Home / খেলাধুলা / আফগানিস্তানের বিপক্ষে সুযোগ পেয়ে যা বললেন ফরিদগঞ্জের জয়
আফগানিস্তানের
মাহমুদুল হাসান জয়

আফগানিস্তানের বিপক্ষে সুযোগ পেয়ে যা বললেন ফরিদগঞ্জের জয়

তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবতেই পারেন। অধিনায়ক আকবর আলী, টপ অর্ডার পারভেজ ইমন, তানজিদ হাসান তামিম আর সাহাদাত হোসেন দিপুরা এখন কোথাও নেই। শামীম পাটেয়ারী সুযোগ পেয়েও সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।

সেখানে টেস্টে সুযোগ পেয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেই নিজেকে মেলে ধরেছেন মাহমুদুল হাসান জয়। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদির মত বিশ্বমানের সেরা বোলারদের বিপক্ষে ৭৮ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেলে নজর কেড়েছেন চাঁদপুরের ২১ বছরের যুবক মাহমুদুল হাসান জয়।

সেটাই শেষ নয়। এবার বিপিএল অভিষেকেও হাসছে তার ব্যাট। এরই মধ্যে ৯ ম্যাচে ২২৭ রানও করেছেন। ধরেই নেয়া যায়, টেস্টে ভাল খেলা এবং লিটন দাসের সঙ্গে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে ওপেন করতে নেমে দারুণ খেলার কারণে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে দলে জায়গা পেয়েছেন জয়।

কেমন লাগছে এত অল্প সময়ের ব্যবধানে টেস্টের পর ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়ে? মাহমুদুল হাসান জয়ের জবাব, ‘আমি অবশ্যই খুব খুশি। টেস্টের পর ওয়ানডেতেও সুযোগ পেয়েছি।’

টেস্টে ভাল খেলেছেন। সেটা ছিল লাল বলে। আর এবার ওয়ানডে খেলতে হবে সাদা বলে। বলের ধরণ আর চরিত্রই শুধু নয়, খেলার আকার, মেজাজ ও ধরন- সবই ভিন্ন। নিজেকে কিভাবে মানিয়ে নেবেন?

জয় প্রস্তুত। নিজেকে সেভাবে তৈরি করছেন এবং সবচেয়ে বড় কথা, টেস্টের মত একদিনের সীমিত ওভারেও নিজের ন্যাচারাল খেলা খেলার ইচ্ছে আছে তার।

‘সাদা আর লাল বল টোটালি ডিফারেন্ট। চেষ্টা করবো যে তিনটি ওয়ানডে আছে, তাতে কিভাবে আমি আমার যে ন্যাচারাল গেম আছে তা খেলতে।’

প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানকে এখন বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম ভাল দল বলে অভিহিত করে জয় বলেন, ‘আফগানিস্তান এখন একটা ভাল দল। তাদের টপ কোয়ালিটির স্পিনার আছে।’

তবে নিজ দলকে নিয়েও তার প্রত্যাশা কম নয়। আমরা যদি আমাদের টপ পারফরমেন্স করতে পারি, ‘তাহলে আমরাও ভাল কিছু করবো।’

প্রসঙ্গত, ২০০০ সালের ১৩ নভেম্বর চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে জন্ম নেয়া মাহমুদুলের ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা দেখে বাবা ব্যাংকার আবুল বারেক তাকে ক্লেমন ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি করান। চাঁদপুরের এই একাডেমিতে দুই বছর প্রশিক্ষণ শেষে ২০১৪ সালে বিকেএসপিতে ভর্তি হন মাহমুদুল। ছেলেকে নিজের মতো ব্যাংকার বানানোর স্বপ্ন ছেড়ে বাবা আবুল বারেকও সব ধরনের সমর্থন দিতে থাকেন। এরপর কেবল এগিয়ে যাওয়ার গল্পই লিখেছেন মাহমুদুল।