Home / শীর্ষ সংবাদ / হাইমচরে ইউএনও ও পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মামলা : আটক ১
হাইমচরে অভিযানে আটক জেলেদের অবৈধ কারেন্ট জাল পুড়িয়ে দেয়া হয়।

হাইমচরে ইউএনও ও পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মামলা : আটক ১

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার হাইমচর ইউনিয়নের চর এ্যালটম্যান এলাকার গুচ্ছ গ্রামে ইলিশ উদ্ধারের সময় অভিযানে থাকা পুলিশ ও উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় ৮ মার্চ মামলা হয়েছে। নীলকমল নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এস.আই শফিউল্লাহ্ বাদী হয়ে হাইমচর থানায় একটি নিয়মিত মামলা করে।

এতে ১৫ জনের নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাত ১৫০ জন আসামী করা হয়েছে। হামলা ও ছিনতাইয়ের অপরাধে স্থানীয় লোকজন আজগর সরদার (৩০) কে আটক করে। ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ছিনতাই হওয়া ব্যাগ ও দুটি মোবাইল আজগরের কাছ থেকে জব্দ করা হয়।

প্রসঙ্গত, ০৭ মার্চ রাত- ৯.০০ টায় হাইমচর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসি বেগম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাইমচর ইউনিয়নের গুচ্ছ গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। গুচ্ছ গ্রামে একাধিক ঘরে তল্লাসি করে প্রায় ২ লক্ষাধিক মিটার কারেন্ট জাল উদ্ধার করে। পার্শ্ববর্তী ঘরে তালাবন্দী ইলিশ মাছের সন্ধান পেলে তা জব্দ করে। জব্দ করা সংবাদ গুচ্ছ গ্রামের জেলেদের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। জেলে ও অসাধু মাছ ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে প্রশাসনের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। জেলে ও মাছ ব্যবসায়ীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে হাইমচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় কয়েকজনের সহায়তায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উদ্ধার করা।

হামলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম, নীলকমল নীলকমল নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ আব্দুল জলিল, এস,আই শফিউল্লাহ, কনস্টেবল সুরুজ মিয়া, মোবারক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অফিস সহকারি হরে কৃষ্ণ, অফিস পিওন, সিরাজ, মৎস অফিসের কর্মকর্তা সহ বেশ কয়েকজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য নীলকমল নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির নয় রাউন্ড গুলি করে।

রোববার চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রতিবেদক : বিএম ইসমাইল, ৮ মার্চ ২০২০

ইন্টারনেট কানেকশন নেই