Home / লাইফস্টাইল / নিয়মিত সাইক্লিং-করলে যা হয়

নিয়মিত সাইক্লিং-করলে যা হয়

খোলা আকাশের নিচে, গাছে ঘেরা রাস্তায় সাইকেল চালালে প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্ব তৈরি হয়। এতে করে মাথা থেকে দুশ্চিন্তাগুলো বাতাসের সঙ্গে মিলিয়ে যায়।

সকালের দিকে দূষণ ও গাড়ির চাপ কম থাকে। তাই সকালে সাইক্লিং করুন, সকালে না পারলে সারাদিনে কিছুটা সময় বের করে সাইকেল চালান। আর এই করোনাকালে সবচেয়ে নিরাপদ বাহন কিন্তু সাইকেল, চাইলে নিয়মিত যাতায়াতের জন্য গণ-পরিবহনের পরিবর্তে সাইকেল ব্যবহার করতে পারেন।

সাইক্লিং-এর উপকারিতা:
পেশি শক্তিশালী করে- সাইক্লিং শুধু পায়ের ব্যায়াম নয়। নিয়মিত সাইকেল চালালে আমাদের শরীরের প্রতিটি পেশিতে চাপ পড়ে, ফলে পেশি সুগঠিত ও শক্তিশালী হতে সাহায্য করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমে-

সাইক্লিং আমাদের হার্ট, ফুসফুস এবং রক্তচাপের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখে। আর এভাবে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়।

কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি-

আমাদের কাজ করার জন্য যে স্ট্যামিনা প্রয়োজন হয়, নিয়মিত সাইক্লিং থেকে আমরা সেই কর্মস্পৃহা পেয়ে থাকি। যা আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষে দ্রুত পৌঁছতে সাহায্য করে।

চাপ কমায়-

খোলা আকাশের নিচে, গাছে ঘেরা রাস্তায় সাইকেল চালালে প্রকৃতির সাথে আমাদের বন্ধুত্ব তৈরি হয়। এতে করে মাথা থেকে দুশ্চিন্তাগুলো বাতাসের সঙ্গে মিলিয়ে যায়। ফলে মানসিক চাপ কমানোর জন্য এটি খুব ভালো একটি উপায়।

শরীরের মেদ কমে-

নিয়মিত সাইক্লিং-এ আমাদের শরীরের বাড়তি মেদ কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কার্ডিও –

সাইক্লিং-এর ফলে আমাদের শ্বাস এবং হার্ট বিট উন্নত হয়।

সাবধানতা
শহরের ব্যস্ত রাস্তায় সাইক্লিং করা সহজ নয়। এক্ষেত্রে নিজের সুরক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাইকেল কেনার সময় নিরাপত্তা গিয়ার ঠিক আছে কিনা চেক করে নিন। সব সময় রাস্তার একপাশ দিয়ে সাইকেল চালাতে হবে। বাই সাইকেল চালালেও ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। কখনোই খুব দ্রুত সাইকেল চালানো যাবে না। হেলমেট ব্যবহার করুন।
এছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে সাইকেল চালানোর আগে কিছু খেয়ে নিতে হবে। সাইকেল চালানোর সময় অনেক ঘাম হয়। তাই ক্লান্তি দূর করতে সঙ্গে এক বোতল পানি বা জুস রাখুন। কখনো ব্যথা পেলে বা কোনো শারীরিক সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

বার্তাকক্ষ,১৩ অক্টোবর,২০২০;

ইন্টারনেট কানেকশন নেই