Home / চাঁদপুর / চাঁদপুরে রঘুনাথপুর উবি’র সভাপতি অবৈধ ভাবে নির্বাচিত করার পায়তারা
Obijog

চাঁদপুরে রঘুনাথপুর উবি’র সভাপতি অবৈধ ভাবে নির্বাচিত করার পায়তারা

চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর হাজী এ করিম খান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে অবৈধ ভাবে নিবাচিত করার পায়তারা অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে কুমিল্লা শিক্ষাবোডে পাঠানো প্রস্তাবটি অবৈধ ঘোষণা করে চাঁদপুর সদর উপজেলা নিবাহী কমকতা ও রিটার্নিং অফিসার কানিজ ফাতেমা বরাবরে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আশরাফুল ইসলাম এবং উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নিবাচিত ৪ সদস্য স্বাক্ষরিত এক অভিযোগ পএ দাখিল করেন।

দাখিলকৃত অভিযোগ পএে তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষাবোড কতৃক বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন বিষয়ে যে পরিপএ জারী করা হয়েছে সেটি কে তোয়াক্কা না করে চাঁদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সম্পূর্ণ একতরফা ও নিয়মনীতি কে পাশ কাটিয়ে গোপন সভা করে জোর পূবক প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর নিয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে এলাকার বিতর্কিত একজন ব্যক্তি কে সভাপতি পদে নাম প্রস্তাব পাঠানোর জন্য পায়তারা করছে।

দায়েরকৃত অভিযোগে তারা আরো উল্লেখ করেন, ম্যানেজিং কমিটি গঠন বিষয়ে জারিকৃত পরিপএে সুস্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটি গঠন করতে হলে বিদ্যালয়ের ছাএ ছাএীদের অভিবাবকদের গোপন ভোটে নিবাচন হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে প্রধান শিক্ষক বা পদধিকার বলে কমিটির সদস্য সচিব সভা করবে।

উক্ত সভায় নিবাচিত সদস্যগন ও নিবাচিত শিক্ষক প্রতিনিধি গনের উপস্থিতিতে সভা করতে হবে। সভা আহবানের কমপক্ষে ২ দিন পূবে উক্ত সভায় উপস্থিত থাকার জন্য সদস্যের চিঠি দিয়ে অবহিত করার নিয়ম রয়েছে এবং সভাটি অবশ্য ই বিদ্যালয় প্রাঙনে হতে হবে। তাছাড়া ও সভায় অভিবাবকদের ভোটে নির্বাচিত সদস্যের উপস্থিতি শতভাগ নিশ্চিত এবং তাদের ওপেন বা গোপন মতামতের ভিওিতে সভাপতি নিবাচন করার নিয়ম থাকলেও তিনি এই বিষয় গুলো তোয়াক্কা করেননি।

শুধু তাই নয়, সভা আহবানের কোনো কিছু তিনি কাউকে না জানিয়ে শুধু মাএ ৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি কে নিয়ে সভা করেন। উক্ত সভাটি নিধারিত সময়ের ২ দিন পর আহবান ও বেআইনি। এ বেআইনি সভা করে

মাধ্যমি শিক্ষা অফিসার এলাকার একজন বিতর্কিত ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করে, যার ফলে ঐ ব্যক্তি সভাপতি হলে বিদ্যালয় টির অতীত ঐতিহ্য ও সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়া ঐ ব্যক্তি সভাপতি হলে এলাকার সচেতন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে, যে কারনে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টির আগামী পথচলা প্রশ্নের সম্মুখীন হবে। অভিযোগে প্রধান শিক্ষক মোঃ আশরাফুল ইসলাম তার কাছ থেকে জোর পূবক স্বাক্ষর নেন বলে অভিযোগ করেন।

উল্লেখিত অভিযোগ গুলো বিষয়ে সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি, বলেন উল্লেখিত অভিযোগ গুলো সঠিক নয়, আমি একজন সরকারি কমকর্তা। অতএব সরকারি নীতিমালা অনুসরন করে কাজ করছি।

অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা নিবাহী কমকতা কানিজ ফাতেমার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন,এ ধরনের অভিযোগ বিষয়ে আমার জানা নেই।

প্রতিবেদক:কবির হোসেন মিজি
২৫ এপ্রিল ২০১৯

ইন্টারনেট কানেকশন নেই