Home / উপজেলা সংবাদ / কচুয়া / কচুয়ায় সরকারি প্রণোদনায় নতুন জাতের ধান চাষ শুরু
hira-2

কচুয়ায় সরকারি প্রণোদনায় নতুন জাতের ধান চাষ শুরু

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় সরকাারি প্রণোদনায় নতুন জাতের ৫০ একর সমালয়ে হিরা-টু-হাই ব্রিড নামক নতুন উদ্ভাবনী এ ধানের চাষ পরীক্ষামূলকভাবে শুরু করা হয়েছে। মঙ্গলবার ২ মার্চ কৃষি সম্প্রাসারণ বিভাগ, চাঁদপুর জেলার খামার বাড়ির দেয়া এক তথ্যে এসব জানা গেছে।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় চলতি ২০২০-২১ বোরো মৌসুমে সরকাারি প্রণোদনায় নতুন জাতের ৫০ একর সমালয়ে হিরা-টু-হাই ব্রিড নামক নতুন উদ্ভাবনী এ ধান চাষ পরীক্ষামূলকভাবে `করোনাকালীন সময়ে কৃষি পুর্নবাসন প্রকল্পের’ আওতায় এ কর্মসূচিটি এবারই প্রথম শুরু করা হয়েছে।

এ প্রকল্পটি প্রতি বিভাগের একটি করে উপজেলা নির্বাচনে চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলাকে এর আওতায় আনা হয়েছে। প্রকল্পটি কচুয়ার ৫নং সহদেবপুর ইউনিয়নের পশ্চিম কান্দিরপাড় নামক সমালয়ে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এতে ১২০ জন কৃষক সুবিধাভোগীর একইস্থানে অবস্থিত সমালয়ে নতুন জাতের এ ধান চাষাবাদ করতে সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ ১৪ লাখ টাকা প্রণোদনা হিসেবে বরাদ্দ দিয়েছে। এ ছাড়াও সকল প্রকার প্রযুক্তি দিচ্ছে জেলা কৃষি বিভাগ।

প্রকল্পের অধীন কৃষকগণ চাষাবাদ থেকে শুরু করে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার,ট্রেতে চারা,সার-বীজ-কীটনাশক এর সুষম ব্যবহার,হারবেস্টার মেশিনে ঝাড়াই-মাড়াইসহ সব কিছরুই করার উদ্যোগ নেবে কচুয়া কৃষি বিভাগ। সার্বক্ষণিক সুবিধাভোগীদের সাথে যোগাযোগও রেখেছে কচুয়া কৃষি বিভাগ।

কোনোরকম খরচ ছাড়াই সুবিধাভোগীদের গড়ে একর প্রতি ৬ থেকে-৭ মে.টন নতুন এ জাতের ধানের ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ফলন পাবে সুবিধাভোগীগণ। এর জীবন কাল ১৪০-১৪৫দিন। দেখতে সাধারণ বোরোর মতই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-সহকারী নরেশ চন্দ্র দাস ২ মার্চ দুপুরে বলেন,‘চাঁদপুরের মান্যবর জেলা প্রশাসক জানুয়ারি মাসে এ নতুন উদ্ভাবনী জাতের ধান চাষের প্রকল্পটি উদ্বোধন করেন।সুবিধাভোগীদের সকল ব্যয় প্রকল্প খাত থেকে প্রণোদনা হিসেবে সরকারের কৃষিবিভাগ প্রদান করবে।’

কচুয়া উপজেলার কৃষি বিভাগের উপ-সহকারী সিবুলাল সাহা বলেন,‘কৃষি বিভাগের প্রণোদনায় কচুয়া উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের কান্দির পাড় এলাকায় সমতল ভূমিতে পরীক্ষামূলক চাষাবাদ করার জন্যে ৫০ একর কৃষি জমি বাচাই করা হয়েছে। সরকারিভাবে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কচুয়া কৃষি অফিস সব রকম প্রযুক্তি দিচ্ছে। উৎপাদন ব্যয় সরকারের হলেও ফলন পাবে কৃষকগণ।’

আবদুল গনি,২ মার্চ ২০২১