Home / শীর্ষ সংবাদ / হাইমচরেও বন্ধ হচ্ছে না ঋণের কিস্তি : এনজিওরা বলছে নির্দেশনা পায়নি
Jal-Taka-1

হাইমচরেও বন্ধ হচ্ছে না ঋণের কিস্তি : এনজিওরা বলছে নির্দেশনা পায়নি

সারা দেশে করোনা ভাইরাসে যেখানে জনজীবনে আতংকিত হয়ে দাড়িয়েছে। ভাইরাসের আতংকিত থেমে যাচ্ছে চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার জনজীবন। যেখানে সারা দেশ আতংকে রয়েছে কিন্তু ঋনদান সংস্থা এনজিওরা ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে। করোনা কারনে বিভন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলেও এনজিওর কিস্তি আদায় বন্ধ না হওয়া সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের চরম বিপাকে পড়েছে।

যেখান মানুষ করোনার আতংকে ঘরে বসে আছে সেখান হতদরিদ্র দিনমজুরে পক্ষে কিস্তি পরিশোধের সুযোগ নিতান্তই কম।  সাধারণ দিনমজুরদের দাবি যতোদিন এ ভাইরাসের আবির্ভাব থাকবে ততদিন ঋনের কিস্তি বন্ধ রাখা হয়।

হাইমচরে সাধারন মানুষের বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋন নিয়ে ব্যবসা, কৃষিকাজ, রিক্সা, অটোরিকশা, সিএনজি ক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করছে। করোনার প্রভাবে রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের চলাচল অনেকটা কমে এসেছে, বাজারঘাটেও ক্রেতাসাধারণের উপস্থিতি কম। তাই বন্ধ হয়ে গেছে সাধারণ খেটে খাওয়া শ্রমিকদের প্রতিদিনকার রোজগার। কিন্তু কিস্তি দায়ে ঘর ছাড়া অসহায় গরীব দিনমজুর রা।

এ ব্যাপারে রিক্সা চালক হযরত আলী চাঁদপুর টাইমসকে বলেন, সারাদেশে ভাইরাসের কারনে লোকজন বাড়ির থেকে আসছে না। আমাদের কোন রোজি নাই। রাত পোয়ালে কিস্তির লোক বাড়িতে গিয়ে দাড়িয়ে থাকেন। এ সময় নিজের সংসার চালাতে পারচ্ছি না, কিভাবে কিস্তি পরিশোধ করবো। সরকার যদি এ সময়ের জন্য কিস্তি নেওয়া বন্ধ করে দিলে উপকার হতো।

এ ব্যাপারে ব্র্যাকে উপজেলা ম্যানাজার মোঃ মিজানুর রহমান চাঁদপুর টাইমসকে জানান, ‘আমাদের এ মাসে প্রায় ৫০% ঋন আদায় হয়েছে। ব্র্যাকের সাথে সরকারের সু- সম্পর্ক রয়েছে। সে ধরনে কোন নির্দেশনা আসেনি।আগামীতে আসে কি না জানি না। সরকারের সকল নির্দেশনা মানার জন্য প্রস্তাত আছে।’

এ বিষয়ে কথা বলতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। আরো পড়ুন- ফরিদগঞ্জে করোনার মধ্যেও নিস্তার নেই কিস্তির গ্রাহকদের

প্রতিবেদক : বিএম ইসমাইল, ২২ মার্চ ২০২০

ইন্টারনেট কানেকশন নেই