অবৈধ গ্যাস সংযোগে পুড়ছে বৈধ গ্রাহকের কপাল

রাজধানীতে তিতাসের দেওয়া লাইনের গ্যাসে চুলা জ্বলছে না আবাসিক গ্রাহকদের। মূলত, পুরাতন লাইনে লিকেজসহ প্রচুর পরিমাণে অবৈধ সংযোগের কারণে তীব্র গ্যাস সংকটে ভুগছে তিতাসের প্রায় ২৮ লাখ আবাসিক গ্রাহক। তাই বাধ্য হয়ে সিলিন্ডার গ্যাস বা ইলেকট্রিক চুলাসহ বিকল্প উপায় বেছে নিচ্ছেন নগরবাসী। এতে জীবন ধারণের ব্যয় বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। 

অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান চালালেও অধরাই থাকছে হাজারো অবৈধ সংযোগ। এতে একদিকে যেমন বৈধ গ্রাহকরা গ্যাস পাচ্ছেন না, অন্যদিকে শুধু শুধু লোকসান গুনছে তিতাস; সরকার হারাচ্ছে বড় অঙ্কের রাজস্ব।

গ্যাস সরবারহকারী কোম্পানি তিতাসের ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের হিসেব বলছে, ৪৪৮ দশমিক ২১ কিলোমিটার পরিত্যাক্ত বা অব্যবহৃত গ্যাস লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবারহ করছে তারা। এছাড়া অবৈধ লাইনে চুরি মিলিয়ে মোট ৬৩৪ দশমিক ১৭ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস সিস্টেম লস ও চুরি হয়েছে।

তিতাস বলছে, সরকারের সংস্থাগুলোর দায়িত্বহীনতার কারণেই গ্যাস চুরি হচ্ছে। গ্যাস চুরির ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নমনিয়তারও অভিযোগ তোলে প্রতিষ্ঠানটি। 

তবে, ২০১৫ সালে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের আদেশ হলেও তা বাস্তবায়ন না করে তিতাস জনগণকে লুন্ঠন করছে বলে মত জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শামসুল আমল। 

শিল্প কারখানা খাতে গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকার গুরুত্ব দেওয়ায় আবাসিক খাতে শিগগিরই সুবাতাস আসছে না। জ্বালানি চাহিদা মেটাতে নগরবাসীকে খুঁজতে হবে বিকল্প উপায়। সূত্র>>> আরটিভি

চাঁদপুর টাইমস ডেস্ক/
১২ জানুয়ারি ২০২৬