Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Home / সারাদেশ / গ্রামে গ্রামে আঙুলের ছাপ নিয়ে তথ্যপাচার

গ্রামে গ্রামে আঙুলের ছাপ নিয়ে তথ্যপাচার

মাস চারেক আগের ঘটনা। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের আনোয়ারা বেওয়া জোহরের নামাজ শেষে বাড়ি থেকে বের হন নাতির খোঁজে। সে সময় তিনি দেখেন, তাদের গ্রামের এন্তাদুলের ছেলে জিয়া সবার কাছ থেকে আঙুলের ছাপ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর নিচ্ছে।

‘সরকার দেশে কাউকে অশিক্ষিত রাখবে না, সেজন্য গ্রামে গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু করবে’-এই কথা বলে আঙুলের ছাপ ও পরিচয়পত্রের নম্বর নিচ্ছেন জিয়াসহ কয়েকজন। আনোয়ারা বেওয়া সবার মতো রবি অপারেটরের ট্যাবে আঙুলের ছাপ দেন। পরে আইডি নম্বরও দেন শেষ বয়সে শিক্ষার সুযোগ পাবেন এই ভেবে। এর কিছুদিন পর তিনি বিশেষ প্রয়োজনে মোবাইল ফোনের আরেকটি সিম তুলতে যান। তখন দোকানদার তাকে জানান, এই আইডি ব্যবহার করে ২০টি সিম তুলে ফেলা হয়েছে। ফলে আনোয়ারা বেওয়া কোনো সিম তুলতে পারেন না।

শুধু আনোয়ারা বেওয়া নন, তার মতো বকুলতলা গ্রামের আরও অনেকে এই সমস্যায় পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে দেখা যায়, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের শুধু বকুলতলা গ্রাম নয়, আশপাশের আরও কয়েকটি গ্রামে একই ঘটনা ঘটেছে। এর শিকার হয়েছেন কেবল তারাই, যারা ট্যাবে আঙুলে ছাপ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়েছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, জাতীয় পরিচয়পত্র পরিবর্তন করা হবে, গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু হবে, সাহায্য-সহযোগিতা করা হবে এরকম বহু ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে আঙুলের ছাপ ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর নিয়েছে একটি চক্র। রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের সরকারি গ্রাম, ফটকচারি, পূর্ব ভাটিয়াপাড়া, বুড়গেরপাড়, কানিপাড়া, সড়কচারি, বাণ্ডালের চর, দক্ষিণ খাবার, দফাদারপাড়া গ্রামের ২ হাজারের অধিক লোক এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে দাবি স্থানীয়দের।

ভুক্তভোগী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও আঙুলের ছাপ জালিয়াতি করে তা তৃতীয় পক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য ও আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে ইতোমধ্যে শত শত সিম তুলে নেওয়া হয়েছে।

গ্রামবাসী এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে চিলমারী থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করেছেন। চিলমারী থানা সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় ৫০টির মতো জিডি করা হয়েছে। ওইসব জিডিতে এখন পর্যন্ত ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন- বকুলতলা গ্রামের এন্তাদুল মিয়ার ছেলে জিয়াউর রহমান জিয়া, গোয়ালবাড়ীর নজির হোসেনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২) দক্ষিণ খামারের (বাঁধ রাস্তা) আবদুস ছামাদের ছেলে জামিউল ইসলাম (২৮), পাঁচ গ্রামের (৬নং ওয়ার্ড) ইয়াকুব আলীর ছেলে সুলতান আলী, সরকারপাড়া গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৮) এবং নৃসিংহভাজের (তিস্তা পাড়) ফয়জার হোসেনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম মিন্টু (৩৫)। এছাড়াও রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের মজিদুল, তুষার ও ওয়াদুদও এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অনেকে দাবি করেন।

তবে অভিযুক্তদের দাবি, রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের এই কজন কেবলই মাঠপর্যায়ের কর্মী। তাদেরকে দিয়ে স্বল্প টাকায় কাজ করিয়ে নিয়েছে রংপুরের কাউনিয়া থানার বেইলি ব্রিজ এলাকার মানিক মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন।

