Home / উপজেলা সংবাদ / কচুয়া / পরীক্ষার হলে নকল সরবরাহের দায়ে কচুয়ায় দু’প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত
primary-education-office-chandpur

পরীক্ষার হলে নকল সরবরাহের দায়ে কচুয়ায় দু’প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার চাঙ্গিনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল আলম ও একই উপজেলার ধামালুয়া সরকারি প্রাাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামাল হোসেনকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সুলতান মিয়ার স্বাক্ষরিত দুটি চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গেলো ১৯ নভেম্বর উপজেলার মনোহরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় (পিএসসি) শিক্ষার্থীদের নকল করার সহযোগিতার অভিযোগে দু’ই সহকারী শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

তারা হলেন করইশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রাশিদা বেগম ও তালতলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোসা. শামিমা আক্তার।

একই সাথে তিনি ওই হলের দায়িত্ব থাকা এটিউ, হলসুপার ও সহকারী হলসুপারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে ডিপিইও/ঠাদ/২৫৪৮/৮ নং স্বারকে বিভাগীয় কর্মকর্তার কাছে সুপারিশ প্রেরণ করেন।

ওই সুপারিশের প্রেক্ষিতে সাময়িক বরখাস্তের তালিকায় থাকা দু’সহকারী শিক্ষকের সাথে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের সুপার মো. শফিকুল আলম ও সহকারী হলসুপার মো. কামাল হোসেনকেও যুক্ত করে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয় ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৯ এর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের
পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে মনোহরপুর উচচ বিদগলয কোন্দ্রের ৩ নং কাক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের কে নকল এ সহাযোহিতা করা এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের চরম অবহেলা এবং অসাধু উপায়ে অবলম্বনের ক্ষেত্রে ইনভিজিলেটরের পাশাপাশি এটিউ, হল সুপার ও সহকারী হলসুপারদের ও সহযোগিতা রয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া এ চার শিক্ষক এখন থেকে সরকারি বিধি মোতাবেক শুধুমাত্র খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন।

বরাখস্তের বিষয়টি নিম্চিত করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাহাব উদ্দিন চাঁদপুর টাইমসকে বলেন, ‘আমি সকালে মতলব উত্তরে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। তখন বিষয়টি জেনেছি।

সংশ্লিষ্ঠ হল সুপার, সহকারী হল সুপার ও দু’শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসারের (এটিউ) সুভাষ কান্তির বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি কেনো এমন প্রশ্নে তিনি জানান, ‘তার বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অফিদপরের এখতিয়ার। তবে আমি যতটুকো জেনেছি তার বিরুদ্ধে বিভাগ থেকে অধিদফতরকে সুপারিশ করা হয়েছে।

এদিকে ২১ নভেম্বর মতলব উত্তর উপজেলার নবুরকান্তি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে অন্য স্কুলের একজন দফতরী এসে নকল সরবরাহের দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ জরিমানা করেছেন বলে তিনি চাঁদপুর টাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেদক : দেলোয়ার হোসাইন, ২১ নভেম্বর ২০১৯