Home / আরো / শিল্প-সাহিত্য / ‘না’ শব্দের খনন

‘না’ শব্দের খনন

চিন্তাসূত্র শুন্যতায়, পশুত্বের নগ্ন দহনে
কামনার দীর্ঘ নাগ, না শব্দটি দাঁতমুখের যুগ্নতায় খনন করে কী চায়!
লোলুপ অধিকার।

হাঁ শব্দটি বিকলাঙ্গ, অযোগ্য, অপাত্রস্ত
তাই হয়তো সম্প্রদান না হয়ে-জেগেছিল-
তবুও হাঁ, হাঁ চাই। কিন্তু-
যৌক্তিক শব্দ সুড়ঙ্গ- ‘না’ দীর্ঘতায় –
তবুও ঘাটের মড়া নড়ে না, সরে না।
আড়পেতে দখলে উন্মাদ,দোল খায় পবিত্র ‘না ‘শব্দের গায়।

দীর্ঘ প্রহরায়-
সিদ্ধান্তের রক্তচাপাতি নিয়ে দৌড়ে গিঁট বেঁধে আকড়ে নেয় , উদ্ধৃতি দেয়।
কেন? না! হাঁ চাই! নচেৎ চিবিয়ে খাবো হৃদপি-।

নিশ্চিত বোকা, অথবা বসবাস। কিন্তু জানা তো বৈধ ছিল।
বোকার স্বর্গে অস্পরীরা আসে না, বেরোয় না
ইন্দ্রমোদী! হাঁ বলে না; তবুও জোর! জোর।
ওরা বোঝে এ তো দেহের হাঁফুর, এই তো গেলে
আলো নিভিয়ে ক্ষনেক পরে, খুঁজবে অন্ধকার।
অতএব, নয় ভর আপনার।

একদিন-
লম্পটের দা দাড়ায় মনপুরীর গায়
বিশ্বাস ঠুকরে ওঠে, সে নাকি তাকে ভাবতো
হৃদপি- নিবেদনে ধুকতো, বড্ড চাই বলতো।

কিন্তু –
অসম্ভব হয়ে ধরা দেয়, আঁতকে ওঠে তাবৎ শরীর খাবলে খাবলে যখন
মাংস- মাংস চিবোয়। খননে- নিক্তে তুলে- লাল মাংস। দৃশ্যান্তর –
শকুনেরা ভয়ে পালায়, সে তোলে হজম ডেকুর।

কাঁদায়, স্তব্ধতায়, অসম্বব নিঠুরতায়-
ফ্লাস প্রস্তুতের তোলপাড় ,ওঠাও আরে তাড়াহুড়ো
বড় বিস্ময়! এ মুহূর্তের দৃশ্যটা চাই!

প্রশ্ন দিলাম, জবাবটা উপযোগী, কত দৃশ্য বন্দী হলে
জেগে ওঠবে মানবিক স্লোগান। আর কত- হলে;
নারীর খনন শেষে তুমি বলবে, সে আমার গর্ভধারিণী গোত্র বিন্যাস।
তা সত্ত্বেও যদি চলে না’ শব্দের খনন- তাহলে-
আপত্তি বিব্রত।

কবি : শাহমুব জুয়েল : আপডেট, বাংলাদেশ সময় ৫:০০ এএম, ২০ নভেম্বর ২০১৬, রোববার
ডিএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

সাবেক চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সর্দারের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী

চাঁদপুরের ...