এই চক্রের সঙ্গে ফোন অপারেটর রবি অপারেটরের কর্মকর্তারা জড়িত থাকতে পারে ইঙ্গিত করে অভিযুক্তদের একজন প্রিয়.কমকে বলেন, ‘আঙুলের ছাপ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই এলাকায় শুধুই রবি অপারেটরের ট্যাব ব্যবহার করা হয়েছে। এলাকাবাসী রবি অপারেটরের স্থানীয় অফিসে গিয়েও এটার মীমাংসা করার চেষ্টা করেছে।’

অভিযুক্তদের অনেকেই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্বীকার করে জানান, মানিক মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন রাণীগঞ্জের কিছু মানুষকে এই কাজের প্রস্তাব দেয়। তারা প্রতি সিম বাবদ ১৫ টাকা করে দিত। এই সিমগুলো তারা ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) ব্যবসার কাজে লাগাত। এক দেশ থেকে অন্য দেশে কথা বলা, এমনকি দেশের ভেতরেও এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভিওআইপিতে কথা বলা যায়। রাণীগঞ্জে যারা মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন, তারা অল্পকিছু টাকার জন্য এটা করেছে। এক্ষেত্রে তারা শুধু রবি অপারেটরের ট্যাব ব্যবহার করেছেন।

তারা জানান, শুধু রাণীগঞ্জ নয়, উত্তরবঙ্গসহ সারাদেশেই এমন কাজ চলছে। এই জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে চট্টগ্রামের নাসিরউদ্দিন মার্কেটের মিজান এবং ঢাকা, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন জায়গার লোকজনের যোগ রয়েছে। মূলত আঙুলের ছাপ ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহের কাজ করা হয়ে থাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে। যেখানকার মানুষ স্বল্প শিক্ষিত, সহজ-সরল ও প্রশ্ন করে কম। আর সে হিসাবেই বেছে নেওয়া হয় কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত সীমান্তের কাছাকাছি এলাকা রাণীগঞ্জ ইউনিয়নকে।

বকুলতলা গ্রামের ভুক্তভোগী আতেনা বেগম বলেন, ‘তিন-চার মাস হয় জিয়া ও আনোয়ার আমাদের গণশিক্ষার কতা কয়া আডি কার্ডের নাম্বার নিছে। হাতের ছাপও নিছে। যন্ত্রের মধ্যে কইরা হাতের ছাপ নিছে।’

ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আলী বলেন, ‘ওরা এসে বলছে, তোমাদের এই কার্ড চেঞ্জ হবে, আবার নতুন করে কার্ড হবে। আবার কেউ কেউ বলছে, এনজিও আসবে তোমাদেরকে মাল দিবে। আবার কেউ বলছে, আপনাদের গণশিক্ষা দেওয়া হবে। নিজেদের সরকারি লোক দাবি করে তারা এ রকম নানা প্রলোভন দেখিয়ে আমাদের টিপসই, আইডি কার্ডের নাম্বার নিছে।’

তিনি বলেন, ‘পরে আমরা খোঁজ নিয়ে দেখলাম, আমাদের নামে সব সিম নিয়া নিছে। পরে আমরা সবাই বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে থানায় জিডি করছি।’

চিলমারী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে প্রায় ৫০টি। এর মধ্যে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের একজনের জিডিতে উল্লেখ করা হয়, ‘… এই কয়জন আমাদের গ্রামে আসেন এবং বিভিন্নজনকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে হাতের ছাপ ও ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর নেন। আমাদেরকে তারা বলেন, আমরা সরকারি লোক। আমাদের অনেকেই যখন সিম কার্ড তুলতে যায়, তখন দোকানদার বলেন এই আইডিতে কোনো সিম তোলা যাবে না। কারণ, ওই আইডি দিয়ে যতগুলো সিম তোলা যাবে, তার সবগুলোই ইতোমধ্যে তোলা হয়ে গেছে। অথচ আমরা কেউই একটি বা দুটির বেশি সিম তুলি নাই। বিষয়টি জানাজানি হলে দেখা যায়, যারা ওই লোকদের কাছে টিপসহি ও আইডি কার্ডের নাম্বার দিয়েছি তারাই এ সমস্যায় পড়েছে।’

রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের দফাদারপাড়া (কালিরপাঠ) ৪নং ওয়ার্ডের সোনারাণী, শ্রীমতি বালাময়ী, রেনুকা বেগম, শ্রী সঞ্জিত দাস, মোছা. আলো বেগম, আনোয়ারা বেগম ও মো. মনির হোসেন চলতি বছরের ৪ নভেম্বর সিম জালিয়াতির অভিযোগ এনে জিডি করেন।

ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে অভিযোগ করে ওই জিডিতে বলা হয়, ‘ইউনিয়নের দফাদারপাড়া (কালিরপাঠ) ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এন্তাদুল হকের ছেলে মো. জিয়া আমাদের নিকট বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৭/৮ মাস আগে মোবাইল ফোনের নতুন সিম সংগ্রহের কথা জানান। জিয়া তার বাড়িতে ট্যাব এনে আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও ছবির মাধ্যমে নতুন সীমের রেজিস্ট্রেশন করে। পরবর্তী সময়ে সিমটি ফেরত দেওয়ার কথা। অদ্যবধি ফেরৎ না দিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এই সিমটি দ্বারা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে ঘটনাগুলো সরেজমিনে তদন্তপূর্বক সিম পাওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার মর্জি হয়।’

রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের (পশ্চিম ভাটিয়াপাড়া গ্রাম) বক্তার আলী মেম্বার বলেন, ‘বাড়ি বাড়ি নানান কথা কইয়া আইডি কার্ডের নাম্বার আর আঙুলের ছাপ নিছে, কেউ বুঝতে পারে নাই। ওরা যে নিছে এইটাও ওরা স্বীকার করছে। আমি ওদের মুখেও শুনছি, এদের মুখেও শুনছি। দুইপক্ষের কাছ থেকেই শুনছি। ওরা খালি কয়, নিছি এইটা ঠিক আছে। ওরা নিয়া থার্ড পার্টিরে দিছে এইটা জানি। আমি অনেক দিন দৌড়াইছি এইগুলা নিয়া। পরে ওরা একদিন বলে, রংপুর থেকে কয়েকজন লোক আসছে, ওরাই নিয়া গেছে।’

বক্তার আলী মেম্বারের দাবি, এভাবে তারা কমপক্ষে ২ হাজার আইডি কার্ড ও আঙুলের ছাপ নিয়েছে।

গ্রামে গ্রামে গিয়ে আঙুলের ছাপ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর এনে সিম তোলার কাজ দিয়েছেন মানিক মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন, এমন দাবি রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের জিয়াউর রহমানের। তিনি বলেন, ‘নেটওয়ার্ক মার্কেটিংয়ে যারা চাকরি করে, ওদের নাকি একটি ভিওআইপির মাধ্যমে ইন্টারনেটে কথা বলা যায়। ওরা (মানিক ও সাখাওয়াত) বলে আর কি। ওরা কীভাবে জানি ডলার ইনকাম করে।’

এর সঙ্গে নিজের যুক্ত হওয়া সম্পর্কে জিয়াউর রহমান বলেন, ‘আমি আগে বিকাশে চাকরি করা অবস্থায় জামিউল, পাঁচগ্রামের নতুন ব্রিজ এলাকার মজিদুল ও তুষার বিষয়টি সম্পর্কে প্রথম আমাকে জানায়। তারা বলে, এই এই কাজ করলে টাকা পাওয়া যায়। ওদের কাজ কিছুদিন দেখছি। পরে দেখি সমস্যা নাই। তারপরে জামিউলের মাধ্যমে আমি রংপুরের লোকদের (মানিক ও সাখাওয়াত) সঙ্গে কিছুদিন কাজ করার পর দেখি, কাজ করা যাবে না। পরে আমি এই কাজ ছেড়ে দেই। তখন আশরাফুল ও কানিপাড়া গ্রামের ওয়াদুদ নামে দুইজন বলে তারা এ কাজ করবে, কারণ তাদের টাকা দরকার। ওরা পরে রংপুরের ওই দুই লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই কাজ করে।’

