Home / জাতীয় / শিগগিরই বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত
Hasina
ফাইল ছবি

শিগগিরই বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত

আনসার বাহিনীর যে কোনো সমস্যার সমাধানে সরকার সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সাহসিকতা ও কর্মদক্ষতা বর্তমানে সর্বজন স্বীকৃত। জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন নির্বাচনে দায়িত্বপালনসহ সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ ও মৌলবাদ নির্মূলে আনসার বাহিনী বিশেষ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, এ বাহিনীর সদস্যদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা— জননিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে অশুভ শক্তিকে পরাজিত করতে সততা, সাহস ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন। আমরা সবাই মিলে কাজ করলে শিগগিরই ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারব।

বৃহস্পতিবার গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি অ্যাকাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪০তম জাতীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারকে গার্ড অব অনার দিয়েছিল। কুষ্টিয়ার মেহেরপুরের আম্রকাননে ওই সরকার গঠন হয়েছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এই বাহিনী গঠন করেছিলেন।

সরকার আনসার ব্যাটালিয়ন আইন প্রণয়নের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, খুব শিগগিরই আনসার ব্যাটালিয়ন আইন প্রণয়নের কাজ শেষ হবে। পাশাপাশি ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’ এবং ‘মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স ও আম্রকানন’ এর নিরাপত্তার জন্য দুইটি আনসার ব্যাটালিয়ন গঠনের কার্যক্রম প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

এসময় একটি গার্ড ব্যাটালিয়নসহ চারটি আনসার ব্যাটালিয়ন গঠন, ব্যাটালিয়নের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন করে জনবল বৃদ্ধি, আনসার ও ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠা, ঝুঁকি ভাতা প্রবর্তনসহ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন সরকার প্রধান।

হেলিকপ্টারে করে বেলা পৌনে ১১টায় গাজীপুরের সফিপুরে আনসার ও ভিডিপি অ্যাকাডেমিতে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী অভিবাদন মঞ্চে উপস্থিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় সংগীতের সুর বেঁজে ওঠে। এরপর খোলা জিপে করে প্রধানমন্ত্রী প্যারেড পরিদর্শন করেন।

প্যারেড পরিদর্শন শেষে আবার ফিরে যান অভিবাদন মঞ্চে। সেবামূলক ও সাহসীকতাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৪৩ জনকে পদক পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠান স্থলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল কাজী শরীফ কায়কোবাদ।

বার্তা কক্ষ,১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ইন্টারনেট কানেকশন নেই