Home / চাঁদপুর / বন্যার পানিতে প্লাবিত চাঁদপুর শহর : বাড়ি-ঘর ছেড়ে রাস্তায় গ্রামের মানুষ

বন্যার পানিতে প্লাবিত চাঁদপুর শহর : বাড়ি-ঘর ছেড়ে রাস্তায় গ্রামের মানুষ

বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে চাঁদপুর জেলা। শহর এবং গ্রামে সর্বত্রই ভয়াবহ বন্যার পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। ৫ আগস্ট বুধবার বিকেলে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে পুরো জুড়ে জেলা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে হঠাৎ করে চরম বিপাকে পড়েছে গ্রাম অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।

আজ বিকেলে থেকে ধীরে ধীরে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যার পানিতে পরিণত হতে দেখা গেছে। রাত সাড়ে ৮ টায় শহরের বিভিন্ন সড়ক পানিতে ডুবে যেতে দেখা যায়। এর মধ্যে চাঁদপুর শহরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়ক, চিত্রলেখা মোড়, হাজী মহসিন রোড, চাঁদপুর হাসান আলী স্কুল মাঠ, মিশন রোড, পালপাড়া, ঘোষ পাড়া, নতুন বাজার, গুয়াখোলা প্রফেসর পাড়া কাজী নজরুল ইসলাম সড়ক স্টান্ড রোড , ট্রাক রোড এবং শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক সহ শহরের বিভিন্ন পাড়া, মহল্লা এবং বিভিন্ন সড়কগুলো বন্যার পানিতে ডুবে যেতে দেখা যায়। এতে করে ছোট-বড় বিভিন্ন যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। হঠাৎ করে শহরের সড়ক গুলোতে বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় অনেক সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আরও পড়ুন… হাইমচরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে চাঁদপুর সেচ প্রকল্প প্লাবিত

এছাড়া পুরান বাজার, দোকানঘর, বহরিয়া ,হাইমচর, চান্দ্রা, হানারচর, লক্ষীপুর, রামদাসদী, রাজরাজেশ্বর, ইব্রাহিমপুর,লক্ষীপুর, রঘুনাথপুর, কোড়ালিয়া, কাশিম বাজার, তরপুরচন্ডী সহ নদীর পাড় কেন্দ্রীক এলাকা গুলোতেও ব্যাপক পানি বৃদ্ধি পেতে দেখে গেছে।

ফলে বুধবার বিকেল থেকে দোকানঘর লোহারপুল হয়ে নতুনবাজার পুরানবাজার ব্রিজ পর্যন্ত সড়কটিতে পানির পরিমান বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। একই অবস্থা হয় পুরান বাজার থেকে নতুন বাজারে আসার আরো দুটি সড়কেরও। এদিকে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় কিছু লোক রাস্তায় গাছ পেলে এমনকি বেড়িকেট দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। যার কারনে আটকা পড়ে যায় নতুন বাজারের উদ্দেশ্য আশা শত শত লোকজন ও বিভিন্ন যানবাহন।

এদিকে এদিন রেকর্ড পরিমান পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়গ্রাম অঞ্চলের বহু পরিবার প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র নিয়ে বেড়িবাঁধের সড়কের পাশে আশ্রয় নিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

হঠাৎ করে চাঁদপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। শহর জুড়ে পানিতে প্লাবিত হওয়ায় অনেকেই এটিকে ৮৮ কিংবা ৯৮ এর মতো ভয়াবহ বন্যার আশংকা বলে ধারনা করছেন।

প্রতিবেদক:কবির হোসেন মিজি, ৫ আগস্ট ২০২০

ইন্টারনেট কানেকশন নেই