Home / চাঁদপুর / চাঁদপুরসহ দেশের ৮ জেলার বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকছে

চাঁদপুরসহ দেশের ৮ জেলার বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকছে

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে আগামি ২৪ ঘণ্টায় মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, রাজবাড়ি, শরীয়তপুর, ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে। এই সময়ে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, বগুড়া, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নওগাঁ, নাটোর, মানিকগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

আর ঢাকা জেলার আশপাশের নদ-নদীর পানি স্থিতিশীল রয়েছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টা একই অবস্থায় থাকতে পারে।

পরিস্থিতির উন্নতির আভাস দিয়ে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলেছে, দেশের নদীগুলোতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১০১টি পর্যবেক্ষণ স্টেশনের মধ্যে ৬৭২টি পয়েন্টে মঙ্গলবার পানি কমেছে। বেড়েছে ২৬টি পয়েন্টে। ১৭টি নদীর ২৭টি স্টেশনে পানি এখনও বিপৎসীমার উপর দিয়ে বইছে।

ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার নদ-নদীর পনি কমছে, যা আগামী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। পদ্মা-গঙ্গা অববাহিকায় পানির সমতল স্থিতিশীল রয়েছে; আগামী ২৪ ঘণ্টা এ অবস্থা চলতে পারে। কুশিয়ারা ছাড়া উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আপার মেঘনা অববাহিকার সব নদীর পানি কমতে শুরু করেছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।

চলতি মৌসুমে বন্যা শুরু হয়েছিল গত ২৬ জুন। প্রথম ধাপে অন্তত ১০টি জেলায়, দ্বিতীয় ধাপে আরও আটটি জেলায় বিস্তার ঘটে বন্যার। জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত সব মিলিয়ে দেশের ৩৪ জেলার নিম্নাঞ্চল তিন ধাপে প্লাবিত হয়েছে বলে বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

সরকারি হিসাবে এবারের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের এক তৃতীয়াংশ এলাকার অর্ধকোটি মানুষ। এসব জেলার ১ লাখ ৬০ হাজার হেক্টর ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। বন্যার মধ্যে পানিতে ডুবে, ডায়রিয়ায়, সাপের কামড়ে ও বজ্রপাতে ১৩৫ জনের মৃত্যুর তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ন্যাশনাল হেল্থ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে নথিভুক্ত হয়েছে।

অগাস্টের প্রথম সপ্তাহে পানি কমে দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশের বন্যাকবলিত অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসার সম্ভবনা রয়েছে বলে কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুজ্জামান ভুইয়া জানিয়েছেন।

চাঁদপুর টাইমস রিপোর্ট, ৪ আগস্ট ২০২০

ইন্টারনেট কানেকশন নেই