Home / সারাদেশ / কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল বাঙ্গরা

কুমিল্লায় যুবলীগ নেতা হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল বাঙ্গরা

কুমিল্লায় জেলা পরিষদের সদস্য ও মুরাদনগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি খায়রুল আলম সাধন হত্যার বিচার দাবিতে ফুসে উঠেছে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণ।

১৫ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে আয়োজিতএক প্রতিবাদ সমাবেশে উত্তাল হয়ে ওঠে জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানা এলাকা।

বাঙ্গরা বাজার থানা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠন আয়োজিত মানববন্ধন-প্রতিবাদ সমাবেশে এলাকার হাজারো জনতা উপস্থিত হয়। তারা খায়রুল আলম সাধন হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এসময় বিক্ষোদ্ধ জনতার অবরোধেঅচল হয়ে পড়ে শ্রীকাইল ও বাঙ্গরা গ্যাস ফিল্ডের গুরুত্বপূর্ণ কোম্পানীগঞ্জ-নবীনগর সড়ক।

পরে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের সভাপতি বাহাউদ্দিন বাহার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সরকার।

এ সময় পিতার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমুলক বিচার দাবি করে বক্তব্য রাখেন নিহত খায়রুল আলম সাধনের ছেলে সুমন্ত সুলতান।
বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগের সভাপতি নাইউম খান এর সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন, মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সবেক চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম সওদাগর, মুরাদনগর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক রুহুল আমীন, মুরাদনগর উপজেলা যুবলীগের সদস্য আরিফুল ইসলাম সাহেদ, মুরাদনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক মোঃ রহিম পারভেজ, মুরাদনগর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ফয়সাল আহমেদ নাহিদ, বাঙ্গরা বাজার থানা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ আবুল কালাম।

বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগের সদস্য ডা: বিল্লাল হোসেন এর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাঙ্গরা বাজার থানা যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল্লাহ নজরুল, বাঙ্গরা বাজার পূর্ব ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ তৌফিক সিদ্দিকী,পূর্বধইর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শরীফুল ইসলাম, আন্দিকোট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক সরকার, টনকী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, চাপিতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানআবদুলকাইয়ুম, বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রুহুল আমীন, বাঙ্গরা বাজার যুবলীগ সদস্য শেখ মনিরবাঙ্গরা বাজার ইউনিয়ন যুবগীগের আহবায়ক বাবলু আলী খান,যুবমহিলালীগ নেত্রী কুলসুম আক্তার মিতু।

প্রসঙ্গত, ৯ জানুয়ারি খায়রুল আলম সাধনকে (৫১) হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে যায় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা। শুক্রবার জানাযা শেষে মুরাদনগর উপজেলা কেন্দ্রিয় করস্থানে তাকে দাফন করা হয়।জানাযার নামাজে উপস্থিত হয়ে খায়রুল আলম সাধনের হত্যার সুষ্ঠুু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারিদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানানকুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনের সংসদ সদস্য ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন।

জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল

ইন্টারনেট কানেকশন নেই