Home / জাতীয় / যে কারণে উৎক্ষেপণ হলো না ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’

যে কারণে উৎক্ষেপণ হলো না ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’

আবারো পেছানো হলো দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপণ। বারবার সময় পরিবর্তন করেও শেষ পর্যন্ত তা আর উৎক্ষেপণ করা হলো না। প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নির্দিষ্ট সময়ের শেষ মিনিটে পূণরায় ১৫ মিনিটের সময় নেয়া হয়। তবে কি ধরণের ত্রুটির কারণে শেষ মূহুর্তে আবারো উৎক্ষেপণ সময় পরিবর্তন হলো তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে একবারেই আশা ছেড়ে দেয়া হয়নি বলে উৎক্ষেপণ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানায় বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ১টা ২৫ মিনিটে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স এক টুইটে সময় পুনর্নির্ধারণের কথা জানায়।

স্পেসএক্সের টুইটের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রেের ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৪৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টা ৪৭ মিনিট) স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণ হওয়ার কথা ছিলো।

এর আগে ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ২টা ৪২ মিনিট) ফ্লোরিডার লঞ্চ প্যাড থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে মহাকাশের পথে ছুটে যাওয়ার কথা ছিল স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের ব্লক ৫ সংস্করণের।

মহাকাশে উৎক্ষেপণের আগে গত শুক্রবার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের যান্ত্রিক পরীক্ষা সম্পন্ন করে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যায় অরল্যান্ডোতে কেনেডি স্পেস সেন্টারে এ পরীক্ষা চালানো হয়।

পরীক্ষা শেষে স্পেসএক্স এক টুইটে জানায়, উৎক্ষেপণের আগে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের স্ট্যাটিক ফায়ার টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে। এটি কার্যকর আছে।

এর আগে কয়েকবার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের তারিখ পেছানো হয়। সর্বশেষ ৭ মে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের তারিখ নির্ধারিত ছিল।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নির্মাণ কাজ শেষ হয় ২০১৭ সালের অক্টোবরে। এর পর গত ডিসেম্বরে এর সার্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে ওড়ার উপযোগী ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বৈরী আবহাওয়া এবং আরও কিছু যুক্তিযুক্ত বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপণের তারিখ পিছিয়ে যায়।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব স্যাটেলাইট ক্লাবের সদস্য হওয়ার গৌরব অর্জন করবে। এর ফলে দেশের সম্প্রচার খাতে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয়সহ উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার সহজ হবে।

Leave a Reply