সারাদেশ

অবসরে দেখে আসুন বেহুলা-লখিন্দরের বাসরঘর

‎Sunday, ‎24 ‎May, ‎2015 03:12:31 PM

নিউজ ডেস্ক, চাঁদপুর টাইমস :

‘মা মনসা’র রোষানল একে একে কেড়ে নিয়েছে চাঁদ সওদাগরের সবকটি সনত্মান৷ বাকি কেবল লখিন্দর৷ কিন্তু তাকেও কেড়ে নেওয়ার সময় বেঁধে দিয়েছেন মনসা, ‘বাসররাতই হবে লখিন্দরের জীবনের শেষ রাত৷ কী করবেন চাঁদ সওদাগর? অনেক ভেবে লোহা দিয়ে নির্মাণ করলেন লখিন্দরের জন্য নিশ্চিদ্র শয়ন কক্ষ৷ কিন্তু তাতেও কি শেষ রক্ষা হলো? কোনো এক ফুটোপথে ঠিকই ঢুকে পড়লেন সাপের দেবী৷ সুযোগ বুঝে লখিন্দরের পায়ে ছোবল… দিশেহারা বেহুলা… মৃত স্বামীকে কলার ভেলায় তুলে তার ইন্দ্রপুরীতে যাত্রা… নেচে গেয়ে খুশি করতে হবে ইন্দ্রকে…৷ সেই লখিন্দরের ভিটে কিন্তু এখনো মাথা উঁচু করে ঠায় দাঁড়িয়ে৷ অনত্মত এলাকাবাসীর কাছে আজও তা বেহুলার বাসরঘর নামেই পরিচিত৷

বগুড়া শহর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরেই যার অবস্থান৷ মূল স্থাপনাটি সমতল হতে বেশ উঁচু এবং বহু সত্মরবিশিষ্ট একটি দুর্গ৷ প্রত্যেক সত্মরেই অসংখ্য কক্ষ৷ সর্বমোট ১৭৮টি কক্ষ আছে এই দুর্গে৷ এতগুলোর মধ্যে কোনটি বেহুলার বাসরঘর ছিল তার সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই৷ তা ছাড়া সবকটি কক্ষের আকৃতিগত কাঠামোও প্রায় একই রকম৷ দুর্গের একদম চূড়ায় ভিন্ন ধাঁচের একটি গোলাকৃতি কক্ষ রয়েছে এবং ধারণা করা হয় এটিই হয়তো বাসরঘর ছিল৷

* যেভাবে যাবেন :
বগুড়া শহর থেকে বাস অথবা সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে আপনাকে নামতে হবে গোকুল বাজারে৷ তারপর সেখান থেকে ভ্যান অথবা রিকশায় অনায়াসে পৌঁছে যেতে পারবেন বেহুলার বাসরঘরে৷ রাতে থাকতে চাইলে ফিরে আসতে হবে বগুড়া শহরে৷ কেননা, এ এলাকার আশপাশে কোনো হোটেল বা মোটেল নেই৷

চাঁদপুর টাইমস : এমআরআর/২০১৫

 

নিয়মিত ফেসবুকে নিউজ পেতে লাইক দিন : www.facebook.com/chandpurtimesonline/likes

চাঁদপুর টাইমস’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Share