জিয়াউর রহমান আরও বলেন, ‘পরে যখন আমরা খোঁজখবর নেওয়া শুরু করে দেখি, সারা বাংলাদেশেই ওরা এই কাজ করে থাকে। ওরা কাজ করে সেইসব এলাকায় যেখানে মানুষ বেশি বোঝে না, প্রশ্ন করে না সেসব এলাকায়।’

‘একটা সিম বাবদ আমাদেরকে ১৫ টাকা করে দিত। একজন ব্যক্তির কাছ থেকে আইডি নম্বর ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিতে পারলে ২ থেকে ৪টা সিম তুলতাম,’ বলেন জিয়া।

রাণীগঞ্জে যারা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর ও আঙুলের ছাপ নিয়েছেন তারাসহ পরিবারের সবাই এখন সামাজিক চাপের মধ্যে আছেন বলেও জিয়াউর জানান।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জু বলেন, ‘এ বিষয়ে থানায় জিডি হইছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখতেছে কী উদ্দেশ্যে নিছে তা যাচাই-বাছাই করে দেখতেছে। পুলিশ এটা নিয়ে কাজ করতেছে, এটুকুই জানি আমি। কাজের আগ্রগতি কতটুকু তা শুনিনি।’

সিম জালিয়াতির তদন্ত কর্মকর্তা চিলমারীর থানার এএসআই আশিকুজ্জামান বলেন, ‘আমরা এরকম ৫০টির মতো অভিযোগ পেয়েছি।’

চিলমারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মুরাদ হাসান বেগ প্রিয়.কমকে বলেন, ‘এরকম ঘটনার কথা আমি শুনেছি, পুলিশ আমার কাছে অভিযোগও দিয়েছে। পুলিশ এ বিষয়টা দেখছে, ওদেরকে ধরারও চেষ্টার করছে।’

তবে এই এএসআই আশিকুজ্জামান বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্তের জন্য আমরা আদালতের কাছে অনুমতি চেয়েছি। কিন্তু এখনো অনুমতি পাইনি। অনুমতি পেলে আমরা তদন্তে নামব।’

এ বিষয়ে কথা হয় ‘মূল হোতা’ রংপুরের মানিক মিয়ার সঙ্গে। তিনি সিম জালিয়াতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা কাছে স্বীকার করেন।

মানিক মিয়া জানান, তিনি এই কাজ অনেক আগে করতেন, এখন করেন না। বর্তমানে সাখাওয়াত হোসেন এই কাজের সঙ্গে জড়িত আছেন। সাখাওয়াত সিম জালিয়াতি করে অবৈধ ভিওআইপির ব্যবসা করার দায়ে কয়েকদিন আগে প্রায় এক মাস জেল খেটে বেরিয়েছেন। এই অবৈধ ব্যবসা করে সাখাওয়াত লাখ লাখ টাকার সম্পত্তি করেছেন। কয়েক মাস আগে সাখাওয়াতের সঙ্গে মানিক মিয়ার ঝগড়া হওয়ায় তারা কেউ কারো সঙ্গে কথা বলেন না।

চট্টগ্রামের এক ব্যক্তির সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল বলে জানান মানিক মিয়া। এ ছাড়া তিনি আরও কাদের সঙ্গে ব্যবসা করেছেন বা করছেন? আঙুলের ছাপ ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর তিনি ভিওআইপি জালিয়াতি ছাড়াও অন্য কোথাও ব্যবহার করেছেন কি না? জানতে চাইলে মানিক মিয়া তা এড়িয়ে যান। কথা বলার সময় তিনি নিজেকে দেশের শীর্ষ একটি দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেন। (প্রিয়.কমের)

নিউজ ডেস্ক
: আপডেট, বাংলাদেশ সময় ৪:৫৫ পিএম, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭, রোববার
এএস

শেয়ার করুন