Home / খেলাধুলা / ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেল টাইগাররা

ওয়ানডে ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় পেল টাইগাররা

জিম্বাবুয়েকে ১৫২ রানে থামিয়ে দিয়ে ১৬৯ রানের বিরাট এক জয় এনে দিয়েছেন টাইগাররা। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৬৩ রানের জয়টিই এত দিন ছিল ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়। আরও একটি দিক দিয়ে এ জয় গুরুত্বপূর্ণ। জুন-জুলাইয়ের বিশ্বকাপে আফগানিস্তানকে হারানোর পর ৫০ ওভারের ক্রিকেটে জয়টা অধরা হয়ে ছিল বাংলাদেশের। আজ টানা ৫ ম্যাচ হারের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ওয়ানডে জয়ের স্বাদ পেলেন।

শুরু থেকেই তোপে ছিলেন জিম্বাবুইয়ান ব্যাটসম্যানরা। একটা বারের জন্যও মনে হয়নি তারা বাংলাদেশের বোলারদের চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবেন। সাইফউদ্দিন নিজের প্রথম আর ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই তিনাশে কামুনহুতামওয়েকে বোল্ড করেন তিনি। এরপর রেজিস চাকাভা আর চামু চিভাভার ছোট্ট এক প্রতিরোধ। কিন্তু সেটি ভেঙে দেন ওই সাইফউদ্দিনই। এবার চাকাভাকে এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন তিনি। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা বোলিংয়ে এসে প্রথম ওভারে একটু খরচে হলেও আঘাত হানেন এর পরপরই। চিভাভা তাঁর বলেই লং অনে মাহমুদউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেন। ২৩ রানে ৩ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে এরপর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়েছে। বাঁ হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম এরপর বোল্ড করেন ব্রেন্ডন টেলরকে। সিকান্দার রাজা আর ওয়েসলি মাধেভেরের মধ্যে এরপর ৩৫ রানের জুটি গড়ে উঠলেও তারা খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি। দলীয় ৭৯ রানের মাথায় মোস্তাফিজুর রহমানের বলে মাহমুদউল্লাহকে ক্যাচ দেন রাজা। ৩২ বলে ১৮ রান করেছিলেন তিনি। মাধেভেরে ফেরেন মেহেদী হাসান মিরাজের বলে মাশরাফিকে ক্যাচ দিয়ে। জিম্বাবুয়ের ইনিংসে মাধেভেরের ব্যাট থেকেই এসেছেন সর্বোচ্চ ৩৫ রান।

রিচমন্ড মুতুম্বামি আর টেনোটেন্ডা মোতুমবদজি একটা জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ২২ রানের বেশি এগোতে পারেননি। মুতুম্বামি হন রান আউট। মোতুমবদজিকে সাইফউদ্দিনের ক্যাচে ফেরান মাশরাফি। দীর্ঘ ২৫৪ বল পর উইকেট তুলে নেওয়া মাশরাফি আজ ২ উইকেট তুলে নেন। গত বছর ডাবলিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩ উইকেট পাওয়ার পর ১১ ম্যাচ পরে এসে তিনি কোনো ম্যাচে একাধিক উইকেটের দেখা পেলেন। আজ সিলেটের ম্যাচটি মাশরাফি মনে রাখবেন আরও একটি কারণ। মোতুমবদজিকে ফিরিয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে পঞ্চম খেলোয়াড় হিসেবে তিনি অধিনায়ক হিসেবে তুলে নিলেন ১০০ উইকেট।

ব্যক্তিগতভাবে ভালো করেছেন। মাশরাফির মনে নিশ্চয়ই স্বস্তি। তবে সবকিছু ছাপিয়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের জয়ে ফেরাটাই সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয় হয়ে আসছে। ২০১৪ সালের পর টানা ৫ ওয়ানডে হারের স্বাদ যে গত ৬ বছরে পেতে হয়নি বাংলাদেশকে।

বার্তা কক্ষ, ১ মার্চ ২০২০