেবক উপকমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছি। মানুষ এখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে উচ্ছ্বসিত। 

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, জনসভাকে ঘিরে সব ধরনের নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছি। জনসভাস্থল ছাড়াও পথে পথে চেকপোস্ট থাকবে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও মোড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা থাকবে।

টাইমস ডেস্ক/২ আগস্ট ২০২৩

Share